ভ্রমণপিপাসু বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর। সম্প্রতি প্রকাশিত হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স-এর গ্লোবাল পাসপোর্ট র্যাঙ্কিং অনুসারে, বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা এখন এশিয়ার ছয়টি দেশে ভিসা ছাড়াই অথবা ‘অন অ্যারাইভাল ভিসা’ সুবিধা নিয়ে ভ্রমণ করতে পারবেন।
এই দেশগুলো তাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক স্থান এবং অনন্য সংস্কৃতির জন্য পরিচিত। ভিসা জটিলতা না থাকায় ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য এসব দেশ আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে।
সব মিলিয়ে, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই বিশ্বের ৩৫টি গন্তব্যে ভ্রমণের সুযোগ পান। তবে এর মধ্যে এশিয়ায় রয়েছে মাত্র ছয়টি দেশ।
ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য জেনে নিন এশিয়ার সেই ৬ দেশের নাম :
১. ভুটান
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড় আর শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত ভুটানে বাংলাদেশিরা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পান।
২. মালদ্বীপ
নীল সমুদ্র, সাদা বালুর সৈকত আর বিলাসবহুল রিসোর্টের দেশ মালদ্বীপে বাংলাদেশি নাগরিকরা পৌঁছানোর পর ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা পান। এটি হানিমুন ও অবকাশ যাপনের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য।
৩. নেপাল
হিমালয়ের দেশ নেপালেও বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা নিয়ে প্রবেশ করতে পারেন। কাঠমান্ডু, পোখারা ও এভারেস্ট অঞ্চলের সৌন্দর্য পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।
৪. শ্রীলঙ্কা
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্রসৈকত এবং ঐতিহাসিক স্থাপনার জন্য পরিচিত শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশিদের জন্য সহজ প্রবেশ সুবিধা রয়েছে। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ ভিসানীতি যাচাই করে নেওয়া উচিত।
৫. কম্বোডিয়া
বিশ্বখ্যাত আঙ্কোর ওয়াট মন্দিরের দেশ কম্বোডিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকরা পৌঁছানোর পর ভিসা অন অ্যারাইভাল নিতে পারেন। ইতিহাস ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।
৬. তিমুর-লেস্তে (ইস্ট তিমুর)
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছোট এই দ্বীপরাষ্ট্রেও বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা রয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও নিরিবিলি পরিবেশের কারণে দেশটি ধীরে ধীরে পর্যটকদের নজর কেড়েছে।
ভ্রমণের আগে যা মনে রাখবেন
ভিসা ছাড়া বা ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা থাকলেও ভ্রমণের আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট দেশের সর্বশেষ প্রবেশ নীতিমালা যাচাই করা উচিত। অনেক ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদি পাসপোর্ট, রিটার্ন টিকিট, হোটেল বুকিং, পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা সরকারি ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইট থেকে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
সময়ের আলো/জেডি