মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধসের পর ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের নিয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নানা প্রশ্ন সামনে আসছে। ছবি : সংগৃহীতমার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধসের পর ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের নিয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নানা প্রশ্ন সামনে আসছে। তবে এর কোনো সহজ উত্তর নেই, কারণ রিপাবলিকানরা এখন দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জের মুখে তারা কি ‘ট্রাম্পের নীতি ও রাজনৈতিক ভাবধারায়’ আরও বেশি জোর দেবে, নাকি ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ সময়ে নতুন কোনো পথে এগোবে। ফ্লোরিডার বিদায়ি গভর্নর রন ডিস্যান্টিস এই মধ্যবর্তী নির্বাচনকে রিপাবলিকানদের জন্য ‘প্রায় ধ্বংসাত্মক এক ঘটনা’ বলে বর্ণনা করেছেন। অন্যদের কথায় অবশ্য কিছুটা ইতিবাচক সুর শোনা গেছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, যিনি মধ্যবর্তী নির্বাচনের এই ফলাফলের জন্য ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভকে দায়ী করেছেন।
তিনি বলেন, দলটি এই পরিস্থিতিতে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। তা সত্ত্বেও ভ্যান্সের মতে এর পরবর্তী পরিণতি বেশ বিশৃঙ্খল হবে।
ভ্যান্স বলেন, কী ঘটেছে এবং কেন ঘটেছে তা নিয়ে অনেক কোন্দল ও বিতর্ক হবে। ডানপন্থিদের এমন বৈচিত্র্যময় প্রতিক্রিয়া সেই মতভেদকেই তুলে ধরে, যা ২০১৬ সালে ট্রাম্পের অপ্রত্যাশিত উত্থানের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল এবং এটি কখনোই পুরোপুরি দূর হয়নি। কোন দল বা পক্ষ জয়ী হবে তা এখনই বলা মুশকিল। তবে রিপাবলিকানরা যখন নিজেদের ক্ষত সারানোর চেষ্টা করছে, ভ্যান্সের ভবিষ্যৎবাণী করা সেই আন্তঃদলীয় লড়াই ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।
রিপাবলিকান কৌশলবিদ রিনা শাহ বলেন, দলটিকে এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা কি একজন ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল থাকবে, নাকি রক্ষণশীলতার মতো আরও বিস্তৃত ধারণার ওপর ভিত্তি করে গঠিত হবে যা একদম কট্টর রিপাবলিকান এলাকাগুলোর বাইরেও জয় এনে দিতে পারে। ডানপন্থার সমালোচক ‘নেভার ট্রাম্পার’ দল যারা ট্রাম্পের প্রথম হোয়াইট হাউস প্রচারের বিরোধিতা করেছিলেন নির্বাচনের দেশব্যাপী ঐতিহাসিক পরাজয়ের কথা উল্লেখ করে রিপাবলিকান পার্টিকে ট্রাম্প-পূর্ববর্তী মূল ভাবধারায় ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি করছেন।
ট্রাম্পের এক দশকের রাজত্বকালে দলটি অনেক বদলে গেছে। অধিকাংশ রিপাবলিকানই অভিবাসনের মতো অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে আরও কট্টর ডানপন্থার দিকে ঝুঁকেছেন। তারা জর্জ ডব্লিউ বুশের আমলের সেই সামরিক হস্তক্ষেপমূলক পররাষ্ট্রনীতি প্রত্যাখ্যান করেছেন, যা শেষ পর্যন্ত ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের জন্ম দিয়েছিল। কংগ্রেসে দলটির সেই তুলনামূলক মধ্যপন্থি ও মূলধারার অংশ যারা শুরু থেকেই ট্রাম্পকে অপছন্দ করতেন তারা বলতে গেলে আর নেই। তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ট্রাম্প সমর্থক কট্টর রক্ষণশীলরা, যারা ট্রাম্পের দেশপ্রেমী ও জনতাবাদী স্লোগানেরই প্রতিধ্বনি তোলেন।
চলতি বছরেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। টেক্সাসের জন কর্নিন এবং মেইনের সুসান কলিন্সের মতো পুরোনো ঘরানার রিপাবলিকানরা, যারা বছরের পর বছর ধরে ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন, তারা ভোটে হেরে বিদায় নিয়েছেন। নির্বাচনের তিন দিন পর ট্রাম্প সুসি ওয়াইলসকে সরিয়ে স্টিফেন মিলারকে তার নতুন হোয়াইট হাউস চিফ অব স্টাফ হিসেবে নিযুক্ত করেছেন। এই পদক্ষেপ ইঙ্গিত দেয়, ট্রাম্পের তার ক্ষমতার অবশিষ্ট বছরগুলোতে নিজের নীতি বা অবস্থানে নমনীয়তা আনার কোনো পরিকল্পনা নেই। মিলার, যিনি প্রেসিডেন্টের মুখ্য অভ্যন্তরীণ নীতি উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্পের অনুগত সহযোগী এবং তার কঠোর অভিবাসন নীতির জন্য পরিচিত।
‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ আন্দোলনের অন্যতম রূপকার স্টিভ ব্যানন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর দলটিতে এক ‘গৃহযুদ্ধের’ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পরবর্তীতে তিনি রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য অর্থনীতি এবং ‘বৈদেশিক যুদ্ধকে’ দায়ী করেন। তিনি ট্রাম্পকে ঢালাওভাবে অবৈধ অভিবাসী বিতাড়নের ওপর আরও জোর দেওয়ার আহ্বান জানান। তবে অন্যান্য রিপাবলিকান কৌশলবিদরা বলেছেন, এই মধ্যবর্তী নির্বাচন ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ (মাগা) ভক্তদের জন্য একটি বড় ধাক্কা এবং সতর্কবার্তা, যারা ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির পরেও তার এই রাজনৈতিক আন্দোলনকে টিকিয়ে রাখতে চান। রিপাবলিকান কৌশলবিদ উইট এয়ার্স বলেন, এখনও অনেক মাগাভক্ত ভোটার রয়েছেন যারা সব পরিস্থিতিতেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে রিপাবলিকান পার্টির একটি বড় অংশ রয়েছে যারা মাগাভক্ত নন এবং তারাই এখন সংখ্যাগরিষ্ঠ।
এখন প্রশ্ন হলো রিপাবলিকান প্রার্থীদের ট্রাম্পের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা উচিত কি না। টেক্সাস ও কানসাসের মতো ঐতিহ্যগতভাবে কট্টর রিপাবলিকান রাজ্যগুলোতে যেখানে ডেমোক্র্যাটরা কয়েক দশক ধরে ক্ষমতার বাইরে ছিল এবং যেখানে ট্রাম্প নিজেই জয় পেয়েছিলেন সেখানেও রিপাবলিকান দল প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পাশাপাশি গভর্নর পদ ও রাজ্য আইনসভার নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে। ২০২৪ সালে ট্রাম্প অন্যান্য মূল ভোটার গোষ্ঠীর পাশাপাশি ল্যাটিনো এবং তরুণ ভোটারদের সমর্থন বাড়িয়ে রিপাবলিকানদের ভিত্তি আরও বিস্তৃত করেছিলেন।
রিপাবলিকানরা তখন এই সাফল্যকে দলের ভবিষ্যৎ শক্তির প্রতীক হিসেবে উদযাপন করে। কিন্তু মাত্র দুই বছর পর, দলটি প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ভোটার ব্লকে নিজেদের অবস্থান হারিয়েছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের ভোটার তথ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থীদের প্রতি ল্যাটিনো সমর্থন ২৯ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে। এ ছাড়া ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সি তরুণ ভোটারদের সমর্থন বেড়েছে ৩৩ পয়েন্ট।
ভোটারদের এই বড় ধরনের পরিবর্তন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগের সেই জনমত জরিপগুলোরই প্রতিফলন ঘটিয়েছে, যেখানে অর্থনীতি, অভিবাসন এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের বিষয়ে ট্রাম্পের ভূমিকা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জনগণের ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছিল। ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প পরিবার ও তার প্রশাসনের মধ্যে দুর্নীতি এবং স্বজনপ্রীতির যে ধারণা তৈরি হয়েছিল, সেটিকেও নিজেদের রাজনৈতিক সুবিধায় কাজে লাগিয়েছে। পাশাপাশি হোয়াইট হাউসের বলরুম ও ওয়াশিংটনের অন্যান্য নির্মাণ প্রকল্পের দিকে প্রেসিডেন্টের অতিরিক্ত মনোযোগ সাধারণ ভোটারদের মনে এই ধারণার জন্ম দেয় যে, জীবনযাত্রার ব্যয় ও মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানের চেয়ে তিনি নিজের ব্যক্তিগত ঐতিহ্য ও ভাবমূর্তি ধরে রাখতেই বেশি ব্যস্ত ছিলেন।
অস্টিনের ‘ইয়ং রিপাবলিকানস’ এর নেতা শ্রাডারের মনোভাবও ঠিক এমনই। নির্বাচনের ফলাফলের পর ট্রাম্প তার প্রথম প্রকাশ্যে আসা অনুষ্ঠানটিতে কীভাবে হোয়াইট হাউসের বলরুম প্রকল্প ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখিয়েছেন সে বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে শ্রাডার বলেন, ট্রাম্প এখনও এক ‘প্রাকৃতিক পরাশক্তি’।
তবে তিনি আরও বলেন, আমি এমন সব বিষয় ও ইস্যুতে নজর দিতাম যা বলরুম নয় কিংবা কোনো কিছুর নাম পরিবর্তন করা নয়। আমার মনোযোগ থাকত সেই বিষয়গুলোর ওপর, যা সত্যিই সাধারণ মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যবর্তী নির্বাচনের তাৎক্ষণিক ফলাফলের যে চিত্র উঠে এসেছে, তা ইঙ্গিত দেয় যে ২০২৮ সালের নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের কাছ থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখলেই রিপাবলিকানরা বেশি লাভবান হতে পারেন।
রিপাবলিকান শিবিরে ভ্যান্স ছিলেন ফেবারিট। তবে এখন লড়াই সব পক্ষের জন্যই পুরোপুরি উন্মুক্ত। ভ্যান্স মধ্যবর্তী নির্বাচনের মূল্যায়নে খুব হিসাব-নিকাশ করে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন। তিনি পরাজয়ের জন্য ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছেন এবং ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ (আমেরিকা আগে) নীতিতে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এটি একটি সূক্ষ্ম সমালোচনা ছিল, যেখানে তিনি একটি অপ্রিয় যুদ্ধের প্রশ্নে ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন, অথচ একই সঙ্গে মাগা সমর্থক গোষ্ঠীর কাছে জনপ্রিয় সেই রাজনৈতিক ভাবমূর্তিকেও আলিঙ্গন করেন।
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপগুলোর ওপর তার দল ২০২৮ সালের নির্বাচনের সমীকরণের স্বার্থেই নজর রাখবে। কারণ এই উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেলে ভ্যান্স এবং অন্যান্য ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ সমর্থকদের প্রকাশ করা উদ্বেগের পালে নতুন করে হাওয়া লাগার ঝুঁকি তৈরি হবে। এক্সে দেওয়া তার নির্বাচন-পরবর্তী বিশ্লেষণমূলক বিবৃতিতে ভ্যান্স ইসরাইলে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা পুনর্বিবেচনা করার বিষয়ে ডানপন্থিদের মধ্যে বাড়তে থাকা দাবির প্রতিও সুর মিলিয়েছেন। তবে তিনি অভিবাসন আইন প্রয়োগে কিছু পরিবর্তনের বিষয়েও খোলামেলা মনোভাব দেখিয়েছেন। আর এই অবস্থান মিলারের নীতির সঙ্গে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক যিনি ভ্যান্সের মিত্র হওয়া সত্ত্বেও প্রেসিডেন্টের দ্বিতীয় মেয়াদের অভিবাসন এজেন্ডার মূল রূপকার ছিলেন। রাজনৈতিক কৌশলবিদদের মতে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলের এই ভরাডুবি ২০২৮ সালের মনোনয়নের ক্ষেত্রে ভ্যান্সের পথকে বেশ জটিল করে তুলেছে।
এয়ার্স বলেন, এই মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ২০২৮ সালে রিপাবলিকান মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে জেডি ভ্যান্সই ছিলেন সবচেয়ে ফেবারিট বা এগিয়ে থাকা প্রার্থী। কিন্তু এই নির্বাচনের পর, মনোনয়নের সেই লড়াই এখন সবার জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়ে গেছে। ট্রাম্পের সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের সামনে নিজেদের বিকল্পগুলো ভেবে দেখার জন্য কিছুটা সময় থাকলেও শিগগিরই তাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট পদে লড়াই করতে ইচ্ছুক যে কাউকেই আগামী কয়েক মাসের মধ্যে হোয়াইট হাউস প্রার্থিতা ঘোষণার জন্য চাপের মুখে পড়তে হবে। এমনকি কেউ কেউ চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই প্রচার শুরু করতে পারেন।
ভ্যান্সের এই নির্বাচনি বিশ্লেষণকে অনেকেই তার নির্বাচনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনার এক অনানুষ্ঠানিক ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন। ফলে শেষ পর্যন্ত এই প্রাথমিক নির্বাচনে যে বহু প্রার্থীর ভিড় জমবে, তা একপ্রকার নিশ্চিত। হোয়াইট হাউসের সম্ভাব্য অন্যান্য দাবিদারদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজ, ফ্লোরিডার গভর্নর ডিস্যান্টিস, জাতিসংঘে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি এবং নিউ জার্সির সাবেক গভর্নর ক্রিস ক্রিস্টি ছাড়াও তালিকায় আরও অনেকে রয়েছেন। পরবর্তী নির্বাচনি চক্রে, রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ও কংগ্রেস প্রার্থীদের ইসরাইলে মার্কিন সমর্থন থেকে শুরু করে ট্যারিফ বা শুল্ক নীতি এবং এআই বিপ্লবের মতো সময়ের প্রধান প্রধান বিষয়গুলোতে বেশ কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ দুই বছরে পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার প্রভাব কিছুটা হ্রাস পেতে পারে, তবে আগামী দুই বছর দলের মধ্যে তার কণ্ঠস্বরই সবচেয়ে জোরালো থাকবে। কিন্তু এই উত্তরসূরি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় তিনি গভীরভাবে হস্তক্ষেপ করবেন নাকি দূরে থাকবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে ভ্যান্স এবং রুবিওর প্রশংসা করেছেন, তবে তার স্থানে তিনি কাকে দেখতে চান সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর তিনি এড়িয়ে গেছেন। এয়ার্স বলেন, কারা শেষ পর্যন্ত এই দৌড়ে নামবেন তা সময়ই বলে দেবে। তবে আমার ধারণা, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে আমরা যেমনটা ভেবেছিলাম, প্রার্থী তালিকা তার চেয়ে অনেক বড় এবং আরও বৈচিত্র্যময় হতে যাচ্ছে।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/এমকে