আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের আগে সুখবর পেয়েছে ইংল্যান্ড। নিষেধাজ্ঞার কারণে ডিফেন্ডার জারেল কোয়ানসাকে না পেলেও এবং হাত ভেঙে জর্ডান হেন্ডারসন বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেও মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইস ও ডিফেন্ডার রিচি জেমসকে নিয়ে আশাবাদী থ্রি লায়ন্সরা। দুজনই ম্যাচের শুরু থেকে খেলার জন্য প্রস্তুত।
পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন ডেক্লান রাইস। নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমার্ধ শেষে তাকে তুলে নিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল। তবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে তাকে শুরুর একাদশেই দেখা যেতে পারে। অন্যদিকে, গ্রুপ পর্বের ম্যাচে হামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়া চেলসি অধিনায়ক রিচি জেমস নরওয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন।
তবে এই সুসংবাদের পাশাপাশি কিছুটা দুশ্চিন্তাও রয়েছে ইংল্যান্ড শিবিরে। রাইস ও জেমস পুরো ম্যাচ খেলার মতো ফিট কিনা, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। সংবাদমাধ্যম দ্য স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, রাইস পুরো ম্যাচ খেলার মতো ফিট হয়েছেন। এমনকি তিনি নিজের স্বাভাবিক মিডফিল্ড পজিশনেই খেলবেন। তবে জেমস শুরু থেকেই খেলবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
ইনজুরি ও নিষেধাজ্ঞার কারণে জেমস ছাড়া রাইট-ব্যাক পজিশনে নিয়মিত কোনো খেলোয়াড় নেই ইংল্যান্ডের। সে কারণে কোচ টুখেল তাকে শুরুর একাদশে রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে প্রয়োজন হলে তাকে বদলি করা হতে পারে। জেমস একাদশে ফিরলে জন স্টোনসকে জায়গা ছাড়তে হতে পারে।
ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগের নেতৃত্বে থাকবেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। ননি মাদুইকে শুরুর একাদশ থেকে বাদ পড়তে পারেন। তার জায়গায় অভিজ্ঞ বুকোয়াকা সাকার ওপর আস্থা রাখতে পারেন টুখেল। পাশাপাশি তরুণ অ্যান্টনি গর্ডনেরও শুরুর একাদশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
মিডফিল্ডে এলিট অ্যান্ডারসন, জুড বেলিংহাম ও ডেক্লান রাইসকে নিয়ে শক্তিশালী এক কম্বিনেশন পাচ্ছে ইংল্যান্ড। ফিজিক্যাল, টেকনিক্যাল ও ট্যাকটিক্যাল-সবদিক থেকেই এই ত্রয়ী ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে সক্ষম বলে মনে করা হচ্ছে।
ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য শুরুর একাদশ : জর্ডান পিকফোর্ড, রিচি জেমস, এজরি কোনসা, মার্ক গেইহি, ও’রেইলি, এলিট অ্যান্ডারসন, ডেক্লান রাইস, জুড বেলিংহাম, বুকোয়াকা সাকা, অ্যান্তোনিও গর্ডন ও হ্যারি কেইন।
সময়ের আলো/আরবিএন