জুলাই গণ–অভ্যুত্থান কোনো একক রাজনৈতিক দলের আন্দোলন ছিল না, এটি ছিল সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তির সম্মিলিত গণঅভ্যুত্থান বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্ফুলিঙ্গ থেকে চলমান বিপ্লব’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেবল অতীতের একটি ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। গণতন্ত্র, রাষ্ট্র সংস্কার, ভোটাধিকার, বৈষম্য দূরীকরণ এবং স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এ আন্দোলন হয়েছিল।
তিনি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠিত হলেও জনগণের সংস্কারকামী যে গণরায় ছিল, তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। জুলাই সনদ, রাষ্ট্র সংস্কার এবং মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের চেতনা বহমান থাকবে।
পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম পররাষ্ট্রনীতি প্রতিষ্ঠা করা। সীমান্ত হত্যা বন্ধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে বাংলাদেশকে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে। কোনো রাষ্ট্রের আধিপত্য মেনে না নিয়ে জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনার আহ্বান জানান তিনি।
তরুণদের কর্মসংস্থানকে গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার ১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পাঁচ মাস ইতোমধ্যে অতিক্রম হয়েছে। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে তা দেশের তরুণ সমাজের জন্য ইতিবাচক হবে।
সময়ের আলো/কেএইচও