
ক্রিকেটের উন্মাদনাকে ‘চার ছক্কা হইহই’ গানে রূপ দিয়ে একসময় শ্রোতাদের হৃদয় জয় করেছিলেন দেশের জনপ্রিয় সংগীত প্রযোজক ও সুরকার ফুয়াদ আল মুক্তাদির। এবার ফুটবল বিশ্বকাপের আবেগ, উত্তেজনা ও উৎসবকে সুরের বাঁধনে বেঁধে নিয়ে এলেন নতুন গান ‘কান্ডারি চল’।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় চলমান ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বকে ঘিরে প্রকাশিত হয়েছে গানটি। বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর মুহূর্তগুলোকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতেই তৈরি করা হয়েছে এই আয়োজন, যেখানে এক মঞ্চে মিলিত হয়েছেন দেশের জনপ্রিয় কয়েকজন শিল্পী ও আন্তর্জাতিক এক কণ্ঠ।
গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন পান্থ কানাই, মিলা, বাম্মি সানজানা এবং র্যাপার ব্ল্যাক জ্যাং। বিশেষ অতিথি শিল্পী হিসেবে যুক্ত হয়েছেন নাইজেরিয়ার গায়ক ওলি বয়। তাঁর অংশগ্রহণ গানটিতে এনে দিয়েছে বৈশ্বিক আবহ ও ভিন্ন এক মাত্রা।
‘কান্ডারি চল’-এর কথা লিখেছেন টাইগার চৌধুরী, মাহবুব মারশেদ (শিহাব), ওলি বয় এবং ব্ল্যাক জ্যাং। সংগীতায়োজনের পাশাপাশি পুরো প্রকল্পের নেতৃত্বে রয়েছেন ফুয়াদ আল মুক্তাদির। গানটির মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছেন মিরাজ হাসেন। প্রযোজনায় রয়েছে রানআউট ফিল্মস।
দেশের শীর্ষ ব্র্যান্ড বে (Bay) তাদের অ্যাথলেটিক ব্র্যান্ড ‘স্ট্রাইকার’-কে কেন্দ্র করে গানটি প্রকাশ করেছে। এ আয়োজনে সহযোগী হিসেবে রয়েছে লাল তীর, জিপ বাংলাদেশ এবং ভল্ট স্টুডিওস।
গানটি প্রসঙ্গে পান্থ কানাই বলেন, ‘ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, এটি কোটি মানুষের আবেগের জায়গা। বিশ্বকাপ এলে শহর থেকে গ্রাম—সর্বত্রই উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। সেই উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসাকেই গানের মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি আমরা।’
মিলা বলেন, ‘বিশ্বকাপ উপলক্ষে এমন প্রাণবন্ত একটি গানের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। ফুয়াদের সংগীতায়োজন সবসময়ই নতুনত্ব নিয়ে আসে। বিভিন্ন ঘরানার শিল্পীদের অংশগ্রহণ গানটিকে আরও বৈচিত্র্যময় করেছে। আমার বিশ্বাস, খেলা দেখা কিংবা বন্ধুদের আড্ডায় গানটি শ্রোতাদের বাড়তি উন্মাদনা যোগ করবে।’
বিশ্বকাপ এলেই যেন বদলে যায় বাংলাদেশের চেনা দৃশ্যপট। পাড়ার মাঠে ফুটবল, ছাদের আড্ডা, চায়ের দোকানের তর্ক-বিতর্ক, প্রিয় দলের পতাকায় রঙিন অলিগলি আর বন্ধুদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। বাঙালির সেই চিরচেনা ফুটবল-প্রেম, আবেগ ও উৎসবমুখরতার প্রতিচ্ছবিই ফুটে উঠেছে ‘ফুয়াদ অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’-এর নতুন গান ‘কান্ডারি চল’-এ। বিশ্বকাপের এই সময়ে গানটি ফুটবলপ্রেমীদের আবেগের সঙ্গে নতুন করে সুর মেলাবে বলেই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।