মহাকাশেও যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে যাচ্ছে চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

মহাকাশ প্রযুক্তির কয়েকটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে গেছে চীন। এর মধ্যে রয়েছে জিপিএস ধাঁচের দিকনির্ণয় ব্যবস্থা, আকাশ থেকে নজরদারি

2026-07-01T02:27:14+00:00
2026-07-01T02:27:14+00:00
 
  বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬,
১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
মহাকাশেও যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে যাচ্ছে চীন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ২:২৭ এএম 
ছবি : সংগৃহীত
মহাকাশ প্রযুক্তির কয়েকটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে গেছে চীন। এর মধ্যে রয়েছে জিপিএস ধাঁচের দিকনির্ণয় ব্যবস্থা, আকাশ থেকে নজরদারি (রিকনেসান্স) এবং কক্ষপথ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট ধ্বংস করার সক্ষমতা। যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বা থিঙ্কট্যাঙ্কের প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে। 

ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন ফাউন্ডেশনের (আইটিআইএফ) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শক্তিশালী সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় চীন অতি দ্রুত একটি দৃঢ় বাণিজ্যিক মহাকাশ খাত গড়ে তুলেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের উদ্ভাবনী ব্যবধান দ্রুত কমিয়ে আনছে। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের।

গত ৮ জুন প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি শিগগিরই কোনো নিষ্পত্তিমূলক বা জোরালো পদক্ষেপ না নেয়, তবে বৈশ্বিক মহাকাশ অর্থনীতিতে শীর্ষস্থানটি চীনের দখলে চলে যাবে। বিশ্লেষকদের আভাস অনুযায়ী, আগামী এক দশকের মধ্যে বৈশ্বিক মহাকাশ অর্থনীতির আকার ১ লাখ কোটি (১ ট্রিলিয়ন) মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এমন সময়ে এই সতর্কবার্তা এলো। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মহাকাশে আমেরিকার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ইতিমধ্যেই রাশিয়াকে ছাড়িয়ে গেছে চীন।


আইটিআইএফের মহাকাশ নীতি বিশ্লেষক এবং প্রতিবেদনের লেখক এলিস শেরার বলেন, চীনের মহাকাশ খাত একসময় মূলত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নির্ভরশীল একটি ধীরগতির শিল্প ছিল। কিন্তু সেখান থেকে এটি এখন একটি শক্তিশালী ও উদ্ভাবনী বাণিজ্যিক খাতে রূপান্তরিত হয়েছে, যা বৈশ্বিক বাজারে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের পেছনে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বেশিরভাগ বাণিজ্যিক মহাকাশ সক্ষমতাই দ্বিমুখী (সামরিক ও বেসামরিক) ব্যবহারের উপযোগী। এর মধ্যে সামরিক বাহিনীগুলো মূলত পজিশনিং, নেভিগেশন ও টাইমিং (পিএনটি), রিমোট সেন্সিং (দূর অনুধাবন), পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথের (এলইও) ব্রডব্যান্ড এবং স্যাটেলাইট বিধ্বংসী অস্ত্রের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভর করে।

শেরারের মতে, এই সক্ষমতাগুলো যুদ্ধক্ষেত্র বা সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের ওপর নজরদারি রাখতে, দুর্গম এলাকায় নিয়োজিত সামরিক সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করতে এবং সামরিক সরঞ্জাম ও সম্পদের অবস্থান ট্র্যাক করতে ব্যবহৃত হয়।

কোন খাতে কে এগিয়ে : প্রতিবেদনে মূল্যায়ন করা মহাকাশের প্রধান ছয়টি খাতের মধ্যে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথের (এলইও) ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র তার স্পষ্ট আধিপত্য বজায় রেখেছে। ইলন মাস্কের স্পেসএক্সের ‘স্টারলিংক’ এবং অ্যামাজনের ‘প্রজেক্ট কুইপার’ চীনের ‘কিয়ানফান’ ও ‘গুওওয়াং’ নেটওয়ার্কের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ের উচ্চাকাক্সক্ষা অনেক বড় হলেও রকেট উৎক্ষেপণের সীমাবদ্ধতা এবং বাস্তবে প্রমাণিত পুনর্ব্যবহারযোগ্য (রিইউজেবল) রকেটের অভাব তাদের এই নেটওয়ার্ক বিস্তারের গতিকে সীমিত করে রেখেছে।

তবে নিজেদের ‘বেইদু’ নেভিগেশন সিস্টেমের বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণের মাধ্যমে পজিশনিং, নেভিগেশন ও টাইমিং সেবায় চীন বেশ এগিয়ে রয়েছে। স্যাটেলাইটের বিশাল বহর, আন্তর্জাতিক সেবা পরিধি এবং বিশ্বজুড়ে এর ক্রমবর্ধমান ব্যবহার প্রমাণ করে, যে বেইজিং এই ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনকে ছাড়িয়ে গেছে।

রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন এবং স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ছবি তোলার ক্ষেত্রেও প্রতিবেদনে চীনকে এগিয়ে রাখা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে পরিচালিত ‘গাওফেন’ পৃথিবী পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট এবং বাণিজ্যিক খাতের ‘জিলিন-১’-এর মতো স্যাটেলাইট বহরের যৌথ সমন্বয়ে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম স্যাটেলাইট ইমেজিং ইকোসিস্টেম বা পরিমণ্ডল গড়ে উঠেছে। আর এর পেছনে রয়েছে দিন দিন আরও সুসংহত হতে থাকা একটি দেশীয় উৎপাদন শৃঙ্খল (ইন্ডাস্ট্রিয়াল চেইন)।

স্পেস স্টেশন বা মহাকাশ স্টেশনের ক্ষেত্রে দুই দেশের প্রতিযোগিতা বেশ তীব্র। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) পরিচালনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক দশকের অভিজ্ঞতা থাকলেও চীন অত্যন্ত দ্রুতগতিতে তাদের নিজস্ব ‘তিয়ানগং’ মহাকাশ স্টেশন তৈরি ও সম্প্রসারণ করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন উন্নয়ন পথ অনুসরণ করা সত্ত্বেও এই খাতে বর্তমানে দুই দেশের সক্ষমতা প্রায় কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছে।

কৃত্রিম উপগ্রহ ধ্বংস করার প্রযুক্তিসহ কাউন্টারস্পেস বা মহাকাশ প্রতিরোধ সক্ষমতায়ও চীন নেতৃত্ব দিচ্ছে। অন্যান্য দেশের স্যাটেলাইটগুলোকে বিকল বা ব্যাহত করার জন্য তৈরি কাইনেটিক ইন্টারসেপ্টর, ইলেকট্রনিক যুদ্ধকালীন ব্যবস্থা এবং ডাইরেক্টেড এনার্জি প্রযুক্তিতে চীনের ধারাবাহিক বিনিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে, যা মহাকাশের ক্রমবর্ধমান সামরিক গুরুত্বকেই প্রকাশ করে।

এলিস শেরার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রকাশ্যে আসা তথ্যও ইঙ্গিত করে যে চীন কক্ষপথে ডগফাইটিং (আকাশে যুদ্ধবিমানের মুখোমুখি লড়াই) কায়দায় চালচলন করতে সক্ষম এমন স্যাটেলাইট তৈরির কাজ অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে, যা অন্য দেশের স্যাটেলাইটে আক্রমণ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

অবশ্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য উৎক্ষেপণ যান বা রকেটের ক্ষেত্রটি এখনও এমন একটি সীমিত জায়গা, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তির দিক থেকে চূড়ান্ত আধিপত্য ধরে রেখেছে। স্পেসএক্সের ‘ফ্যালকন ৯’ রকেটের বুস্টার নিয়মিত উদ্ধার এবং তা পুনরায় ব্যবহার করার ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের রকেট উৎক্ষেপণের খরচ এক ধাক্কায় অনেক কমিয়ে এনেছে। চীনের ল্যান্ডস্পেস, সিএএস স্পেস এবং স্পেস অ্যাপোকের মতো কোম্পানিগুলো একই ধরনের প্রযুক্তি অর্জনের চেষ্টা করলেও আইটিআইএফ জানিয়েছে যে পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেটের অভাবই বর্তমানে চীনের বাণিজ্যিক মহাকাশ খাতের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা।

দুই দেশের ভিন্ন মডেল : প্রতিবেদনে শেরার বলেন, মহাকাশে নিজেদের নেতৃত্ব বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত তাদের অভ্যন্তরীণ রকেট উৎক্ষেপণ সক্ষমতা আরও বাড়ানো, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের বিকল্প তৈরি করা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকার এই ধারাবাহিক শক্তির মূল কারণ হলো সরকারি সংস্থা এবং বেসরকারি শিল্পের মধ্যকার নিবিড় সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি অনন্য উন্নয়ন মডেল। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা দীর্ঘমেয়াদি চাহিদা ও অর্থায়নের সুবিধা দেয়; আর স্পেসএক্সের মতো বেসরকারি কোম্পানিগুলো সেই প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে বাণিজ্যিকভাবে টেকসই সেবায় রূপান্তর করে। এর ফলে সরকারি চুক্তি থেকে শুরু করে স্টারলিংকের বৈশ্বিক ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক পর্যন্ত একটি সুশৃঙ্খল ইকোসিস্টেম তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে চীন ঠিক এর বিপরীত পথ অনুসরণ করছে, যাকে প্রতিবেদনে ‘হোল-অব-সোসাইটি অ্যাপ্রোচ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এর আওতায় জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনা নির্দেশিকা তৈরি করা হয়, যেখানে রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি কোম্পানিগুলো পাশাপাশি কাজ করে এবং তাদের ‘সামরিক-বেসামরিক ফিউশন’ বা একীভূতকরণ নীতি প্রযুক্তির দ্রুত রূপান্তর ঘটাতে সাহায্য করে। এই বিশেষ মডেলটি বেইজিংকে এমন এক বিশাল স্কেলে বা পরিমাণে সম্পদ ও জনবল একত্রিত করার সুযোগ করে দেয়, যা কেবল মুক্তবাজারচালিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় অনুকরণ করা প্রায় অসম্ভব।

শেরার আরও যোগ করেন, মহাকাশ বিষয়ক কোম্পানির সংখ্যা বৃদ্ধি, সরকারি-বেসরকারি যৌথ বিনিয়োগ এবং উৎপাদন সক্ষমতা- এই সবকিছুই চীনের মহাকাশ শিল্পের দ্রুত বিকাশে অবদান রেখেছে।

বেসরকারি খাতের উত্থান : চীনের জন্য এই খাতের সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট বা মোড় পরিবর্তনের সময়টি ছিল ২০১৪ সাল, যখন দেশটি তাদের মহাকাশ খাতের কিছু অংশ বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়। এই নীতিগত পরিবর্তন দেশটিতে পুঁজি বা মূলধনের প্রবাহ নতুন উদ্যোক্তা তৈরির একটি জোয়ার এনে দেয়। এর ফলে একটি বাণিজ্যিক মহাকাশ শিল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়, যেখানে বর্তমানে রকেট উৎক্ষেপণ সেবা, স্যাটেলাইট উৎপাদন এবং এর বিভিন্ন ব্যবহারিক অ্যাপ্লিকেশনের সঙ্গে ৫০০টিরও বেশি কোম্পানি যুক্ত রয়েছে।

বেশ কয়েকটি বেসরকারি রকেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে এই খাতের অন্যতম শীর্ষ চালিকাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ল্যান্ডস্পেস, গ্যালাকটিক এনার্জি, আইস্পেস, সিএএস স্পেস এবং স্পেস অ্যাপোকের মতো কোম্পানিগুলো দিন দিন আরও উন্নত উৎক্ষেপণ যান তৈরি করছে এবং স্পেসএক্সের দেখানো পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেটের মডেলটি অনুসরণের চেষ্টা করছে। 


একই চিত্র দেখা যাচ্ছে চীনের স্যাটেলাইট শিল্পেও। ‘কিয়ানফান’ এবং ‘গুওওয়াং’-এর মতো মেগা স্যাটেলাইট প্রকল্পগুলোর লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাপী ব্রডব্যান্ড কভারেজ বা ইন্টারনেট সেবা দেওয়া। পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক দূর অনুধাবন এবং স্যাটেলাইট নির্মাতারা ছবি, যোগাযোগ সেবা এবং মহাকাশযানের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সরবরাহ করে একটি দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প ইকোসিস্টেম তৈরি করছে।

শেরার বলেন, স্পেসসেইল এবং ল্যান্ডস্পেসের মতো শীর্ষস্থানীয় চীনা কোম্পানিগুলো এই প্রযুক্তিগুলো নিয়ে কাজ করলেও তারা পুরোপুরি সফল না হওয়া পর্যন্ত মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণভাবে ছাড়িয়ে যেতে পারবে না চীন। আইটিআইএফের মতে, চীনের অন্যতম বড় শক্তি হলো তাদের উৎপাদন সক্ষমতা। দেশটি রকেট, স্যাটেলাইট, গ্রাউন্ড ইকুইপমেন্ট (স্থল সরঞ্জাম) এবং উৎক্ষেপণ অবকাঠামোসহ একটি উচ্চ-সংহত মহাকাশ উৎপাদন ব্যবস্থা তৈরি করেছে, যা বৈশ্বিক চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়িয়ে নিতে সাহায্য করে।

প্রতিবেদনের শেষ অংশে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে বলা হয়েছে, চীন যদি মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যায়, তবে আমেরিকার অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা করার ক্ষমতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সময়ের আলো/এসএকে


  বিষয়:   মহাকাশ  যুক্তরাষ্ট্র  চীন 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: