ইউক্রেনের বন্দিশিবির থেকে ভেসে এল রিমেলের কণ্ঠ, ‘মা, আমি বেঁচে আছি’

সারাদেশ

দীর্ঘ ১১ মাস কোনো খোঁজ না পাওয়ার পর ইউক্রেনের যুদ্ধবন্দি শিবির থেকে গাইবান্ধার রিমেল মিয়ার কণ্ঠ শুনতে পেল তাঁর পরিবার।

2026-08-02T17:51:19+00:00
2026-08-02T17:51:51+00:00
 
  রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬,
১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬
সারাদেশ
ইউক্রেনের বন্দিশিবির থেকে ভেসে এল রিমেলের কণ্ঠ, ‘মা, আমি বেঁচে আছি’
প্রকাশ: রোববার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫১ পিএম  আপডেট: ০২.০৮.২০২৬ ৫:৫১ পিএম
সংগৃহীত ছবি
দীর্ঘ ১১ মাস কোনো খোঁজ না পাওয়ার পর ইউক্রেনের যুদ্ধবন্দি শিবির থেকে গাইবান্ধার রিমেল মিয়ার কণ্ঠ শুনতে পেল তাঁর পরিবার। জুম সাক্ষাৎকারে রিমেল জানালেন, তিনি এখনো বেঁচে আছেন।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের উত্তর মরুয়াদহ গ্রামের মো. রিমেল মিয়া (২২) বর্তমানে ইউক্রেনের একটি ডিটেনশন সেন্টারে যুদ্ধবন্দি হিসেবে রয়েছেন। 

শুক্রবার (৩১ জুলাই) একটি গণমাধ্যমে রিমেলসহ তিন বাংলাদেশি যুদ্ধবন্দির সাক্ষাৎকার প্রকাশ হলে তার পরিবার বিষয়টি জানতে পারে।

সাক্ষাৎকারে রিমেল বলেন, ‘আমার পরিবার জানে না আমি কোথায় আছি, আমি বেঁচে আছি নাকি মারা গেছি। এই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে অন্তত তারা জানতে পারবে, আমি এখনো বেঁচে আছি।’

পরিবারের আর্থিক সংকট দূর করার আশায় ২০২৫ সালের মার্চে রাশিয়ায় যান রিমেল। সেখানে নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে কাজ করার পর রুশ সেনাবাহিনীর একটি চুক্তিতে সই করেন তিনি। রুশ ভাষার সেই চুক্তির বিষয় তিনি বুঝতে পারেননি। উচ্চ বেতন ও নাগরিকত্বের প্রলোভন দেখিয়ে মাত্র তিন দিনের প্রশিক্ষণ শেষে তাঁকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়।

গত ৮ ডিসেম্বর ইউক্রেনীয় বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের পর থেকে তিনি যুদ্ধবন্দি হিসেবে আছেন।


রিমেলের বাবা সৈয়দ আলী বলেন, ‘ধার-দেনা করে ছেলেকে বিদেশ পাঠাই। এরপর তার আর কোনো খোঁজ পাইনি। সে কেমন আছে, বেঁচে আছে কি না- কিছুই জানতাম না। পত্রিকায় দেখে জানতে পারলাম আমার ছেলে জীবিত আছে। আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ করছি, তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হোক।’

মা রেখা বেগম বলেন, ‘ছেলের কোনো খোঁজ না পেয়ে প্রতিদিন আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে দোয়া করেছি। মনে হতো হয়তো আর কোনো দিন আমার ছেলেকে দেখতে পাব না। এখন জানতে পেরেছি সে বেঁচে আছে। আমি শুধু আমার ছেলেকে একবার বুকে জড়িয়ে ধরতে চাই।’

বর্তমানে ইউক্রেনের একই ডিটেনশন সেন্টারে রিমেলসহ তিন বাংলাদেশি যুদ্ধবন্দি রয়েছেন। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগের অপেক্ষায় রয়েছে পরিবারগুলো।


সময়ের আলো/এমকে


  বিষয়:   ইউক্রেন  বন্দিশিবির  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: