ইরানে ট্রাম্পের কৌশলগত পরাজয়ে উদ্বেগে মিত্ররা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধটি কৌশলগত পরাজয়ের দিকেই এগোচ্ছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে মার্কিন মিত্ররা। যুদ্ধে সামরিক শ্রেষ্ঠত্বে এগিয়ে থেকেও

2026-08-03T01:16:30+00:00
2026-08-03T01:16:30+00:00
 
  সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬,
১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
আন্তর্জাতিক
ইরানে ট্রাম্পের কৌশলগত পরাজয়ে উদ্বেগে মিত্ররা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৬ এএম 
ছবি : সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধটি কৌশলগত পরাজয়ের দিকেই এগোচ্ছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে মার্কিন মিত্ররা। যুদ্ধে সামরিক শ্রেষ্ঠত্বে এগিয়ে থেকেও ইরানে সেই শক্তিকে টেকসইভাবে কাজে লাগাতে না পারার মার্কিন ব্যর্থতাকে এক ধরনের দুর্বলতা হিসেবেই দেখছে মিত্র দেশগুলো। 

তাদের আশঙ্কা, ওয়াশিংটনের এই দুর্বলতায় উচ্ছ্বাস করবে রাশিয়া ও চীন। এ ছাড়া ট্রাম্পের যুদ্ধ শুরুর মূল উদ্দেশ্যগুলো এখনও পূরণ হয়নি। এমনকি বিশ্বজুড়ে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের সংকটে পড়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। 

মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন বলছে, এই মুহূর্তে ইরানকে অনেকটাই অনড় বলে মনে হচ্ছে। মার্কিন হামলার মুখে দেশটির পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পুরোপুরি ধ্বংস করা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া, জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিটিও মূলত তেহরানের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। এই যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল উভয়কেই দুর্বল অবস্থানে ঠেলে দিয়েছে।

আর এই সার্বিক বিশৃঙ্খলার জন্য দুটি দেশ এখন একে অন্যকে দোষারোপ করছে। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন শুধু হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল সীমিত রাখতে বাধ্য করছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন মিত্র আরব দেশগুলোর জ্বালানি উৎপাদন অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি করছে। এমনকি মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে একের পর এক আঘাত হেনেই চলেছে। এসব হামলায় ইতিমধ্যেই মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যরা হতাহতও হয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘনঘন লক্ষ্য পরিবর্তনের কারণে সামরিক ও কূটনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই মিত্রদের আস্থা হারাচ্ছে ওয়াশিংটন। তারা বলছেন, এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা সম্পর্কে এমন এক ধারণা তৈরি করেছে যে ওয়াশিংটন বিশ্বজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী এক অনিশ্চিত ও অসংলগ্ন শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

ব্রিটিশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউসের সাবেক পরিচালক রবিন নিবলেট বলেন, যুদ্ধের রূপ ভবিষ্যতে পরিবর্তিত হতে পারে, তবে এ পর্যন্ত যা অর্জিত হয়েছে তা ‘একটি কৌশলগত ক্ষতি এবং অত্যন্ত চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।’ তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র এবং যারা নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করে, তাদের কাছে এটি আবার প্রমাণ হলো যে যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করা যায় না। 

নিবলেট আরও বলেন, যদি ইরানে ইসলামিক রিপাবলিকের পতনও ঘটে, তবুও ‘মানুষ ভুলবে না যে যুক্তরাষ্ট্রের অনির্ভরযোগ্য ও দোদুল্যমান পররাষ্ট্রনীতির কারণে তাদের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল।’ ইউরোপীয় মিত্ররা এখনও ভুলে যায়নি ট্রাম্পের সেই অঙ্গীকারের কথা। যেখানে তিনি ন্যাটোর এক মিত্র দেশের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দিয়েছিলেন এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় না বাড়ালে যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো জোট থেকে বেরিয়ে যাবে এমন হুমকি দিয়েছিলেন।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরান প্রজেক্ট ডিরেক্টর আলি ভায়েজ জানান, মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারিত্ব পুরোপুরি ছিন্ন করার মতো অবস্থায় না থাকলেও, তারা দেখছে এই যুদ্ধ কীভাবে তাদের নিজেদের নিরাপত্তাকেই ঝুঁকির মুখে ফেলছে। ফলে তারা ইতিমধ্যেই বিকল্প পথ খুঁজতে শুরু করেছে; তারা ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন এবং ইউরোপ, চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

