শনিবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ছাতিরচর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত কাছুম আলী ছাতিরচর পূর্বপাড়া গ্রামের মনির উদ্দিনের ছেলে। আহতরা হলেন, রমিজ মেম্বার ও হিরু মিয়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে ছাতিরচর দক্ষিণপাড়া গ্রামের জুম্মনের নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী চক্র স্থানীয় নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। নিহত কাছুম আলীসহ স্থানীয় কয়েকজন এতে বাধা দিলে চক্রটির সঙ্গে তাদের বিরোধ তৈরি হয়। এর জের ধরে শনিবার রাতে দু'পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের মারধর ও ধাওয়ার মুখে কাছুম আলী অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে নিহতের শরীরে আঘাতের কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে রাতে দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় জুম্মন ও তার লোকজন দেশীয় অস্ত্র (দা) নিয়ে প্রতিপক্ষকে ধাওয়া করলে কাছুম আলী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত (হার্ট অ্যাটাক) হয়ে মারা গেছেন।
ওসি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সময়ের আলো/জোই