রাজধানীর পূর্ব জুরাইন এলাকায় টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে পূর্বশত্রুতার জেরে আব্দুল কুদ্দুস (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছোট ভাই আব্দুল হাশেম জানান, তাদের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে। বাবার নাম আব্দুল মালেক। বর্তমানে পূর্ব জুরাইনের দারোগাবাড়ী রোডে ভাড়া বাসায় থাকতেন কুদ্দুস। তিনি পেশায় বাসচালক ছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক পৌনে ১২টার দিকে জুরাইনের পপি স্কুলের সামনে একটি চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন কুদ্দুস। তখন এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। এ সময় ৮ থেকে ১০ জন দুর্বৃত্ত দোকানের ভেতরে ঢুকে প্রথমে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।
পরে খবর পেয়ে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আব্দুল হাশেম বলেন, কুদ্দুসের শরীরে ধারালো অস্ত্রের অন্তত ১২০টি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন।
এ বিষয়ে কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক মো. সোহেল রানা জানান, টাকা-পয়সার লেনদেনকে কেন্দ্র করে পূর্বশত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
সময়ের আলো/আরবিএন