দাফনের ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছে’ ভেবে লাশ তুললেন সন্তানরা

নিজস্ব সংবাদদাতা

সারাদেশ

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় দাফনের টানা ১২ ঘণ্টা পর ‘মা জীবিত আছেন’— এমন ধারণায় কবর খুঁড়ে এক বৃদ্ধার মরদেহ তুলে এনে

2026-08-02T11:25:00+00:00
2026-08-02T11:25:00+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৭ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ
দাফনের ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছে’ ভেবে লাশ তুললেন সন্তানরা
নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশ: রোববার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৫ এএম 
সংগৃহীত ছবি
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় দাফনের টানা ১২ ঘণ্টা পর ‘মা জীবিত আছেন’— এমন ধারণায় কবর খুঁড়ে এক বৃদ্ধার মরদেহ তুলে এনে হাসপাতালে ছোটাছুটির এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। পরে মেলান্দহ ও জামালপুরের বেশ কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা পুনরায় ইসিজি পরীক্ষা করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। শনিবার (১ আগস্ট) রাতে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের চর মাহমুদপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত হালিমা খাতুন (৬৫) বার্ধক্যজনিত কারণে গত শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ইন্তেকাল করেন। পরদিন শনিবার সকাল ৮টায় পারিবারিক গোরস্তানে ধর্মীয় নিয়ম মেনে তাকে দাফন করা হয়। তবে মৃতের মানসিকভাবে অসুস্থ মেয়ে সুলতানা (৪০) দাফনের পর থেকেই জিনের মারফত খবর পাওয়ার দাবি করে ‘মা বেঁচে আছে’ বলে চিৎকার শুরু করেন। 

একপর্যায়ে স্বজন ও সন্তানদের মনেও সন্দেহ দানা বাঁধে এবং তারা রাত ৯টার দিকে কবর খুঁড়ে মরদেহ উত্তোলন করেন। এ সময় হাত-পা সামান্য নড়ছে— এমন বিভ্রান্তি তৈরি হলে রাতদুপুরেই লাশ নিয়ে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছোটেন স্বজনরা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর ডিউটি চিকিৎসক ইসিজি রিপোর্ট দেখে হালিমা খাতুন মৃত বলেই নিশ্চিত করেন। তবে পরিবারের সদস্যরা সেই তথ্যে আশ্বস্ত না হয়ে মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে তুলে জামালপুর জেলা শহরের বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালেও ঘুরে আসেন। সব জায়গায় চিকিৎসকেরা অনেক আগেই তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে সীলমোহর দিলে শেষমেশ গভীর রাতে গ্রামে ফিরে পুনরায় দাফন সম্পন্ন করা হয়।


মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকেরা জানান, হাসপাতালে ইসিজি পরীক্ষার মাধ্যমে রোগী মারা যাওয়ার বিষয়টি নিখুঁতভাবে নিশ্চিত করা হয়েছিল।
 
অন্যদিকে, মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক জানান, ঘটনার খবরটি তারা সামাজিক মাধ্যমে প্রত্যক্ষ করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।

সময়ের আলো/জেডি 
  বিষয়:   দাফন  ১২ ঘণ্টা  লাশ  সন্তান  জামালপুর 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: