মুখে শান্তি মনে 'যুদ্ধং শরণং গচ্ছামি'

সারফুদ্দিন আহমেদ

মতামত

হাতি-ঘোড়া, ঢাল-তলোয়ার, তীর-ধনুকের জমানা অস্ত গেছে। আগে যুদ্ধ হতো রাজায় রাজায়। দুপক্ষে দুই বাহিনী থাকত। এপক্ষের সেনার হাতে ওপক্ষের সেনা

2026-07-09T13:21:05+00:00
2026-07-09T13:21:05+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬,
২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
মতামত
মুখে শান্তি মনে 'যুদ্ধং শরণং গচ্ছামি'
সারফুদ্দিন আহমেদ
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১:২১ পিএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
হাতি-ঘোড়া, ঢাল-তলোয়ার, তীর-ধনুকের জমানা অস্ত গেছে। আগে যুদ্ধ হতো রাজায় রাজায়। দুপক্ষে দুই বাহিনী থাকত। এপক্ষের সেনার হাতে ওপক্ষের সেনা মরত। জিতে যাওয়া পক্ষ হেরে যাওয়া পক্ষের এলাকার দখল নিত। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লড়াই আর রাজত্ব দখলের মধ্যে সাধারণ মানুষ, মানে প্রজাসাধারণ থাকত না। বড়জোর তারা থাকত দর্শক। কোনো রাজা কোনো নতুন এলাকার দখল নিলে তিনি ওই এলাকার সাধারণ মানুষকে নিজের প্রজা হিসেবেই নিতেন। প্রজার গায়ে অহেতুক হাত তোলা রাজধর্ম ছিল না। হালাকু খানের মতো দুয়েকজন ব্যতিক্রম লোক ছাড়া সাধারণত বিজয়ী নৃপতির তলোয়ারে নিরীহ মানুষ মরত না। সেই কারণে তখনকার যুদ্ধে সত্যিকারের হারজিত ছিল। 

কিন্তু এখন আর যুদ্ধে কারও জিত হয় না। পুরোটাই হার। কারণ এখন আর সেনা বনাম সেনা যুদ্ধ হয় না; এখন আর সেনার হামলা সেনার ওপর হয় না। সেনারা এখন হামলা করে নিরীহ নারী-শিশু-বৃদ্ধের ওপর। সেনা একজন মরে তো সাধারণ নারী-পুরুষ-শিশু মরে একশ জন।

আগে সরাসরি মল্লযুদ্ধে সেনার হাতে সেনা মরত বলে বিজয়ী সেনাকে বীরের সম্মান দেওয়া হতো। সেই বীরের ছেলেমেয়ে, নাতিপুতি তাকে নিয়ে গৌরব করতেন।

সেই দিন আর নেই। আধুনিক যুদ্ধ এখন বাচ্চাকাচ্চার ভিডিও গেমসে রূপ নিয়েছে। এক-দুই হাজার কিলোমিটার দূরে কম্পিউটারের সামনে বসে টার্গেট সিলেক্ট করে 'এন্টার' বাটনে চাপ দেওয়া হচ্ছে। আর তাতেই মিসাইল গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম বা জিপিএস ধরে ঠিক জায়গায় গিয়ে পড়ছে। যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র বা বোমা পড়ছে, সেখানে হয়তো যুদ্ধরত বাহিনীর কোনো সদস্যই থাকে না। থাকে সাধারণ মানুষ। সেই বেসামরিক মানুষ বোমায় ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে। সভ্যভব্য হামলাকারী সমাজ এর যে গালভরা নাম রেখেছে, তা হলো- 'কোল্যাটেরাল ড্যামেজ' বা অনেক চেষ্টা করেও এড়ানো যায় না এমন ক্ষয়ক্ষতি। অনেকে আবার এটিকে 'প্রফেশনাল হ্যাজার্ড বা কাজ শেষ করতে গিয়ে হওয়া 'খুচরা-খাচরা ক্ষতি' বলেও ডাকেন।

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইল তিন বছর ধরে বৃষ্টির মতো যে বোমা ফেলেছে, সেই প্রক্রিয়ায় সেনাদের সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল খুবই কম। কোন বাড়িটায় সন্দেহভাজন হামাস সদস্য থাকে, কোন বাড়িটায় এখনই বোমা ফেলতে হবে, এসব সিদ্ধান্তও মানুষ নিয়েছে খুব কম। এর সব হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে।

সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে দেখলাম, ইসরাইল অনেক আগে থেকেই গাজার সব বাসিন্দার তথ্য-উপাত্ত, তাদের মুখের ছবি, হাতের আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে ডেটাবেস তৈরি করেছে। আমাদের মোবাইলে যেমন থাকে ‘কললিস্ট’, ঠিক সেভাবে ইসরাইলে ফিলিস্তিনিদের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তৈরি করেছে 'কিললিস্ট'। তারা ফেসিয়াল রিকগনিশন, নজরদারি ক্যামেরা ও ড্রোন-সব মিলিয়ে যুদ্ধকে অ্যালগরিদমিক ব্যাপার বানিয়ে

ফেলেছে। যুদ্ধের (এটিকে অবশ্য ‘যুদ্ধ’ বলা যাবে না। এটি নিরস্ত্র মানুষের ওপর একতরফা দানবিক হামলা) জন্য তাদের মাঠে যেতে হয়নি।

ইসরাইল 'দ্য গসপেল' নামের একটি এআই সিস্টেম ডেভেলপ করেছে। এই সিস্টেম দ্রুত কথিত হামাস সদস্যদের আশ্রয় নেওয়া ভবনগুলো চিহ্নিত করে। এরপর ‘ল্যাভেন্ডার’ নামের আরেকটি এআই সিস্টেম নিশানা হিসেবে 'হামাস সদস্যদের' চিহ্নিত করে। ‘ওয়েয়ার্স ড্যাডি’ নামের আরেকটি সিস্টেম একই সময়ে ল্যাভেন্ডারের চিহ্নিত করা ব্যক্তিদের ট্র্যাক করে এবং তারা তাদের পরিবারের বাড়িতে পৌঁছালে সংকেত পাঠায়। ডিসিশন সাপোর্ট সিস্টেমস নামে পরিচিত এআই সিস্টেমগুলো তখনই সেই বাড়িতে হামলার সিদ্ধান্ত দিয়ে দেয়। এ সিদ্ধান্ত নিতে এআই সর্বোচ্চ ২০ সেকেন্ড সময় নেয়। এআইর দেওয়া সিদ্ধান্ত মোতাবেক টার্গেট পয়েন্টে মিসাইল ছোড়া হয়। মুহূর্তে বোমায়

বাড়িঘর উড়ে যায়। বোমা ফেলার সিদ্ধান্ত দেওয়া এআইর মাথায় এটি দেওয়া হয়নি যে, একজন হামাস সদস্য যে বাড়িতে ঢুকল, সে বাড়িতে নিরপরাধ নারী, শিশু, বৃদ্ধ রয়েছে। তা ছাড়া যে যে বৈশিষ্ট্যের কারণে একজন লোককে হামাস হিসেবে এআই ধরে নেবে, নিরপরাধ শিশু ও নারীর ক্ষেত্রেও সেই সেই বৈশিষ্ট্য ডেটা সেন্টারে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে নারী-শিশু কাউকেই এই আই জেনারেটেড বোম্বিং সিস্টেম রেহাই দেয়নি। গাজায় ঠিক এই কায়দায় টানা দুই বছরের বেশি সময় ধরে বোমা ফেলে পুরো এলাকা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এআইনির্ভর সামরিক সিস্টেমের বিকাশের কারণে মনে হচ্ছে, ভবিষ্যতে কিলার রোবট দিয়ে দুনিয়া শাসন করা হবে। তখন এআই পরিচালিত ড্রোন বা সামরিক যান নিজেই ঠিক করবে কে বাঁচবে আর কে মরবে।

ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রেও আমরা গাজার মতো ব্যাপার দেখেছি। সেখানেও ভিডিও গেমসের মতো করে পাল্টাপাল্টি মিসাইল হামলা হয়েছে। সেনা যত মরেছে, তার চেয়ে বহুগুণ মরেছে সাধারণ মানুষ। কাতার ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন ঘাঁটি থেকে তেহরানে প্রথম হামলা করা হয়েছে। তাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি এবং তার পরিবারের লোকজন মারা গেছেন।

এরপর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি ও অন্যান্য স্থাপনায় হামলা করেছে। এরপর ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র আবার নির্বিচারে ইরানে বোমা ফেলেছে। এসব বোমায় যারা মারা গেছে, তাদের মধ্যে সেনাসদস্যের সংখ্যা খুবই কম। সেখানে ছোট ছোট শিশুরা মরেছে বেশি।

এই যুদ্ধের একপর্যায়ে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। এতে সারা দুনিয়ার তেলের সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে গেছে। এতে নিউইয়র্কের লংআইল্যান্ডের গ্রোসারি থেকে শুরু করে ঢাকার ঠাটারিবাজারের মুদির দোকানে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। দিনশেষে সারা

দুনিয়ার সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। দীর্ঘ মেয়াদের ক্ষয়ক্ষতি ধরলে সব মিলিয়ে ইরান যুদ্ধে ট্রিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। অথচ একটি ক্ষেপণাস্ত্রের দামে আমাদের মতো দেশের একটি গ্রামের বহু বছরের খাদ্যের চাহিদা মেটানো সম্ভব। একটি ড্রোন হামলার বাজেট দিয়ে হাজার শিশুর চিকিৎসা সম্ভব। যুদ্ধের সময় একটি দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া মানে একটি প্রজন্যের ভবিষ্যৎ সংকুচিত করে ফেলা।

তার মানে যুদ্ধে শুধু টাকা-পয়সা খরচ হচ্ছে না; খরচ হচ্ছে মানুষ আর সম্ভাবনা। এর বাইরে সবচেয়ে বেশি যে জিনিসের ক্ষতি হচ্ছে, তার নাম- মানুষের প্রতি মানুষের আস্থা।

ট্রাম্প আর নেতানিয়াহুর মতো যুদ্ধবাজ নেতারা বলছেন, ‘আমরা শান্তি প্রতিষ্ঠা করছি’। তারা বলছেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের যুদ্ধ করতে হচ্ছে। ‘শান্তি বাহিনী’, ‘পিস কিপিং মিশন’, 'পিস কমিটি'- এই জিনিসগুলো যে এলাকায় থাকে সে এলাকার মানুষ জানে 'শান্তি'র মানে কি। তারা জানে, ট্রাম্পের কাছে শান্তির চেয়ে যুদ্ধই বেশি লাভজনক ব্যবসা। মোগল সম্রাট আকবর গদিতে বসার পর থেকে আজীবন যুদ্ধ চালিয়ে গেছেন। তিনি বলতেন, তরবারি খাপে থাকলে তাতে মরিচা পড়ে যায়। আকবরের এই দর্শন যুগ যুগ ধরে সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তিগুলো অনুসরণ করে আসছে।

যুদ্ধ করাকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য আকবর নিজেকে ‘জিল্লে ইলাহি’ বা ‘ঈশ্বরের প্রতিভূ’ উপাধি ধারণ করেছিলেন। আজকের সুপার পাওয়ার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও আমরা ইরান যুদ্ধের সময় ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরার ছবি দেখেছি। হোয়াইট হাউসে ধর্মযাজক ও ধর্মীয় নেতারা তাকে 'ঈশ্বরের প্রতিভূ' বলেছেন। ট্রাম্পের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগনেথ নিজেকে ‘যুদ্ধমন্ত্রী’ বলে পরিচয় দিয়েছেন। তিনি আক্রমণকে আমেরিকার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার প্রধান উপায় বলে মনে করছেন।

আধুনিক সমরবিদদের অনেকেই এখন মনে করছেন, অস্তিত্ব রক্ষার জন্যই পরাশক্তিগুলোকে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে; দুর্বলের বিনাশের মধ্যেই সবলের অস্তিত্ব নির্ভর করছে। ধরা যাক, একটা শোল মাছ একটা পুঁটি মাছকে ধাওয়াচ্ছে। পুঁটি ছুটছে। পুঁটি ধরা পড়লেই তাকে মরতে হবে, তার অস্তিত্ব শেষ হয়ে যাবে। আর শোল যদি তাকে ধরতে না পারে, তা হলে না খেতে পেয়ে শোলের মৃত্যু হবে এবং তার অস্তিত্ব শেষ হয়ে যাবে।

