যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ বা জরুরি তেল মজুত এক সপ্তাহে আরও ৫৫ লাখ ব্যারেল হ্রাস পেয়ে ৩২ কোটি ৫৭ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে. দেশটির জ্বালানি বিভাগের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এটি ১৯৮৩ সালের মে মাসের পর থেকে মার্কিন জরুরি তেল মজুতের সর্বনিম্ন স্তর।
মূলত ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের ঘাটতি মেটাতে এবং জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে অভ্যন্তরীণ রিজার্ভ থেকে মোট ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার একটি চুক্তি বাস্তবায়ন করছে যুক্তরাষ্ট্র. চলমান এই ধারাবাহিক উত্তোলন বা ‘ড্রডাউন’-এর অংশ হিসেবেই মজুত এতখানি হ্রাস পেয়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আন্তর্জাতিক বাজারে আমেরিকান অপরিশোধিত তেলের ব্যাপক চাহিদা, রেকর্ড রপ্তানি এবং অভ্যন্তরীণ শোধনাগারগুলোর বিপুল চাহিদার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত দ্রুত কমছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারির শেষভাগে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বাণিজ্যিক এবং কৌশলগত মজুত মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক তেলের স্টক প্রায় ১১ কোটি ১৪ লাখ ব্যারেল হ্রাস পেয়েছে. গত ১৯ জুনের হিসাব অনুযায়ী এই সামগ্রিক মজুত দাঁড়িয়েছে ৭৪ কোটি ৩৩ লাখ ব্যারেলে, যা ১৯৮৪ সালের পর সর্বনিম্ন।
সূত্র/রয়টার্স
সময়ের আলো/কহু