কিছু গল্প কখনোই শেষ হয় না। হৃদয়ের কোণে লুকিয়ে থাকে, ফিরে আসার সঠিক মুহূর্তের অপেক্ষায়। এমনই গল্পে প্রচারে এসেছে নাটক ‘অতীতের গল্প’। নাটকটিতে ভালোবাসা, বিচ্ছেদ, অনুশোচনা এবং সহজে মুছে না যাওয়া স্মৃতির আবেগঘন চিত্র ফুঠে উঠেছে। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী আইশা খান। তার বিপরীতে রয়েছেন নিলয় আলমগীর। নাটকটি অবমুক্ত হয়েছে এনএএফ ইউটিউব চ্যানেলে। নাটকটিতে আইশার অভিনয় বেশ প্রশংসিত হচ্ছে দর্শকদের কাছে।
নাটকের গল্পে দেখা যায় এতিম মেয়ে মাহিরাকে ভালোবেসে বিয়ে করেন বিমানচালক আবরার। দাম্পত্য জীবন শুরু হতে না হতেই সব শেষ হয়ে যায়। বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন আবরার। স্বামীর ভালোবাসার স্মৃতি নিয়ে বাকি জীবন কাটিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মাহিরা। স্বামীহারা হলেও শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে থাকেন তিনি। ছোট একটি চাকরি করেন। অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকতা তাকে বিয়ে করতে চাইলেও রাজি হন না। এভাবে এগিয়ে যায় নাটকের গল্প।
নাটকটি নিয়ে আইশা বলেন, আমি আগে থেকেই বেশি কাজ করা পছন্দ করি না। ভালো কাজ চাপ নিয়ে করা যায় না। তাই ধরে ধরে কম কাজ করছি। অল্প কাজেই দর্শকদের সাড়া পাই। এটিও তেমন একটি নাটক। গল্পতে ভিন্নতা আছে, আমার করা চরিত্রটি নিয়ে কাজ করার অনেক সুযোগ ছিল। আমি চেষ্টা করেছি সে সুযোগটুকু কাজে লাগানোর। বাকিটা দর্শকরা বলবেন।
‘অতীতের গল্প’ ছাড়াও আইশা অভিনীত বেশ কিছু নাটক সম্প্রতি প্রচারে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে মাহমুদ মাহিনের ‘হয়নি বলা’, চয়নিকা চৌধুরীর ‘আবার হবে দেখা’, এস আর মজুমদারের ‘মন গহীনে’ অন্যতম। প্রতিটি নাটকে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন আইশা। প্রশংসিত হয়েছে তার অভিনয়। নাটক ছাড়াও ওয়েব সিরিজ ও বিজ্ঞাপনে নিয়মিত কাজ করছেন আইশা।
আরও পড়ুন
অভিনয় করেছেন সিনেমাতেও। অপেক্ষায় রয়েছে তার নতুন সিনেমা ‘শেকড়’। সিনেমার মাধ্যমে তাকে দেখা যাবে এক ভিন্নধর্মী গল্পে। এতে প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় তার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন এফ এস নাঈম। গত বছরের অক্টোবরে কানাডার টরন্টোতে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব সাউথ এশিয়ায় শেকড়ের প্রিমিয়ার হয়। কুরবানির ঈদে মুক্তির পরিকল্পনা থাকলেও অনেক সিনেমার ভিড় এবং ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য পিছিয়ে যায় শেকড়ের মুক্তি।
‘শেকড়’ সিনেমাতে কাজ প্রসঙ্গে বেশ উচ্ছ্বসিত এ অভিনেত্রী। তিনি বলেন, একটি ভালো গল্প ও চরিত্রের স্বপ্ন সবসময়ই দেখি। সে জায়গা থেকে ‘শেকড়’ দারুণ।
অভিবাসী মানুষের আত্মপরিচয়ের সংকট, জন্মভূমির প্রতি টান এবং হারিয়ে যাওয়া শেকড়ের সন্ধানের আবেগঘন যাত্রা দেখানো হবে এতে। এর পরিচালক, সহশিল্পীসহ পুরো টিমটাও আমার খুব ভালো লেগেছে। আশা করছি দর্শক উপভোগ্য একটি সিনেমা পেতে যাচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, ‘আহত ফুলের গল্প’ সিনেমা দিয়ে ২০১৮ সালে বড়পর্দায় অভিষেক ঘটে আইশা খানের।
এএডি/