দিল্লির বিমান বন্দরে হয়রানির শিকার হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। প্রায় ২ ঘণ্টা অপেক্ষার পর ঢুকতে অনুমতি দিলেও তিনি দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। ফিরে সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছেন, এটি তার ইন্সট্যান্ট প্রতিবাদ। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, দিল্লি বিমান বন্দরে তার সঙ্গে যথাযথ ব্যবহার করা হয়নি। তিনি ভারতের ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের একটি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিতে ভারত গিয়েছিলেন। ঘটনাটি ঘটল এমন একসময়ে যখন জাতিসংঘে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে অভিষিক্ত হয়েছেন এবং সেখানে ভারত বাংলদেশের পক্ষে ভোট দেয়নি।
উপদেষ্টার সঙ্গে এ ঘটনার অবতারণা হলো এমন সময় যখন ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশে ভারতীয় দূত হয়ে প্রবেশ করে বলেছিলেন, ‘আমাদের যা পপুলেশন আছে ১৪০ কোটি তার সঙ্গে ২০ কোটি (বাংলাদেশের) অ্যাড করতে চাই। আমি এখানে যা করতে চাই তা সব একসঙ্গে হবে।’ এ বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীর স্বপন। অন্য দিকে গত কিছু দিন থেকে ভারত অব্যাহতভাবে পুশইনের অপচেষ্টা করছে। এরও আগে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে এবং অব্যাহত রেখেছে।
আরও পড়ুন
ঘটনাগুলো ঘটছে এমন একসময়ে যখন জনগণের অন্দোলনে উৎখাত হওয়া আওয়ামীপ্রধান সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে নিরাপদে অবস্থান করছে। পলাতক আওয়ামী নেতারা টাকা খরচ করে বিলাসী জীবনযাপন করছেন। অন্যদিকে স্বাধীন বাংলাদেশে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের জনগণের ভোটে ক্ষমতায়িত হয়েছে বিএনপি এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, দায়িত্ব পালন করছেন তারেক রহমান।
বাংলাদেশ ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। শুধু প্রতিবেশী বললে কম বলা হবে বরং বৃহৎ প্রতিবেশী। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের স্থল সীমান্ত রয়েছে ৪,০৯৬.৭ কিলোমিটার। মিয়ানমার আর বঙ্গোপসাগর বাদ দিলে চারদিকে ভারত। নেপালকে বলা হয় ল্যান্ডলকড কান্ট্রি। আমাদের অবস্থানও তার কাছাকাছি। পৃথিবীর যত দেশে বড় সীমান্ত রয়েছে বাংলদেশ-ভারত তার মধ্যে অন্যতম।
দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে আমেরিকার সঙ্গে কানাডার, চীনের সঙ্গে মঙ্গোলিয়ার, রাশিয়ার সঙ্গে কাজাকিস্তানের। আরও উদাহরণ রয়েছে। প্রয়োজন নেই। ভারতের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে চীন, নেপাল ও পাকিস্তানের। এসব কথা এ জন্য বলা যে, ভারত বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিলেও অনুরূপ ঘটনা চীন বা নেপাল সীমান্তে ঘটেনি। সীমান্তে ভারতীয় মাটিতে ভারত কাঁটাতার বা সিসাঢালা প্রাচীর করুক- এটা তার নিজস্ব ব্যাপার। বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কূটনৈতিক নর্মের ব্যাপার রয়েছে। সীমান্ত ভৌগোলিক হলেও এরমধ্যে মানবিক বিষয় রয়েছে। যারা ভাগ করে দিয়ে গেছেন তারা মানবিক বিষয়গুলোর প্রতি নজর দেননি। দেননি বিধায় সীমান্তের এপার ওপারের সমস্যা রয়েছে। দিল্লি এসব সমস্যা হয়তো বুঝতে চায় না। চায়না বলেই একদিকে কাঁটাতার অন্যদিকে পুশইনে তারা উন্মাদ হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশ বারবার বলছে, ভারতে যদি অবৈধভাবে কোনো বাংলাদেশি থেকে থাকে তা হলে অবশ্যই বাংলাদেশ তাদের ফেরত নেবে। এত ধাক্কাধাক্কির কোনো দরকার নেই। এই সহজ কথার প্রতি ভারতের কোনো আগ্রহ নেই। উপরন্তু তারা দিন-রাত সীমান্তে এক অমানবিক পরিস্থিতির অবতারণা করছে। এর জবাবে বাংলাদেদশ অবশ্য বসে নেই।
জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সীমান্ত প্রহরীরা দিনরাত জেগে আছেন ভারতীয় হিপোক্রেসির জবাব দিতে। বাংলাদেশ বারবার বলছে, সীমান্তের কাছাকাছি নানা মাদকের কারখানা ভারতীয় অনুমোদনে রয়েছে যাদের একমাত্র কাজ হলো বাংলাদেশে নেশার পণ্য পাচার করা। বাংলাদেশ বারবার সীমান্তে নাগরিকদের হত্যার বিরোধিতা করছে। বলছে অপরাধের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে অবশ্যই তার সুনির্দিষ্ট বিচার আছে। বিনা বিচারে হত্যা আর হত্যার পর ফেলানীর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখার মতো অমানবিক ঘটনার অবসান চায় বাংলাদেশ। গত বৈঠকেও এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কার্যত কোনো লাভ হয়নি। যদি অবৈধ নাগরিকদের পুশইনই ভারতের একমাত্র লক্ষ্য হয়ে থাকে তা হলে সেখানে গণহত্যায় দণ্ডিত যেসব নাগরিক নিরাপদে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের প্রত্যার্পণ করা হোক
বাংলদেশ সরকার সরকারিভাবে তাদের প্রত্যর্পণের কথা বলছে। সে কথা তাদের কর্ণকুহরে পৌঁছায় না। ভারত বাংলাদেশের যাদের পালছে, পুষছে তারা শুধু নয়; সেখানে দালাইলামা এবং তাদের সহযোগীরাও রয়েছে। কই ভারত তো চীনের সঙ্গে পুশইনে যাচ্ছে না। সেখানে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়াও দিচ্ছে না। তা হলে বোঝা যায় কাঁটাতারের বেড়া এবং পুশইনের পেছনে অন্য কোনো চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্র রয়েছে। কথাগুলো নতুন নয়। অনেক দিনের পুরোনো। বাংলাদেশ- ভারত সম্পর্ক নিয়ে কথা বললেই কতগুলো অস্ব^স্তিকর বিষয় সামনে আসে। অনেকে একে ভারতবিদ্বেষ হিসেবে দেখতে চান। সেটি মূল কথা নয়, ধরুন গঙ্গার পানি বণ্টনের কথা। সে তো ৭৩-৭৪ সালের কথা। তখন তো ‘বন্ধুরা’ ক্ষমতায় ছিল। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে, কথা ছিল বাংলাদেশে অনুমতি না নিয়ে বাঁধ চালু করবে না। যা ঘটল তা হলো পরীক্ষার কথা বলে এক ধরনের শয়তানির আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশের পাপ্য ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করে ফারাক্কা বাঁধ চালু করা হলো। এরপর যতবার আলোচনা হয় পানির হিসাবে এক ধরনের গোঁজামিল দিয়ে বৈঠক শেষ হয়। বানরের পিঠা ভাগের গল্পের মতো। বাংলাদেশের কোনো কোনো মহলের নতজানু নীতির কারণে জনগণ যে তিমিরে সে তিমিরেই থেকে যায়। শেষ কথা এই বলে অনেকে সার সংক্ষেপ করতে চান ভারত একটি বড় দেশ তার সঙ্গে কি যুদ্ধ চলে। যুদ্ধ চলে কি চলে না সে আলোচনা আর পরে। সত্যি হচ্ছে, আমরা আমাদের টিকে থাকার লড়াই করছি। এ লড়াইয়ে কে পক্ষ কে প্রতিপক্ষ সেটি বিবেচনা অত্যন্ত জরুরি। সীমান্তে কাঁটাতার, তবু নেশার পণ্য ঢুকতে অবিরাম সহায়তা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সন্ত্রাস সৃষ্টির সব ধরনের উপাদার উপকরণ নির্বিঘ্নে প্রবেশ করছে ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে। বলার অপেক্ষা রাখে না বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর সীমান্ত দিয়েই নাকি ব্লাকক্যাট বেড়িয়ে গেছে। বলা হয়ে থাকে রৌমারী সীমান্তে জনগণের ব্যাপক সহায়তায় ভারতীয় বাহিনীর যে মারাত্মক বিপর্যয় হয়েছিল তার প্রতিশোধ ছিল এ ঘটনা। যাই হোক, কথা এটাই সংগত যে, সীমান্তের কাঁটাতার বাংলাদেশের জনগণের প্রতি এক ধরনের ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ। শুধু তাই নয়, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশের সংগ্রামী জনতাকে দমনে ভারতীয় প্রত্যক্ষ সমর্থন ছিল বলেও সুনির্দিষ্ট প্রমাণের কথা অনেকে বলছেন। বোধ করি এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভারত-বাংলাদেশের সঙ্গে কোন ধরনের সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় এবং কোন পর্যায়ে যেতে যায় তা নির্ণয় কঠিন নয়। সে বিবেচনা থেকেই যদি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে সংঘটিত গর্হিত অপরাধকে বিশ্লেষণ করা যায়, তা হলে সম্পর্কের একটি সুষ্ঠু সমীকরণে পৌঁছা সম্ভব।
উপদেষ্টার সফরে যারা দিল্লির দোষ দেখছেন না তারা একটি পুরোনো ভুল উদাহরণ সামনে আনছেন। তারা বলছেন, আওয়ামী লীগ আমলের সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন একবার সিঙ্গাপুর সফরে লাল পাসপোর্টের পরিবর্তে গ্রিন পাসপোর্ট ব্যবহার করেছিলেন। এ উদাহরণ টেনে তারা ক্ষান্ত দেননি। এ কাজের কারণে ওই মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে অপসারণ ঘটেছিল। তারা হয়তো ইঙ্গিতও দিতে চেয়েছেন। যারা এ উদাহরণ দিতে চান তারা মূল বিষয় গুলিয়ে ফেলেছেন। মরহুম আবুল হোসেনের যে সফরের কথা বলা হচ্ছে তার বিস্তারিত বিবরণে যাব না। এটুকু বলব, ওই সফর ছিল তার ব্যক্তিগত, অনেকটা ব্যবসায়িক। তিনি রাষ্ট্রীয় প্রটোকল এড়াতে চেয়েছিলেন।
কেন সে প্রশ্নে না-ই গেলাম। ডা. জাহেদ উর রহমান ব্যক্তিগত নয় বরং ভারতকে যথাযথ অবহিত করেই সেখানে গেছেন। সে পাসপোর্ট লাল না নীল সে প্রশ্ন যদি থাকত তা হলে যখন ভারতকে জানানো হয়েছে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে তখনই ভারত তার আপত্তির কথা জানাতে পারত। সে কথা না জানিয়ে ভারতের মাটিতে নিয়ে তাকে পরিকল্পিতভাবে অপদস্ত করার নজিরবহীন ঘটনা মূলত ঔদ্ধত্য দেখানোর নতিজা মাত্র। কাজটি ভারত তার বাহাদুরি এবং দেখ শালা কত বড় ক দেখানোর মতোই।
রাষ্ট্রপতি জিয়া যখন রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়ে ভারতের সরকারপ্রধান ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে একান্ত আলোচনায় ছিলেন তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তার কাছে বাংলাদেশের অবস্থা জানতে চাইলে বুদ্ধিমান ও কৌশলী জিয়া বলেছিলেন আপনার পাশে বসা তিনিই ভালো জানেন। মূলত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে জানান দিলেন দুদেশের সরকারপ্রধানের আলোচনায় বিদেশ সংক্রান্ত গোয়েন্দা প্রধানের থাকা শিষ্টাচারবিরোধী। যারা ভারতের আচরণের পক্ষাবলম্বন করছেন তারা পৃথিবীর কোনো প্রতিবেশী বা সম্পর্কের বেলায় এ ধরনের অন্য কোনো উদাহরণ হাজির করতে পারবেন। কূটনৈতিক সম্পর্কে কভার পোস্টিংয়ের ব্যাপার রয়েছে বিধায় এ ধরনের প্রথা রয়েছে। তবে সেটিও ঘটে যাওয়ার আগে। বিষয়টি ভারতের অজানা নয়। তা সত্ত্বেও এ কাজটি তারা কেন করেছে বোধকরি তার একটা ব্যাখ্যা থাকলে ভালো হতো। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ভারতের পক্ষ কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি, এমনকি দুঃখ প্রকাশের কোনো ঘটনাও ঘটেনি। তা হলে কথা কী দাঁড়াল? বলা হচ্ছে আলোচ্য উপদেষ্টা নাকি কোনো তালিকায় ছিলেন। যদি সে কথা ঠিক হয় তা হলেও সে কথা তারা সফরের আগে বলতে পারত। কাজটি তারা করেনি।
পুরোনো তালিকা হয়তো সরকারের কাছে থাকতে পারে, যেখানে বাংলদেশের সেনাক্যাম্প ক্যান্টনমেন্টকেও তারা সন্ত্র্রাসীদের আখড়া বলে রিপোর্ট করেছিল। মৌলবাদীদের আস্তানা বলে লিখিতভাবে দিয়েছিল। এসব বিষয়ও পুরোনো। কথা হচ্ছে সীমান্ত সমস্যাসহ বিবদমান সমস্যা সমাধানে বাংলদেশ যখন আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে চাচ্ছে তখন ভারতীয় কর্তৃপক্ষ একটি সুনির্দিষ্ট বার্তা দিয়েছে। ফ্যাসিস্টকে আশ্রয় দেওয়ার পর থেকেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে।
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ভারতের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে বলেছিলেন। এ নিয়ে ইতিমধ্যে অনেক আলোাচনা হয়েছে। এ সময়ে আরও একটি বিষয় নিয়ে কথা হয়েছিল। শুনতে বেশ ভালো লেগেছিল। বলত আমরা বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কথা বলব। মনে হয়েছিল গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের ভালোবাসা শ্রদ্ধা কল্পনাতীত। ভারত একটি জনসংখ্যাধিক্যের দেশ। সেখানে এখন যা ঘটছে তা সুনির্দিষ্টভাবে মানাধিকার ও গণতন্ত্রের লঙ্ঘন। গুজরাটের হত্যাযজ্ঞের কারণে খোদ প্রধানমন্ত্রী আমেরিকায় কালো তালিকাভুক্ত ছিলেন। কাশ্মির থেকে শুরু করে সারা ভারতে এখন যা চলছে তা কোনো সভ্য দেশে ঘটতে পারে, এটা ধারণাও করা যায় না। ভারতের প্রতিবেশী প্রতিটি দেশের সঙ্গেই সম্প্রতি সম্পর্কেও অবনতি হয়েছে। নেপাল, শ্রীলঙ্কা, চীন ও পাকিস্তান সবার সঙ্গে কার্যত যুদ্ধংদেহী বাস্তবতা বিরাজ করছে। বিদ্যমান এই আচরণকে আর যাই হোক সুপ্রতিবেশীসুলভ বলা যাবে না। জনগণের দুই-তৃতীয়াংশের অধিক ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের নজিরবিহীন অকূটনৈতিক আচরণকে মূল্যায়ন করতে হবে পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে। মনে রাখা দরকার ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন একই সঙ্গে ভারতবিরোধীও ছিল। প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্কই কাম্য যদি সে চায়Ñ না চাইলে যেমনটা চায় তেমনটাই বিধেয়।
সিনিয়র সাংবাদিক, মতামত লেখকের নিজস্ব
সময়ের আলো/প্রিন্ট/এএডি/