তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে জনসমুদ্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় মানুষের ঢল নেমেছে। শনিবার (৪ জুলাই) ভোর

2026-07-04T11:01:48+00:00
2026-07-04T11:02:53+00:00
 
  বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬,
৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
আন্তর্জাতিক
তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে জনসমুদ্র
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ১১:০১ এএম  আপডেট: ০৪.০৭.২০২৬ ১১:০২ এএম
ছবি : সংগৃহীত
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় মানুষের ঢল নেমেছে। শনিবার (৪ জুলাই) ভোর থেকে শুরু হওয়া এই শোকযাত্রা চলবে আগামী ৯ জুলাই পর্যন্ত। ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন পবিত্র শহরে ঘুরে খামেনির মরদেহ শেষ পর্যন্ত মাশহাদের ইমাম রেজার মাজারে সমাহিত করা হবে।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় হাজার হাজার মানুষ ভিড় করতে শুরু করেন। শনিবার ভোর ৬টায় দরজা খোলার পর থেকেই শোকাতুর সমর্থকরা সেখানে প্রবেশ করতে শুরু করেন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত আর শোকগাথার সুরে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে উঠেছে। খামেনির কফিনের ওপর রাখা হয়েছে কালো পাগড়ি এবং ঐতিহ্যবাহী চেক স্কার্ফ, যা বিপ্লবী আদর্শ ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত। বৃহস্পতিবার রাতে প্রথমবার কফিনটি উন্মোচন করা হলে হাজারো সমর্থক কান্নায় ভেঙে পড়েন। একই হামলায় নিহত তার পরিবারের সদস্যদের কফিনও পাশাপাশি রাখা হয়েছে।

ইরানের জন্য এই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া এক সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দীর্ঘদিনের বৈরী শক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এক অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধে টিকে থাকার পর এই আয়োজনকে ইরানের শাসকগোষ্ঠী নিজেদের শক্তির প্রদর্শনী হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, দেশটির বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি সাধারণ মানুষের সমর্থনের ভিত্তি বেশ নড়বড়ে। বিশেষ করে নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিই হামলার পর থেকে জনসমক্ষে আসেননি, যা তার শারীরিক অবস্থা ও ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

শোকযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে তেহরানের রাস্তাঘাটে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় পুলিশ এবং স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী টহল দিচ্ছে। ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, এই শোকানুষ্ঠান চলাকালে কোনো ধরনের আক্রমণ চালানো হলে তারা তার কঠোর জবাব দেবে।

শোক প্রকাশ করতে আসা ১৮ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী মবিনা রাজাগি বলেন, এই শোক থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো তার রক্তের বিচার করা এবং খুনিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা।

শোকযাত্রাটি এখন তেহরান থেকে কোম, নাজাফ ও কারবালা হয়ে মাশহাদের দিকে অগ্রসর হবে। 


সময়ের আলো/কহু


  বিষয়:   সময়ের আলো  ইরান  আলি খামেনি 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: