ফটিকছড়িতে বন্যা : পানিবন্দি ৬-৭ হাজার মানুষ

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

সারাদেশ

উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির এখনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। টানা ষষ্ঠ দিনের মতো

2026-07-12T06:15:20+00:00
2026-07-12T06:15:20+00:00
 
  সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬,
২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশ
ফটিকছড়িতে বন্যা : পানিবন্দি ৬-৭ হাজার মানুষ
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৫ এএম 
উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির এখনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। ছবি : সংগৃহীত
উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির এখনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। টানা ষষ্ঠ দিনের মতো উপজেলার অন্তত ৩০টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল পানির নিচে রয়েছে। এতে প্রায় ছয় থেকে সাত হাজার মানুষ এখনো পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসংখ্য ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও সড়ক।

শনিবার (১১ জুলাই) উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পাহাড়ি ঢলের চাপ বাড়তে থাকায় হালদা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। কয়েকটি স্থানে নদীর বাঁধ উপচে ও ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। দুপুরের দিকে পানি কিছুটা কমলেও পুনরায় ভারী বৃষ্টি হলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

বন্যার কারণে গহিরা-হেয়াকো এবং নাজিরহাট-কাজিরহাট সড়কের বিভিন্ন অংশ তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন খাল-ছড়ার পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। দুর্গত মানুষ খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভুগছেন।

আজিমপুরের বাসিন্দা আম্মার হেসেন বলেন, রাত থেকেই হালদার পানি গ্রামে ঢুকতে শুরু করেছে। এতে কয়েক হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। শনিবার সকালে সেনাবাহিনীর সদস্যরা বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছেন।

বখতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক-উল আজম জানান, তাঁর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে গত তিন দিন ধরে প্রায় ৫০০ পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।


এদিকে শনিবার দুপুরে নাজিরহাট পৌরসভার রশিদাপুকুর এলাকায় হালদা নদীর ভাঙন পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেন। পরে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ফটিকছড়ির বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ছয় থেকে সাত হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার কার্যক্রম, ত্রাণ বিতরণসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রেখেছে এবং মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সময়ের আলো/এসএকে
  বিষয়:   ফটিকছড়ি  বন্যা  পানিবন্দি  হাজার মানুষ  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: