পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার এক বছর পর গৃহীত হলো শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতের আবেদন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন সৈকত। আইসিসির এলিট প্যানেলের এই আম্পায়ার বিসিবি থেকে এই এক বছরে নিয়মিত বেতনও পেয়েছেন। তবে তার পদত্যাগ কার্যকর হয়েছে চলতি বছরের এপ্রিলে।
গত বছর ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ (ডিপিএল) চলাকালে মাঠে তার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন তাওহীদ হৃদয়। মাঠে বেশ রাগান্বিত অবস্থায় কথা বলতে দেখা গিয়েছিল মোহামেডানের অধিনায়ককে।
এরপর সংবাদমাধ্যমে হৃদয় মন্তব্য করেন, তিনি (সৈকত) আন্তর্জাতিক আম্পায়ার হলে, আমিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। মাঠের অশোভন আচরণ ও ম্যাচ পরবর্তী মন্তব্যের প্রেক্ষিতে হৃদয়ের ওপর শাস্তির খড়গ নেমে আসা ছিল অবধারিত। তবে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে করা হয়, এক ম্যাচ।
আর এমন লঘু শাস্তির বিরোধিতা করে ইস্তফা জমা দেন সৈকত। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তার পদত্যাগের আবেদন ঝুলে ছিল। মাঝে পরিবর্তন হয়েছে বোর্ড কর্তারাও। অবশেষে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বিসিবি সৈকতের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে।
বিগত বোর্ড সৈকতকে আম্পায়ারদের প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে চেয়েছিল। কিন্তু এই মুহূর্তে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে না, তিনি বিসিবির সঙ্গে সম্পর্কের সমাপ্তি টানায়। তবে বিসিবির চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেলেও, দেশের মাটিতে ম্যাচ পরিচালনা চালিয়ে যেতে চান সৈকত।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/এমকে