নিবলেট বলেন, বৈশ্বিক ব্যবস্থা যেভাবে চলছিল, তা অনেক দেশেরই পছন্দ ছিল না, কিন্তু অন্তত একটি ব্যবস্থা তো ছিল। এখন আমেরিকা নিজেকেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী শক্তি হিসেবে প্রমাণ করেছে। আর সবাই এখান থেকে শিক্ষা নিচ্ছে ও আমেরিকার ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করছে। সীমাহীন ও হঠকারী পররাষ্ট্রনীতির বলি হতে কেউই চায় না, আর এটাই (যুক্তরাষ্ট্রের) কৌশলগত পরাজয়।

মিত্রদের নিরাপত্তার জামিনদার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র যে তার গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে, তার প্রমাণ হিসেবে বেশ কয়েকটি সাম্প্রতিক ঘটনার কথা উল্লেখ করেন আলি ভায়েজ। তিনি বলেন, সৌদি আরব ট্রাম্পের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তি করে, আর তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা থেকে সরে আসেন। এটাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বিশ্বাসের সংকট। এখন আর তাদের সামরিক পরাক্রম বা কূটনৈতিক প্রতিশ্রুতি কোনোটির ওপরই ভরসা করা যায় না।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্য যুক্তি দিয়েছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা অত্যন্ত জরুরি এবং শেষ পর্যন্ত প্রবল সামরিক শক্তির মুখে তেহরান নতি স্বীকার করবেই। গত শুক্রবার তিনি বলেন, আমরা তাদের ওপর হামলা চালিয়ে যাব। আমরা তাদের অত্যন্ত শক্ত আঘাত করব। একটা সময়ে তারা বলতে বাধ্য হবে, ‘আমরা আর নিতে পারছি না।’ 

ইরানিদের ওপর যেটুকু আস্থা ছিল, তা-ও তিনি হারিয়ে ফেলছেন বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তার অভিযোগ, ইরানিরা ‘সবসময় কথা বলতে চায়’ কিন্তু আলোচনার পর কথা রাখে না। তিনি বলেন, ‘তারা ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়বে এবং একপর্যায়ে নিঃশেষ হয়ে যাবে।’


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রকে অভ্যন্তরীণভাবে শক্তিশালী করে বিদেশে বাড়িয়ে দিয়েছিল তার প্রভাব। কিন্তু তারপর থেকে আমেরিকার সামরিক সাফল্যের খতিয়ান বেশ মিশ্র। ভিয়েতনাম, ইরাক ও আফগানিস্তানের মতো জায়গায় লড়াইয়ের ক্ষয়ক্ষতি ও যন্ত্রণা সহ্য করতে প্রস্তুত শত্রুপক্ষ শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধও একই পথে হাঁটতে পারে, যেখানে ক্ষয়ক্ষতির বোঝা কমিয়ে পিছু হটার যুক্তিসংগত কোনো বাহানা হয়তো শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনকেই খুঁজতে হবে।

সাবেক মার্কিন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক ও বর্তমানে কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের সিনিয়র ফেলো অ্যারন ডেভিড মিলার বলেন, এই সংঘাত ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রতিরোধ সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে দুর্বল করে ফেলেছে, মিত্রদের অসন্তুষ্ট করেছে এবং শত্রুপক্ষকে আনন্দিত করেছে। আর হরমুজ প্রণালি যদি সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবে চলে যায়, তবে এটি কোনো কৌশলগত পরাজয়ের চেয়ে কম কিছু হবে না।

প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মতো অতি-প্রয়োজনীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চরম ঘাটতি ইউক্রেনের ওপর পরোক্ষভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এটি রাশিয়া, চীন ও নেটো জোটকে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, অন্তত আগামী কয়েক বছর মিত্রদের সমরাস্ত্র সরবরাহ বজায় রাখা এবং দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা অনেকটাই কমে গেছে। 

ফরাসি নিরাপত্তা বিশ্লেষক ফ্রাঁসোয়া হেইসবুর্গ বলেন, এই যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ জোটকেও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ অন্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার আশাস দিয়ে ট্রাম্পকে প্ররোচিত করেছিলেন।

হেইসবুর্গ ও ভায়েজ উভয়েই একমত হন যে, এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাটি চলছে ইরান ও ওমানের মধ্যে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। ভায়েজ জানান, ইরান প্রণালির উত্তরাঞ্চলীয় নৌপথের একক নিয়ন্ত্রণ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় পথটির যৌথ নিয়ন্ত্রণ চায়, যা তাদের এই জলপথে জাহাজ চলাচলের ওপর কার্যকরী ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা এনে দেবে। অন্যদিকে ওমান (যাদের ওপর সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব রয়েছে বলে ইরান মনে করে) ঐচ্ছিক পারাপার ফি চালুর প্রস্তাব দিয়েছে, যার বিপরীতে ইরান বাধ্যতামূলক ফি দাবি করছে।

ফ্রাঁসোয়া হেইসবুর্গ সতর্ক করে বলেন, আমরা এতদিন সমুদ্র আইনকে যেভাবে জেনে এসেছি, যুদ্ধটি হয়তো তার সমাপ্তি ঘটাতে যাচ্ছে। জন্মলগ্ন থেকেই সমুদ্রে অবাধ চলাচল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্বার্থ ছিল, যা এখন গভীর ঝুঁকিতে পড়েছে। 

বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে কোনো চুক্তি হলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তা মেনে নেবেন- এমন কোনো গ্যারান্টি দেখতে পাচ্ছে না ইরানি কর্মকর্তারা। ট্রাম্প যে ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি বাতিল করেছিলেন এবং সাম্প্রতিক পারমাণবিক আলোচনার চলাকালীনও দুইবার ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছিলেন, তা তেহরানের মনে আছে। 

আলি ভায়েজ বলেন, তাই ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন কোনো সমঝোতা স্মারকে যাওয়ার আগে হরজুম সম্পর্কিত চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের জোর দাবি জানাচ্ছে ইরান। এর পাশাপাশি দেশটি পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়ারও দাবি করছে।

ভায়েজ বলেন, ‘ইরানের হিসাব অত্যন্ত সহজ।’ তাদের আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো যখন ব্যাকফুটে, তখন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সুবিধা আদায় করতে এবং ইরানে যেন আর কোনো হামলা না হয় তার নিশ্চয়তা পেতে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। তাদের মিত্র ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা বাব আল-মানদেব প্রণালি অবরুদ্ধ করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা ইরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করছে। এশিয়ায় সৌদি তেল রফতানির একটি বড় অংশ এই প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হয়।

তবে অর্থনৈতিক কূটনীতি বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘বুরসে অ্যান্ড বাজার ফাউন্ডেশন’-এর এসফান্দিয়ার বাতমাঙ্গেলিচ যুক্তি দেন, ইরানের যেসব নীতিনির্ধারক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার পক্ষে, তারাও হরমুজ প্রণালি বা অন্য কোনো ইস্যুতে কোনো চুক্তিতে ট্রাম্প স্থির থাকবেন কি না, তা নিয়ে আস্থাহীনতায় ভুগছেন।

বাতমাঙ্গেলিচ বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কূটনীতির মাধ্যমে কী অর্জিত হতে পারে তা নিয়ে ভীষণ নিরাশ হয়ে পড়েছেন ইরানি নেতারা। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানি নেতাদের অনেকেই ট্রাম্পকে এক খামখেয়ালি ও অনিশ্চিত শাসক হিসেবে দেখেন। যে দেশ নিজেদের মিত্রদেরই কোণঠাসা করে ফেলে, তাদের সঙ্গে চুক্তি করে কতটুকু সফল হওয়া সম্ভব তা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় রয়েছে তেহরানের।

নিউইয়র্ক টাইমস লিখেছে, ওয়াশিংটন এমন এক যুদ্ধ শুরু করেছে যা কীভাবে জিততে হবে, কিংবা শেষ করতে হবে তা তারা নিজেরাও জানে বলে মনে হয় না। অন্যদিকে কোনো চুক্তি বাস্তবায়ন হবে কি না তা নিয়ে ইরানের মনে গভীর অবিশ্বাস কাজ করছে। আলি ভায়েজের মতে, আগামী সপ্তাহগুলোতে হয়তো একের পর এক অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির চক্রই দেখতে পাওয়া যাবে, যা রূপ নিতে যাচ্ছে এক নতুন ধারার ‘অনন্ত যুদ্ধে’।

সময়ের আলো/এসএকে


  বিষয়:   ইরান  ট্রাম্প  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: