বাজারে পুড়ছে ভোক্তা

এসএম আলমগীর

জাতীয়

নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে গত পাঁচ মাস ভোগ্যপণ্যের বাজার বেশ স্থিতিশীলই ছিল। এমনকি অতীতে জাতীয় বাজেটের পরপরই অনেক

2026-08-03T00:58:26+00:00
2026-08-03T00:58:26+00:00
 
  সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬,
১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
জাতীয়
বাজারে পুড়ছে ভোক্তা
এসএম আলমগীর
প্রকাশ: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৮ এএম 
ছবি : সংগৃহীত
নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে গত পাঁচ মাস ভোগ্যপণ্যের বাজার বেশ স্থিতিশীলই ছিল। এমনকি অতীতে জাতীয় বাজেটের পরপরই অনেক পণ্যের দাম বেড়ে গেলেও এবার তেমনটি দেখা যায়নি। তবে ভোগ্যপণ্যের বাজারের সেই স্বস্তিভাব এখন আর নেই। 

বাজারে একসঙ্গে সব ধরনের সবজি, কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ, চাল-ডাল, মাছ-মাংসসহ অনেক পণ্যের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিকহারে। অধিকাংশ সবজির কেজি ১০০ টাকার ওপরে। বেগুনের কেজি ১৮০ টাকা ছাড়িয়েছে, কাঁচামরিচের কেজি ৪০০ টাকায় ঠেকেছে। এভাবে একত্রে অধিকাংশ পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে কষ্ট বেড়েছে ভোক্তার।

অন্যদিকে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের তথ্য বলছে, এক মাস আগে দেশের বাজারে কাঁচামরিচের কেজি ছিল ৮০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪০ টাকা। আর এখন দাম হয়েছে ৩০০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা কেজি। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে বাজারে কাঁচামরিচের দাম বেড়েছে ২১৮ শতাংশ। এভাবে শসার দাম বেড়েছে ৫০ শতাংশ, বেগুনের ২২ শতাংশ, ব্রয়লার মুরগির ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ, পেঁয়াজের ৪৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ, রসুনের ১৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ ছাড়া আটা-ময়দার দাম বেড়েছে ৪ থেকে ৮ শতাংশ পর্যন্ত।

শুধু তাই নয়, টিসিবির তথ্য বলছে এক মাসের ব্যবধানে বাজারে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে, সব ধরনের তেলের দাম বেড়েছে। এ ছাড়া লবণ, মসলাজাতীয় পণ্য, মাছ, মাংস এবং সব ধরনের গুঁড়ো দুধের দামও বেড়েছে। সুতরাং সরকারি সংস্থার তথ্যই বলছে- বাজারে অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে সরকারি সংস্থাগুলোর যথাযথ তদারকি না থাকার কারণেই ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠছেন। বৃষ্টি ও সাম্প্রতিক কয়েকটি এলাকায় বন্যার অজুহাত দিয়ে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো পণ্যমূল্য বাড়িয়েছে।

এ বিষয়ে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এসএম নাজের হোসেন সময়ের আলোকে বলেন, ‘গত এক মাসের ব্যবধানে বাজারে একসঙ্গে প্রায় সব রকম ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এতে দেশের সাধারণ মানুষের কষ্টের মাত্রা অনেক বেড়ে গেছে। আসলে বাজারে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নজরদারি তেমন একটা নেই বললেই চলে। আর বাজারে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর তদারকি না থাকলে ব্যবসায়ীরা আরও বেপরোয়া হয়ে পড়েন। নজরদারি না থাকায় ভোগ্যপণ্যের ব্যবসায়ীরা আগে যেভাবে সিন্ডিকেট করে পণ্যমূল্য বাড়াত, ঠিক সেভাবেই এখন দাম বাড়াচ্ছে। তা না হলে চাল, সবজি থেকে শুরু করে সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে। 


হয়তো সাম্প্রতিক সময়ের টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও কিছু এলাকার বন্যার কারণে কিছু সবজি ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু তার জন্য তো সব ধরনের পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কথা না। তা ছাড়া যেসব এলাকায় বেশি সবজি উৎপাদন হয় সেসব এলাকায় কিন্তু বন্যা দেখা দেয়নি। তা হলে কেন সবজি, কাঁচামরিচের এত দাম বাড়বে। আসলে ব্যবসায়ীরা ঝোঁপ বুঝে কোপ মারছেন।’

পণ্যমূল্য কমাতে এবং বাজার স্থিতিশীল করতে করণীয় বিষয়ে নাজের হোসেন সময়ের আলোকে বলেন, ‘পণ্যমূল্য কমাতে হলে যখন যে পণ্যের দাম বাড়বে তার মধ্যে যেগুলো আমদানিযোগ্য সেগুলো দ্রুত আমদানির অনুমতি দিতে হবে। যেমন কাঁচামরিচের দাম কিন্তু গত তিন-চার সপ্তাহ ধরে বাড়তে বাড়তে ৪০০ টাকা কেজিতে ঠেকেছে। অথচ আমদানির অনুমতি দেওয়া হলো চার সপ্তাহ পরে এসে। 

যদি প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই আমদানির অনুমতি দেওয়া হতো তা হলে কাঁচামরিচের কেজি ৪০০ টাকা হতো না। এভাবে সময়মতো পণ্য আমদানির অনুমতি দিতে হবে। এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকার বা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কথা বলা দরকার, তাদের চাপে রাখা দরকার। এ ছাড়া কোন পণ্যের চাহিদা কত, বাজারে জোগান কেমন- এ সংক্রান্ত সঠিক তথ্য সরকারের কাছে সবসময় থাকা দরকার। এ ধরনের উদ্যোগগুলো নিলে বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে সহয়ক ভূমিকা রাখবে।

বেশি বেসামাল সবজির বাজার : রাজধানীর কাঁচাবাজারে এখন সবচেয়ে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের সবজি। তবে সবচেয়ে বেশি অস্থিরতা দেখা দিয়েছে কাঁচামরিচের বাজারে। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দাম বেড়ে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, যা কেজি হিসাবে দাঁড়ায় ৪০০ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও এই কাঁচামরিচ ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছিল। আর এক মাস আগে ছিল ৮০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে।

শুধু কাঁচামরিচই নয়, অন্যান্য সবজির দামও বেড়েছে বেশ খানিকটা। বাজারে বেগুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৮০, টমেটো কেজিপ্রতি ১৬০ থেকে ২০০ ও করলা ১০০ থেকে ১৪০ টাকা। পোটল, ঢ্যাঁড়শ, কাঁকরোল ও ঝিঙা মানভেদে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকা। পেঁপে ৫০ এবং আলু ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০, কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০, শসা ১২০, বরবটি ১০০, গাজর ১৪০ ও মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লালশাক আঁটিতে ১০ টাকা বেড়ে ২৫, লাউশাক আঁটি ৫০, কলমিশাক ২ আঁটি ৪০, পুঁইশাক ৪০ ও ডাটাশাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা কবীর হোসেন বলেন, প্রতি কেজি কাঁচামরিচের দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১০০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তার আগে সপ্তাহে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা ছিল। এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকায়। আসলে হঠাৎ করেই বাজারে কাঁচামরিচের সরবরাহ কমে গেছে। মূলত এ কারণেই দাম বাড়ছে অস্বাভাবিক হারে।

একই বাজারের ক্রেতা আনিসুর রহমান সময়ের আলোকে বলেন, ‘হঠাৎ করেই বাজার কেন জানি বেসামাল হয়ে পড়েছে। বাজারে সবজির দাম এতটাই বেড়েছে যে আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষের পক্ষে সবজি কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। সবজির পাশাপাশি বাজারে অধিকাংশ পণ্যেরই দাম বেড়েছে। ফলে সংসার চালাতে আমাকে এখন হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

আরেক ক্রেতা ও বেসরকারি চাকরিজীবী আনোয়ার হোসেন বলেন, গত কয়েক দিন ধরে সবজির দাম অতিরিক্ত বেশি যাচ্ছে। কয়েক দিন আগে বৃষ্টি ছিল, এখন সেভাবে বৃষ্টি নেই, তবু দাম অতিরিক্ত বেশি। বাজারে বেগুন ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা। এত দাম বাড়লে আমরা কীভাবে কিনব। দ্রুত যাতে পণ্যমূল্য কমে আসে সরকারের সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।’

মাছ-মাংসের বাজারও চড়া : এক মাসের ব্যবধানে বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত। ১৫০ টাকার ব্রয়লার মুরগি এখন বাজারভেদে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া লাল লেয়ার ৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়, যা এক মাস আগে ছিল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা। হাঁসের ডিম এক ডজন ২০০, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ ও সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজারে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এবং খাসির মাংস ১৩০০ টাকা কেজি। ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি মাছ ১২০০ থেকে ১৩০০ এবং ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা এবং ১ কেজি ওজনের ইলিশ ৩২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) ৩০০ থেকে ৬০০, দেশি শিং ১২০০ থেকে ১৪০০, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০, দেশি মাগুর মাছ ৯০০ থেকে ১২০০, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০, চাষের পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০, তেলাপিয়া ২০০, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০, মলা ৫০০, বাতাসি টেংরা ১৪০০, টেংরা মাছ ৫০০ থেকে ৮০০, কাঁচকি মাছ ৪০০ ও পাঁচমিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিল সরকার : অবশেষে কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দিল সরকার। আজ সোমবার থেকেই আমদানি করা যাবে। এমন তথ্য জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রোববার রাজধানীর শান্তিনগর কাঁচাবাজার পরিদর্শন করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী। এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পরিদর্শন শেষে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, কাঁচামরিচের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, কাঁচামরিচ আমদানির ওপর বিদ্যমান কর কমানো হচ্ছে এবং কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। ফলে দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে কাঁচামরিচের দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে। বর্তমানে রাজধানীর বাজারে এক কেজি কাঁচামরিচ কিনতে ৩২০ থেকে ৩৮০ টাকা খরচ হচ্ছে। দুই-তিন আগে এ দর ৪০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। কাঁচামরিচের উচ্চ দামের কারণে সাধারণ ভোক্তাদের ভোগান্তি বাড়ে।

শান্তিনগর কাঁচাবাজার পরিদর্শনকালে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, ভোক্তাদের জন্য বাজারকে সহনীয় রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা সরেজমিন যা দেখবেন, তা বস্তুনিষ্ঠভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরবেন। এতে মানুষ সচেতন হবে, বিভ্রান্তি কমবে। কেউ বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা মূল্য কারসাজির সুযোগ পাবে না।’

এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অত্যাবশ্যকীয় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় (খাদ্য ও কৃষি) পণ্যের সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণসংক্রান্ত সভায় অংশ নেন বাণিজ্য ও কৃষিমন্ত্রী এবং খাদ্য প্রতিমন্ত্রী। পরে সেখান থেকে তারা সরেজমিন শান্তিনগর কাঁচাবাজার পরিদর্শনে যান।

সময়ের আলো/এসএকে


  বিষয়:   বাজার  ভোক্তা  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: