দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের নেতৃত্বে আবারও থাকছেন কাজী সালাহউদ্দিন। ভুটানে অনুষ্ঠিতব্য দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের কংগ্রেসে সভাপতি পদে তার পুনর্নির্বাচন এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতার অপেক্ষা। কারণ, এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন।
কংগ্রেসের অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন। তবে সভাপতি পদে আর কোনো প্রার্থী না থাকায় সাফের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাকে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত করার পথই উন্মুক্ত হয়েছে। গঠনতন্ত্রের ধারা ২৪.২ অনুযায়ী, প্রার্থীর সংখ্যা যদি পদের সংখ্যাকে অতিক্রম না করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ফলে কংগ্রেসে অনুমোদন মিললেই আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মেয়াদের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তিনি।
২০০৯ সাল থেকে সাফের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন কাজী সালাহউদ্দিন। দীর্ঘদিন ধরে বয়সসীমার কারণে ৭০ বছরের বেশি বয়সী কেউ সাফের নির্বাহী কমিটির কোনো পদে প্রার্থী হতে পারতেন না। তবে গত বছর কলম্বোতে অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সেই বয়সসীমা বাতিল করা হয়। ফলে নতুন মেয়াদে দায়িত্ব পালনের সুযোগ তৈরি হয় সালাহউদ্দিনের জন্য।
এবারের কমিটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়ছে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি সাব্বির আহমেদ আরিফ প্রথমবারের মতো সাফের কার্যনির্বাহী কমিটিতে জায়গা পাচ্ছেন। তার সঙ্গে নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে থাকছেন মালদ্বীপের হুসাইন শাফিউ।
অন্যদিকে, সহসভাপতি পদেও কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা নেই। ফলে শ্রীলঙ্কার জাসওয়ার উমারু লাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ওই পদে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
সব মিলিয়ে নতুন মেয়াদেও দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের শীর্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রভাব অটুট থাকছে। কাজী সালাহউদ্দিনের ধারাবাহিক নেতৃত্বের পাশাপাশি কার্যনির্বাহী কমিটিতে সাব্বির আহেদ আরিফের অন্তর্ভুক্তি সাফে বাংলাদেশের উপস্থিতিকে আরও শক্তিশালী করবে।
সময়ের আলো/টিকে