আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করেছে পাকিস্তান সরকার। এ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৭৭ হাজার কোটি রুপির (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা বা ৬ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার) বাজেট ধার্য করা হয়েছে। এতে আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ ট্রিলিয়ন রুপি কর।
এদিকে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাংলাদেশ সরকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করে। এটি পাকিস্তানের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি।
বুধবার পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাজেট উপস্থাপন করেন দেশটির অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব। এটি অর্থমন্ত্রী হিসেবে তার প্রথম বাজেট। অন্যদিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
পাকিস্তানের বাজেটে আগামী অর্থবছরে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৬ দশমিক ৯ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকার জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৬.৫ শতাংশ, যা পাকিস্তানের লক্ষ্যমাত্রার দ্বিগুণ। একইসঙ্গে প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পাকিস্তানের বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ১৭ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন রুপি। এর মধ্যে ফেডারেল বোর্ড অব রেভিনিউর (এফবিআর) কর আদায়ের লক্ষ্য প্রায় ১৩ ট্রিলিয়ন রুপি, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি।
অন্যদিকে ঋণের সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৯ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন রুপি, যা মোট বাজেট ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ। প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন রুপি।
এদিকে, বাংলাদেশ সরকার, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
/কেএইচও