ইসলামের মৌলিক ৫ স্তম্ভ। এরমধ্যে নামাজ অন্যতম ও গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। নামাজ শুধু কিছু নির্দিষ্ট কাজের সমষ্টি নয়, বরং আল্লাহর সামনে বিনয়, একাগ্রতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দাঁড়ানোর এক অনন্য মাধ্যম। তাই নামাজ আদায়ের সময় শান্ত, ধীর-স্থির ও গাম্ভীর্যপূর্ণ থাকা অত্যন্ত জরুরি।
অনেক সময় দেখা যায়, ইমাম রুকুতে চলে গেলে রাকাত পাওয়ার আশায় কেউ কেউ দৌড়ে মসজিদে প্রবেশ করেন। কিন্তু ইসলাম নামাজের ক্ষেত্রে এমন তাড়াহুড়োকে উৎসাহিত করে না। আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হওয়ার সময় একজন মুমিনের মনে থাকা উচিত প্রশান্তি, বিনয় ও শিষ্টাচারের কথা।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যখন নামাজের জন্য ইকামত দেওয়া হয়, তখন তোমরা দৌড়ে আসবে না। বরং গাম্ভীর্য ও শান্তভাবে হেঁটে আসবে। এরপর ইমামের সঙ্গে যতটুকু নামাজ পাবে, তা আদায় করবে। আর যতটুকু ছুটে যাবে, ইমাম সালাম ফেরানোর পর তা শেষ করে নেবে।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৩৬। মুসলিম, হাদিস : ৬০২)
এই হাদিস থেকে আমরা বুঝতে পারি, নামাজে একটি রাকাত পাওয়ার চেয়ে আল্লাহর সামনে বিনয় ও আদব বজায় রেখে দাঁড়ানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই সময়মতো মসজিদে পৌঁছানোর চেষ্টা করা, তাড়াহুড়ো না করা এবং ধীর-স্থিরভাবে জামাতে অংশ নেওয়াই একজন মুমিনের উত্তম আমল।
সময়ের আলো/এসএকে