ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের বাবার সম্পত্তি তদন্তের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের বাবার আর্থিক লেনদেন ও সম্পত্তির বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছেন গুজরাটের সুরাট

2026-08-02T21:31:15+00:00
2026-08-02T21:31:15+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের বাবার সম্পত্তি তদন্তের দাবি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩১ পিএম 
ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ও তার বাবা-মা। ছবি : দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের বাবার আর্থিক লেনদেন ও সম্পত্তির বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছেন গুজরাটের সুরাট শহরের এক তথ্য অধিকার (আরটিআই) কর্মী।  

ওই অধিকারকর্মী মহারাষ্ট্র সরকারের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও তিনি কীভাবে ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়ে উচ্চশিক্ষার খরচ জুগিয়েছেন বলে প্রশ্ন তুলেছেন। ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) এবং কর কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত চিঠি দিয়ে আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারি এই তদন্তের আবেদন জানান। 

একইসঙ্গে তিনি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র পুলিশি মামলার সম্মুখীন হওয়া আন্দোলনকারীদের আইনি সহায়তার জন্য বর্ষীয়ান আইনজীবী ও রাজ্যসভার সংসদ সদস্য কপিল শিবালের ঘোষিত ১ কোটি রুপি তহবিলের বিষয়াটিও গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখার দাবি জানান। 

অমিত তিওয়ারি জানান, অভিজিৎ দীপকের বাবা ভগবানরাও দীপকে মহারাষ্ট্র সরকারের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ছিলেন। একজন সরকারি কর্মকর্তার সীমিত আয়ে সন্তানকে বিদেশে পাঠিয়ে পড়াশোনা করানোর পেছনে কোনো আর্থিক অসঙ্গতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। 

পাশাপাশি, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র রাজনৈতিক বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিওয়ারি। একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিয়ে এমন সংস্থা তহবিল গ্রহণ করতে পারে কি না, সে বিষয়েও আলোকপাত করেন তিনি। 

অমিত তিওয়ারি বলেন, ককরোচ জনতা পার্টি একটি অনিবন্ধিত সংস্থা হওয়া সত্ত্বেও তারা একটি রাজনৈতিক দলের ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যদি এই সংস্থাকে আইনি সহায়তা হিসেবে ১ কোটি রুপি দেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়ে থাকে, তবে নির্বাচন কমিশনের উচিত অবিলম্বে যাচাই করা যে সিজেপি ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২৯এ ধারার অধীনে নিবন্ধিত কি না। 


তিনি আরও বলেন, সংস্থাটি যদি নিবন্ধিত না হয়ে থাকে, তবে রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে এর কার্যক্রম চালানো ও তহবিল সংগ্রহ করা বা গ্রহণ করার বিষয়টি আইনের আওতায় এনে পরীক্ষা করা আবশ্যক। 

এখানেই ক্ষান্ত না হয়ে অমিত তিওয়ারি ‘সেন্ট্রাল বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস’-এর (সিবিআইসি) কাছেও আবেদন জানিয়েছেন। 

সেখানে তিনি প্রশ্ন তোলেন, আন্দোলনকারীদের আইনি সহায়তা দিতে কপিল শিবালের প্রস্তাবিত এই অনুদানের ওপর জিএসটি (পণ্য ও সেবা কর) প্রযোজ্য হবে কি না, তা যেন খতিয়ে দেখা হয়।  

উল্লেখ্য, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কের জেরে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া আন্দোলনকারীদের আইনি সহায়তা দিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ একটি বিশেষ তহবিল গঠন করে। 

গত ২৭ জুলাই বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল শিবাল সেই তহবিলে ১ কোটি রুপি অনুদান দেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছিলেন।


সময়ের আলো/ইউএমএইচ
 

  বিষয়:   অভিজিৎ দীপকে  ককরোচ জনতা পার্টি  তদন্ত 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: