সরকারি বরাদ্দ বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

সারাদেশ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা নাসরিনের বিরুদ্ধে সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দ বণ্টনে অনিয়ম, বৈষম্য, সরকারি অর্থের অপব্যবহার এবং বিভিন্ন

2026-07-07T01:17:47+00:00
2026-07-07T01:17:47+00:00
 
  মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬,
২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
সরকারি বরাদ্দ বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:১৭ এএম 
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা নাসরিন। সংগৃহীত ছবি
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা নাসরিনের বিরুদ্ধে সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দ বণ্টনে অনিয়ম, বৈষম্য, সরকারি অর্থের অপব্যবহার এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। 

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, দায়িত্ব পালনকালে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও সংস্কারের জন্য সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হলেও অনেক বিদ্যালয়ে তার দৃশ্যমান বাস্তবায়ন হয়নি। কোথাও কাগজে-কলমে সংস্কারকাজ সম্পন্ন দেখানো হলেও বাস্তবে বিদ্যালয়ের ভবন, শ্রেণিকক্ষ ও অন্যান্য অবকাঠামো আগের মতোই জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রধান শিক্ষক বলেন, বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের স্বাধীনতা ছিল না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে বাধ্য হওয়ায় সরকারি হিসাব ও বাস্তব ব্যয়ের মধ্যে অমিল সৃষ্টি হয়েছে। 

অভিযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা নাসরিন বলেন, শ্রীপুর উপজেলায় সাতজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রয়েছেন। সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণের অর্থ তাদের অনুকূলে বরাদ্দ আসে। তারা ব্যয় শেষে বিল জমা দেন। আমরা সরকারি প্রক্রিয়ায় অর্থ উত্তোলন করে তাদের কাছে হস্তান্তর করি। পরে তারা কীভাবে অর্থ ব্যয় করেছেন সে বিষয়ে তারাই ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদ ভূঁইয়া বলেন, যে প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ দেওয়া হবে সেখানে অবশ্যই কাজ হতে হবে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শতাধিক বিদ্যালয়ের নামে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ছাড় হলেও অনেক বিদ্যালয়ে উন্নয়নকাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। 

দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত যোগীরসিট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জরাজীর্ণ দেখিয়ে সংস্কারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হলেও সেই বরাদ্দের প্রতিফলন দেখা যায়নি। 


অন্যদিকে প্রকৃতপক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা কর্ণপুর, চরবাহার ও সোনাকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরিদের অভিযোগ, বেতন-ভাতা ও উৎসব বোনাস প্রদানে তাদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। 

অনুসন্ধানে জানা যায়, একটি প্রশিক্ষণে প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীর জন্য সরকারিভাবে ৫৪০ টাকা ও কোর্স ম্যাটেরিয়ালের জন্য অতিরিক্ত ৪৫ টাকা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু একাধিক শিক্ষকের অভিযোগ, তারা নাশতা ছাড়া অন্য কোনো সুবিধা পাননি। তাদের দাবি, ভুয়া বিল-ভাউচারে প্রশিক্ষণের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি  





  বিষয়:   সরকারি বরাদ্দ  বণ্টন  অনিয়ম  অভিযোগ  শিক্ষা কর্মকর্তা 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: