নানা টালবাহানার পর মধ্যপ্রাচ্যে উঁকি দিচ্ছে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা। মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের ঐকান্তিক চেষ্টায় অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সোমবার একটি প্রাথমিক চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। প্রাথমিক এই সমঝোতায় আপাতত সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ইরানের জব্দ করে রাখা সম্পদ ছাড়ের বিষয়গুলো নিষ্পত্তি হচ্ছে বলে জানা গেছে। অর্থাৎ চুক্তিটি এখনই চূড়ান্ত কোনো সমাধান এনে দিচ্ছে না। বরং চুক্তিটিকে ৬০ দিনের অন্তবর্তী একটি সমঝোতা বলাই সমীচীন হবে। এই ৬০ দিনে চূড়ান্ত চুক্তির ব্যাপারে আরও কারিগরি আলাপ আলোচনা চলবে। বলা হচ্ছে, আগামী শুক্রবার জেনেভায় সই করা হবে চুক্তিটি। তবে ইসরাইলি আগ্রাসন চূড়ান্ত সমঝোতায় প্রধান সংকট হিসেবেই রয়ে গেছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসে-এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবারের চুক্তিটি চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে আরও দীর্ঘায়িত করবে এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার পথ প্রশস্ত করবে। তবে ইসরাইল লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে কি না তা নিয়ে এখনও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা ও চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।
সিএনএনের প্রতিবেদন বলছে, চুক্তির বিস্তারিত তাৎক্ষণিক প্রকাশ করা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার জেনেভায় স্বাক্ষরের আগে এটি কার্যকর হচ্ছে না। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান জানিয়েছে, শুক্রবার জেনেভায় এই চুক্তি সই হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিতই থাকবে। উল্লেখ্য, বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহের জন্য হরমুজ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ, যা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।
সোমবার কট্টর ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ জানিয়েছেন, লেবাননে দখল করা এলাকা থেকে তারা সরবে না। সেখানে ইসরাইল ইরানের মদদপুষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে এই যুদ্ধ শুরু করেছিল, কিন্তু ইসরাইল এখন বলছে তারা এই চুক্তির অংশ নয়।
প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, ইসরাইল তার নিরাপত্তার প্রতি যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে নিজেকে রক্ষা করতে অভিযান চালিয়ে যাবে। কেবল এই একটি বিষয়ই চুক্তিটিকে নস্যাৎ করে দিতে পারে, কারণ ইরান বরাবরই জোর দিয়ে আসছে যে যুদ্ধ বন্ধের যেকোনো চুক্তিতে অবশ্যই লেবাননে চলমান লড়াই বন্ধের শর্ত থাকতে হবে। তবে চুক্তিটি অন্যান্য বড় চ্যালেঞ্জেরও সম্মুখীন। ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদ এবং পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য চুক্তিতে মাত্র ৬০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। তেহরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ বলে দাবি করলেও, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল আশঙ্কা করছে এটি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার হতে পারে।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে ২০১৫ সালে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ইরান ও বিশ্বশক্তিগুলোর কয়েক বছর সময় লেগেছিল। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে সেই চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন, যা বর্তমান যুদ্ধের উত্তেজনার পটভূমি তৈরি করেছিল।
এত অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও, ইউরোপ থেকে চীন বিশ্বনেতারা এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, যার মধ্যে ইরানের ধর্মীয় নেতৃত্বের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরাও রয়েছেন।
এ ছাড়া এই যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও জ্বালানি, খাদ্য এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। তবুও কেউ কেউ চুক্তিটির বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। লুক্সেমবার্গের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেভিয়ার বেটেল মন্তব্য করেছেন, শুক্রবার আসতে এখনও অনেক দেরি।
চুক্তির শর্তাবলি : চুক্তির খসড়া শর্ত নিয়ে রয়টার্সকে ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ইরানের আটকে থাকা ২৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছাড় করতে রাজি হয়েছে ওয়াশিংটন। বিনিময়ে ইরান কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জন না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির বর্তমান স্থিতাবস্থা বজায় রাখবে অর্থাৎ নতুন করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বা পরমাণু কেন্দ্র সম্প্রসারণ করা হবে না।
চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার আগে এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, এ চুক্তির চূড়ান্ত পরিণতি হবে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণ বন্ধ করা। তাদের কাছে থাকা উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ সম্পূর্ণ ধ্বংস করে ইরান থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে।
তবে ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, খসড়া চুক্তি অনুযায়ী তারা দেশের ভেতরেই এই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম লঘু করার সুযোগ পাবেন। পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, এই চুক্তিকে চূড়ান্ত রূপ দিতে রোববার সকালে তেহরানে গিয়েছিলেন কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা।
চুক্তি সইয়ের আগে খুলছে না হরমুজ প্রণালি : নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুদ্ধ শেষ করার চাপের মুখে থাকা ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চুক্তিটির প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার এবং ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন। তবে পরে তিনি বলেছেন, শুক্রবারের আগে প্রণালিটি খুলবে না।
ট্রাম্প বলেছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রধান নৌপথ হরমুজ প্রণালি যা ইরান গত কয়েক মাস ধরে কার্যত অবরুদ্ধ করে রেখেছে শুক্রবার পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারের নির্দেশও তিনি দিয়েছেন।
ট্রাম্প তার পোস্টে লেখেন, বিশ্বের জাহাজগুলো, ইঞ্জিন চালু করো। তেল বইতে দাও!
চুক্তির খবরের পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দর কমতে শুরু করে। সোমবার লেনদেনের শুরুতে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ৪ শতাংশ কমে যায়, আর ইউ.এস. ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দর পড়ে যায় ৪.৬ শতাংশেরও বেশি। এ ছাড়া এশিয়ার শেয়ারবাজারেও উত্থান লক্ষ করা গেছে।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেন, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলাকালীন তেহরানের ওপর নিষেধাজ্ঞায় শিথিলতাসহ আরও বড় পরিসরে বিস্তৃত চুক্তির আলোচনা হবে। এর আগে একাধিক সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছিল, পরের দফার ওই আলোচনাতেই নির্ধারিত হবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথ হামলা চালানোর পর কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই ইরানি ও লেবানিজ। জবাবে ইসরাইল ও মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর ওপর পাল্টা হামলা চালায় ইরান। সেই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়তে থাকে জ্বালানির দাম। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করে মার্কিন বাহিনী।
ট্রাম্প ও তার দল রিপাবলিকান শিবিরের জন্য ইরান যুদ্ধ এখন রাজনৈতিক বোঝা হয়ে উঠেছে। নভেম্বরেই মধ্যবর্তী নির্বাচন। জরিপে উঠে এসেছে, জ্বালানির চড়া দামে মার্কিনিরা ব্যাপক ক্ষুব্ধ। তবে ট্রাম্পের ওপর নিজের দলের ভেতর থেকেও চাপ রয়েছে। তাদের দাবি, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি কোম্পানিগুলো বিশ্বের চাহিদা মেটানোর মতো পর্যায়ে কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে কয়েক মাস সময় নিতে পারে। সরাসরি আলোচনা সম্পর্কে জানেন এমন একজন কূটনীতিক নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানিয়েছেন, চুক্তি স্বাক্ষরের আগে এই সপ্তাহে কাতারের দোহায় ইরান ও মার্কিন কর্মকর্তারা প্রস্তুতিমূলক বৈঠক করবেন।
লেবানন থেকে সরবে না ইসরাইল : এই চুক্তির সফলতা আংশিকভাবে নির্ভর করছে লেবাননে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে কী ঘটছে তার ওপর। রোববার বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরাইলি বোমা হামলা আলোচনা প্রায় ভেস্তে দিয়েছিল। এর আগের একটি হামলার জেরে ইরান ইসরাইলে এবং ইসরাইল পাল্টা ইরানে হামলা চালিয়েছিল।
এদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বলেছেন, লেবানন, সিরিয়া এবং গাজা উপত্যকায় দখল করা এলাকায় ইসরাইল ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ অবস্থানের পরিকল্পনা করছে।
কাটজ আরও হুমকি দিয়েছেন যে, লেবাননে ইসরাইলি হামলার কারণে ইরান যদি ইসরাইলে আক্রমণ করে, তবে ইসরাইল ‘বিশাল শক্তি’ নিয়ে ইরানে পাল্টা আঘাত করবে। গত আড়াই বছরে ইসরাইল গাজা, লেবানন এবং সিরিয়ার ১ হাজার বর্গকিলোমিটার (৩৮৬ বর্গমাইল) এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
চুক্তির বিষয়ে ইসরাইলের অবস্থান জানতে চাইলে নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের মুখপাত্র ডেভিড মেনসার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার বিষয়ে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি একমত। তবে তিনি যোগ করেন, হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের ভূখণ্ডে কোনো আক্রমণ ইসরাইল সহ্য করবে না। যারা ইসরাইলি নাগরিকদের ক্ষতি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযান চলবেই। তবে এই চুক্তি নিয়ে হিজবুল্লাহ এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।
জ্বালানি তেলের দাম কমল, বাড়ল স্বর্ণের : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তি ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। ইতিমধ্যে দাম ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে তেলের দাম। আর এটি তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। তবে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। প্রতি আউন্সে দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৫ শতাংশ।
সিএনএন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘোষণার পর প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড বিক্রি হচ্ছে ৮৩ দশমিক ৪০ ডলারে। জ্বালানি তেলের বাজার বিশ্লেষকদের অভিমত, গত ৪ মার্চের পর এই প্রথম আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের নিচে নেমে এলো।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, যেদিন যুদ্ধ শুরু হয়, সে সময় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ছিল ৭০ ডলারের আশপাশে। যুদ্ধের পর তা বাড়তে শুরু করে। একপর্যায়ে দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়।
জ্বালানি বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, তেলের এই দাম কমাটা বাজারের জন্য খুবই ইতিবাচক। তবে বাজার স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। কারণ, চুক্তির বাস্তবায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার ওপর ভবিষ্যৎ প্রবণতা নির্ভর করবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে প্রাথমিক সমঝোতার খবরে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ২ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৩২২ দশমিক ৮৭ ডলারে পৌঁছায়। এটি গত ৯ জুনের পর সর্বোচ্চ।
বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনের পাশাপাশি ডলারের দুর্বল অবস্থানও স্বর্ণের চাহিদা বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। ডলারের মান কমে যাওয়ায় অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের কাছে স্বর্ণ তুলনামূলক সস্তা হয়ে উঠেছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও বেড়েছে। রুপার দাম ৩ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৭০ দশমিক ৩৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দামও ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে।
আরবিএন