এবার সুরক্ষা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ওপার বাংলার অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। বিজেপি নেতা তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন তিনি। আজ বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে এই ঘটনাটি কতদূর গড়ায় সেটাই এখন দেখার বিষয়।
চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি বনগাঁয় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের অনেকটা পরে গিয়ে পৌঁছান তিনি। যেহেতু অনুষ্ঠানটির জন্য রাত ১২টা পর্যন্ত পুলিশ পারমিশন ছিল তাই ১২টা বাজতেই মিমিকে মঞ্চ ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তনয়।
কিন্তু মাঝপথে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ায় অপমানিত হন মিমি, যার ফলে তিনি বনগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপরই বাড়ি থেকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় তনয় শাস্ত্রীকে। আদালতে তোলা হলে বিচারক তনয়কে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
এর কিছু দিন পর জামিনে ছাড়া পান তনয়। যদিও পুলিশের দায়ের করা মামলায় তনয়কে জামিন দেওয়া হয় আরও কিছু পরে। এরপর মিমির বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকার মানহানির মামলা করেন তনয় শাস্ত্রী। তনয়ের আইনজীবী তথা বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি নায়িকার বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠনের আবেদন জানান। যদিও এই খবরটি একেবারে ভুল বলে জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী।
তনয় শাস্ত্রীর করা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন মিমি। অভিনেত্রীর বক্তব্য, এমন ঘটনা ঘটেনি। বনগাঁকাণ্ড ঘিরে তাকে নিয়ে যে তথ্য উঠে এসেছে সেটা সম্পূর্ণ ভুল। এতে তার সম্মানহানি হচ্ছে।
ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থাও নিতে পারেন বলে জানিয়েছেন মিমি চক্রবর্তী। এসবের মধ্যেই এবার নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি।
সময়ের আলো/জেডি