মনে হচ্ছিল সুইডেনের বিপক্ষে প্রথমার্ধে আর গোলের দেখা পাবে না ফ্রান্স। অফসাইডের কারণে কিলিয়ান এমবাপের একটি গোল বাতিল হয়। এরপর দুইবার বল আঘাত হানে গোলপোস্টে, আরও কয়েকটি শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে শেষ পর্যন্ত সব হতাশা কাটিয়ে বিরতির ঠিক আগে দলকে এগিয়ে দেন ফরাসি অধিনায়ক।
একের পর এক সুযোগ নষ্ট করার পর ৪৫তম মিনিটে গোলমুখ খোলেন এমবাপে। বক্সের বাঁ প্রান্তে বল পেয়ে দুর্দান্ত পায়ের কারিকুরিতে নিজের মার্কারকে কাটিয়ে কাছ থেকে নেওয়া নিখুঁত শটে দূরের পোস্ট ঘেঁষে বল জড়িয়ে দেন জালে। গোল করার পর সম্প্রতি মাকে হারিয়ে কঠিন সময় পার করা কোচ দিদিয়ের দেশমের কাছে ছুটে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরেন তিনি। প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে ফ্রান্স।
অন্যদিকে, সুইডেন কয়েকটি আক্রমণ গড়লেও ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইগনানকে তেমন কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি।
ম্যাচের ১৭তম মিনিটে এমবাপে প্রথম উল্লেখযোগ্য আক্রমণে যান। তবে তার দুর্বল শট সহজেই ধরে ফেলেন সুইডেনের গোলরক্ষক ভিক্টর জেটারস্ট্রম। তিন মিনিট পর ব্র্যাডলি বারকোলার শক্তিশালী শট উড়ে যায় গোলবারের ওপর দিয়ে।
২১তম মিনিটে মাইকেল অলিসের বাড়ানো বলে মাঝমাঠ থেকে দৌড়ে এসে বল জালে পাঠান এমবাপে। কিন্তু সহকারী রেফারির পতাকা ওঠায় অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
হাইড্রেশন ব্রেকের পর ম্যাচে ফিরেই আদ্রিয়েন রাবিওর একটি ভালো প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন জেটারস্ট্রম। ৩৩তম মিনিটে অলিসের পাস থেকে দূরের পোস্টে দাঁড়িয়ে এমবাপের দারুণ এক শট সোজা গিয়ে লাগে গোলপোস্টে। পরের মিনিটে রাবিওর শটও উড়ে যায় গোলবারের ওপর দিয়ে।
৩৭তম মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে চোখধাঁধানো এক ওভারহেড কিকে গোলের খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন এমবাপে। কিন্তু এবারও বাধা হয়ে দাঁড়ায় গোলপোস্ট। ফিরতি বলে শট নেওয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি উসমান দেম্বেলে। বিরতির দুই মিনিট আগে অলিসের আরেকটি প্রচেষ্টা অল্পের জন্য পোস্টের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়।
তবে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে আর ভুল করেননি এমবাপে। দুর্দান্ত ফিনিশে জালের দেখা পেয়ে ফ্রান্সকে কাঙ্ক্ষিত লিড এনে দেন তিনি।