চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে সংরক্ষিত সরকারি মালিকানাধীন পুরোনো টিন বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১০ জুন) অফিস চলাকালীন সময় ওই টিনগুলো বিক্রি করে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা লুৎফুন নেছা বেগমের বিরুদ্ধে যোগসাজশের অভিযোগ এনেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তবে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।
সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সমাজসেবা কার্যালয়ের কক্ষের টিনের চাল পরিবর্তনের পর পুরোনো প্রায় অর্ধশতাধিক টিন অফিসের ভেতরে স্তুপ করে রাখা ছিল।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, একজন কর্মচারী অফিসের ভেতরে দাঁড়িয়ে ক্রেতার সঙ্গে কথা বলছেন এবং টিনের বান্ডিল বাঁধতে দড়ি দিয়ে সহযোগিতা করছেন। ভিডিওটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, সমাজসেবা কার্যালয়ের ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ টিন সরিয়ে নেওয়া হলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অজ্ঞতা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তাদের অভিযোগ, এর আগেও একবার টিনগুলো গোপনে বিক্রির চেষ্টা করা হয়েছিল, তবে বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় তা বাস্তবায়িত হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা লুৎফুন নেছা বেগম বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। ভিডিওটি আমি দেখেছি। টিনগুলো আগের জায়গায় রেখে দেওয়ার জন্য ভিডিওতে দেখা ব্যক্তিকে বলা হয়েছিল।’
এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফখরুল ইসলাম বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। তবে সরকারি সম্পদ বিক্রয়ের জন্য নির্ধারিত বিধিমালা রয়েছে এবং বিধি বহির্ভূতভাবে সরকারি সম্পদ বিক্রি করা আইনসিদ্ধ নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
/এসএকে