ক্রিকেটে একসময় আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ছিল সংক্ষিপ্ত- মাত্র তিনটি ওয়ানডে খেলেই থেমে গিয়েছিল পথচলা। তবে মাঠের সেই স্বল্প সময়ের অভিজ্ঞতাকেই পুঁজি করে কোচিংয়ে গড়ে তুলেছেন দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময় এক ক্যারিয়ার। এবার সেই যাত্রায় নতুন সংযোজন- কাতার নারী ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার ফাতেমা তুজ জোহরা।
২০০৭ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হলেও খেলোয়াড়ি জীবনে খুব বেশি সুযোগ পাননি তিনি। তবে খেলা থামলেও ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি। বরং বিকেএসপিতে দীর্ঘ সময় কাজ করে ধীরে ধীরে নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের কোচ হিসেবে গড়ে তোলেন ফাতেমা।
কোচিং ক্যারিয়ারের শুরুতেই তিনি দেশের নারী ক্রিকেটে যুক্ত ছিলেন। ২০১১ সালে জাতীয় নারী দলের সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৭ সালে স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ হিসেবেও কাজ করার সুযোগ পান, যেখানে তার দায়িত্ব ছিল খেলোয়াড়দের শারীরিক প্রস্তুতি ও পারফরম্যান্স উন্নয়ন।
আরও পড়ুন
এরপর ধাপে ধাপে দেশের বাইরে কাজের সুযোগ আসে তার সামনে। অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস ক্রিকেটে চুক্তিভিত্তিক কোচিং করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করেন তিনি।
২০২২ সালে বিকেএসপি থেকে বিদায় নিয়ে নতুনভাবে বিদেশি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন ফাতেমা তুজ জোহরা। ওই বছর তিনি মালদ্বীপ নারী ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেন এবং টানা দুই বছর দলটির উন্নয়নে কাজ করেন। তার নেতৃত্বে দলটি কাঠামোগত ও পারফরম্যান্স- উভয় দিক থেকেই অগ্রগতি দেখায়।
মালদ্বীপ পর্ব শেষ করে ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি আরও একটি বড় দায়িত্ব পান- চীনে চীনা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের টেকনিক্যাল কোচ হিসেবে যোগ দেন। সেখানে কোচিং কাঠামো ও খেলোয়াড় উন্নয়ন প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
এএডি/