এই অস্তিত্ব নিয়ে গ্রিক দার্শনিক হেরাক্লিটাস বলেছিলেন, ‘যুদ্ধ একজনকে প্রভু বানায়, আরেকজনকে দাসে পরিণত করে।... বিজয়ীদের বিচার করা হয় না, বিচার হয় পরাজিতদের। বিজয়ী প্রভু হয়ে যায়; তাই তার অস্তিত্ব থাকে। পরাজিত অস্তিত্বহীন হয়ে যায়, নয়তো দাসে পরিণত হয়; আর দাসত্ব নাই হয়ে যাওয়া বা অস্তিত্বহীনতার চেয়েও নিকৃষ্ট।’

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের 'মগজ' হিসেবে পরিচিত রুশ রাজনৈতিক দার্শনিক আলেকসান্দর দুগিনও এই দর্শনে বিশ্বাসী। জিওপলিটিকা ডট আরইউ ওয়েবসাইটে দুগিন ‘ওয়ার অ্যাফেক্টস দ্য ভেরি নেচার অব এক্সিস্ট্যান্স-হট ইজ ওয়ার দ্যাট ডিসাইডস হোয়াট এক্সিস্টস অ্যান্ড হোয়াট ডাজ নট’ শিরোনামে একটি নিবন্ধে বলেছেন, ‘কে থাকবে, আর কে নাই হয়ে যাবে, তার একমাত্র ফয়সালাকারী হলো যুদ্ধ।... যুদ্ধ এমন এক মেটাফিজিক্যাল বিষয়, যা কোনো কিছুকে নাই করে দিতে পারে; আবার নাই হয়ে থাকা কোনো কিছুকে নতুন করে অস্তিত্ব দিতে পারে।’

দুগিন বলছেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, এক মেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা এখন মাল্টি পোলার বা বহু মেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার দিকে ধাবিত হচ্ছে।’ তিনি বলছেন, ‘আজকের জার্মানি বা জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজিত হয়েছিল, ফলে এখন তারা পশ্চিমাদের দাস। কার্যত তাদের এখন কোনো অস্তিত্ব নেই। শীতল যুদ্ধের পর গর্বাচেভ, ইয়েলেৎসিন ও উদারপন্থি সংস্কারকদের কায়ণে রাশিয়া পরাজিতদের দলে পড়ে। যারা এই বিশ্বাসঘাতকদের সমর্থন করেছিলেন এবং ম্যাকডোনাল্ডসের লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন, তারাও সোভিয়েত ভাঙার জন্য সমান দায়ী।’

এ কারণে দুগিন মনে করেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙার পর রাশিয়া কার্যত অস্তিত্বহীন হয়ে গেছে। তাকে আবার অস্তিত্বে ফিরতে হলে যুদ্ধ করে জয়ী হয়ে ফিরতে হবে। সে কারণে পুতিনের ইউক্রেন দখল করে গোটা ইউরোপের ওপর খবরদারি প্রতিষ্ঠা না করে কোনো উপায় নেই।

তার মানে, বৃহৎ শক্তির 'অস্তিত্ব' রক্ষার জন্য তাদের দখলদারি অভিযান থামার কোনো সম্ভাবনা নেই। রাশিয়ার ইউক্রেন অভিযান চলতে থাকবে। চীনের তাইওয়ান দখলের পরিকল্পনা চলতে থাকবে। আমেরিকার প্রক্সি হিসেবে ইসরাইলের যুদ্ধ চলতে থাকবে।

পাশাপাশি চলতে থাকবে শান্তির বাণী। যুদ্ধবাজ শক্তিগুলোর প্রতিষ্ঠা করা জাতিসংঘের মুখে থাকবে শান্তিবাদী স্লোগান- 'বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি'। আর আমেরিকা, রাশিয়া, ইসরাইলের মনে থাকবে সমরমন্ত্র- 'যুদ্ধং শরণং গচ্ছামি'।

লেখক: গল্পকার, অনুবাদক ও সাংবাদিক


  বিষয়:   মুখ  শান্তি  যুদ্ধ  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: