প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে গাছের চারা ও সার বিতরণে জৈব সারের পরিবর্তে ময়লা-আবর্জনা মিশ্রিত মাটির বর্জ্য বিতরণের অভিযোগের পর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মনকে খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষীছড়ি উপজেলায় বদলি করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ বদলির আওতায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে আগামী ১ জুলাইয়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবেন। অন্যথায় ২ জুলাই থেকে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জুন কামারখন্দ উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষকদের মধ্যে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণের পাশাপাশি প্রতিটি চারার সঙ্গে ৩০ কেজি করে জৈব (গোবর) সার দেওয়ার কথা ছিল। তবে কৃষকদের অভিযোগ, সারের বস্তা খুলে তারা গোবরের পরিবর্তে ময়লা-আবর্জনা ও বর্জ্য মিশ্রিত মাটি দেখতে পান। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে অনেক কৃষক সার না নিয়ে শুধু গাছের চারা নিয়ে ফিরে যান। পরে বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
পরে ২৫ জুন জেলা প্রশাসন থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সময়ের আলো/জোই