ঝিনাইদহে চাঞ্চল্যকর শিশু সাবা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

সারাদেশ

ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি গ্রামের বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর সাড়ে তিন বছরের শিশু সাইমা আক্তার সাবা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

2026-07-28T23:59:55+00:00
2026-07-28T23:59:55+00:00
 
  বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬,
১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
ঝিনাইদহে চাঞ্চল্যকর শিশু সাবা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৯ পিএম 
ফাইল ছবি
ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি গ্রামের বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর সাড়ে তিন বছরের শিশু সাইমা আক্তার সাবা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মো. হেলাল উদ্দীনের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

বিচারিক প্রক্রিয়ার মামলার প্রথম দিনে মোট ২৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আকিদুল ইসলাম এবং রাষ্ট্র কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট আশরাফ জোয়ার্দ্দার। আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন আগামী ৩ আগস্ট নির্ধারণ করেছেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর (বুধবার) সকাল ৮টার দিকে পবহাটি গ্রামের সাইদুল ইসলামের মেয়ে শিশু সাইমা আক্তার সাবা খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় শিশুটির পিতা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয়রা আশপাশের বিভিন্ন পুকুরসহ নানা স্থানে অনুসন্ধান চালিয়েও দিনভর শিশুটির কোনো সন্ধান পায়নি।

অবশেষে ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে একই গ্রামের প্রতিবেশী আক্তারুজ্জামান মাসুমের ঘরের ভেতর থেকে ফুটফুটে শিশু সাবার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মর্মান্তিক এই ঘটনার পর অনুসন্ধানে নেমে পুলিশ প্রতিবেশী আক্তারুজ্জামান মাসুমের স্ত্রী শান্তনা খাতুনকে (৩০) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ও হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পরবর্তীতে গ্রেফতার করে।


ঘটনার তদন্ত শেষে ঝিনাইদহ সদর থানার তৎকালীন এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) মনোজ কুমার ঘোষ মাত্র ২৭ দিনের মাথায় আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে শান্তনা খাতুন শিশু সাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার কথা স্বীকার করেন।

জবানবন্দিতে শান্তনা খাতুন উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন তার ছেলে আবু জুবায়ের সঙ্গে খেলতে গিয়ে দুজনা মারামারি করে। এ সময় সাবার মাথায় আঘাত করে শান্তনা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সাবা। সারাদিন ঘরের মধ্যে লাশ লুকিয়ে রেখে রাতে বাইরে ফেলতে গিয়ে শান্তনার গতিবিধি সন্দেহ হলে প্রতিবেশীরা তারা বাড়ি তল্লাশি করে সাবার মৃতদেহ উদ্ধার করে।

সময়ের আলো/আতা


  বিষয়:   ঝিনাইদহ  শিশু  হত্যা মামলা  সাক্ষ্যগ্রহণ  আদালত  আইন 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: