অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় ফুটবল দলের তরুণ ফরোয়ার্ড টেটে ইয়ঙ্গির ইসলাম গ্রহণের খবরটি সম্প্রতি ক্রীড়াঙ্গন ও আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ২৬ বছর বয়সী এই ফুটবলারের ধর্মীয় পরিবর্তনের পেছনের গল্পটি তিনি নিজেই এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেছেন বলে জানা যায়।
টেটে ইয়ঙ্গির এই আধ্যাত্মিক যাত্রার শুরু হয়েছিল সম্পূর্ণ কৌতূহল থেকে। মুসলিমদের নামাজ আদায়ের পদ্ধতি এবং মসজিদের শান্ত পরিবেশ সম্পর্কে জানার আগ্রহ থেকেই তিনি অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডের একটি স্থানীয় মসজিদে প্রবেশ করেছিলেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল শুধু ইসলামের ইবাদত ও পরিবেশকে কাছ থেকে দেখা।
কাকতালীয়ভাবে সেই সময় মসজিদে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার মুফতি ইসমাইল মেঙ্ক। সেখানে এক তরুণ ফুটবলারকে দেখে তিনি এগিয়ে এসে টেটে ইয়ঙ্গির সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন। আলোচনার একপর্যায়ে ইসলাম, বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিকতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথোপকথন হয়।
জানা যায়, মুফতি মেঙ্কের আন্তরিক আচরণ ও ইসলামের শিক্ষা সম্পর্কে আলোচনায় টেটে ইয়ঙ্গি গভীরভাবে প্রভাবিত হন। এরপর তিনি নিজের ইচ্ছায় শাহাদাত পাঠ করার সিদ্ধান্ত নেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন।
নিজের এই পরিবর্তন সম্পর্কে টেটে ইয়ঙ্গি বলেন, তিনি মূলত ইসলামের পরিবেশ সম্পর্কে জানার উদ্দেশ্যেই মসজিদে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। তাঁর ভাষায়, এটি ছিল জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত।
ইসলাম গ্রহণের পর টেটে ইয়ঙ্গির এই অভিজ্ঞতার গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাঁর ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা এই নতুন পথচলার জন্য তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
সময়ের আলো/এসএকে