মানুষের কাছে আপন হয়ে উঠবেন যেভাবে

সময়ের আলো ডেস্ক

ফিচার

জীবনের প্রতিটি দিন সমান যায় না। মাঝেমধ্যে এমন কিছু দিন আসে, যখন চারপাশটা বড্ড বেশি ভারী মনে হয়। কখনো কোনো

2026-07-06T15:20:15+00:00
2026-07-06T15:23:35+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬,
৪ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
ফিচার
মানুষের কাছে আপন হয়ে উঠবেন যেভাবে
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:২০ পিএম  আপডেট: ০৬.০৭.২০২৬ ৩:২৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
জীবনের প্রতিটি দিন সমান যায় না। মাঝেমধ্যে এমন কিছু দিন আসে, যখন চারপাশটা বড্ড বেশি ভারী মনে হয়। কখনো কোনো বাধা, কখনো তিক্ত কোনো আলোচনা, আবার কখনো প্রিয়জনের শূন্যতা— এসব মিলে মনের ওপর যে পাহাড়সম চাপ তৈরি করে, তাতে মনে হতে পারে অলৌকিক কিছু ছাড়া এই ঘোর কাটবে না।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, জীবনকে নতুন করে দেখার জন্য সব সময় বড় কোনো চমকের প্রয়োজন পড়ে না। বরং পরম মমতায় কারো হাত ধরা, অচেনা কারোর এক চিলতে হাসি, কিংবা নিভৃতে কেউ একজন পাশে আছে— এমন একটা অনুভবই যথেষ্ট। অন্যের জীবনের এই কঠিন দিনগুলোকে সহজ করে দেওয়ার জন্য আমাদের খুব বেশি কিছু করার দরকার নেই, প্রয়োজন শুধু একটু সচেতনতা আর সামান্য মানবিকতা। আমাদের ছোট ছোট কিছু অভ্যাসই পারে অন্যের পৃথিবীটাকে উজ্জ্বল করে তুলতে।

১. মন দিয়ে শুনুন
সব সমস্যার সমাধানের প্রয়োজন হয় না, কখনো কখনো মানুষ শুধু চায় তার কথা কেউ শুনুক। কোনো কিছু ঠিক করে দেওয়ার বা বিচার করার তাড়াহুড়া না করে কাউকে আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ দিন। নিভৃতে কথা শোনাটাই হতে পারে অন্যের একাকিত্ব দূর করার প্রথম ও আসল ধাপ।

২. বলার আগেই এগিয়ে আসুন
দরজা ধরে রাখা, ভারী ব্যাগ বহনে সাহায্য করা বা সংগ্রামরত কোনো অভিভাবকের দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া— এগুলোর জন্য কোনো অর্থের প্রয়োজন হয় না। তবুও, এগুলো নীরবে একটি বার্তা দেয় : ‘আপনাকে সবকিছু একা করতে হবে না।’ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে সাহায্যই সবচেয়ে বেশি অর্থবহ।


৩. উৎসাহব্যঞ্জক কথা বলুন
একটি ছোট নোট, সদয় বার্তা বা আন্তরিক প্রশংসা— এগুলো আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সময় কারও মনে গেঁথে থাকতে পারে। ‘আমি তোমাকে বিশ্বাস করি’— এই একটি বাক্য সন্দেহের দেয়াল ভেঙে দারুণ আত্মবিশ্বাস জোগাতে পারে।

৪. প্রয়োজন ছাড়াই দান করুন
উদার হতে সম্পদের প্রয়োজন নেই। বৃষ্টিতে নিজের ছাতাটা ভাগ করে নেওয়া, ভিড় বাসে কাউকে বসার জায়গা ছেড়ে দেওয়া কিংবা সামান্য খাবার শেয়ার করা— এগুলো মনে করিয়ে দেয় যে উদারতা হলো মনোযোগ, অর্থ নয়।

৫. আপনিই আগে যোগাযোগ করুন
ব্যস্ততার মাঝে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া খুব সহজ। কিন্তু মাঝেমধ্যে প্রিয়জনকে পাঠানো একটি সাধারণ প্রশ্ন—‘কেমন আছেন?’ তাকে আশ্বস্ত করে যে, সে ভুলে যাওয়ার মতো কেউ নয়। একটি ভারাক্রান্ত দিন হালকা করার জন্য কখনো কখনো এটুকুই যথেষ্ট।

৬. অন্যের সাফল্যে খুশি হোন
প্রতিযোগিতার এই যুগে অন্যের সাফল্যে উল্লাস করা সাহসের কাজ। নিজের সঙ্গে তুলনা না করে অন্যের সাফল্যে সত্যিকার অর্থে খুশি হওয়া গভীর বিশ্বাস ও সংযোগ তৈরি করে। আনন্দ ভাগ করে নিলে তা বহুগুণে বেড়ে যায়।

৭. সবাইকে আপন করে নিন
নতুন সহকর্মীকে দুপুরের খাবারে আমন্ত্রণ জানানো, চুপচাপ থাকা, সহপাঠীকে আড্ডায় টেনে নেওয়া কিংবা প্রতিবেশীর খোঁজখবর নেওয়া— এসবই অন্যের প্রতি আপনার আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ। এই ছোট ছোট কাজগুলোই আমাদের চারপাশের পৃথিবীকে অনেক বেশি বাসযোগ্য করে তোলে।

সময়ের আলো/আআ
  বিষয়:   মানুষ  আপন  লাইফস্টাইল 


Advertisement
Loading...
Loading...
ফিচার- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: