সফল সমাপ্তির সময় আমাদের হাতে ছিল না : সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

হাসসান আতিক

জাতীয়

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। বাংলাদেশের পরিবেশ আন্দোলনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিবেশ সংরক্ষণ, নদী-খাল, বনভূমি, জলাভূমি,

2026-08-05T01:09:20+00:00
2026-08-05T01:14:58+00:00
 
  বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬,
২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬
জাতীয়
বিশেষ সাক্ষাৎকার
সফল সমাপ্তির সময় আমাদের হাতে ছিল না : সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
হাসসান আতিক
প্রকাশ: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৯ এএম  আপডেট: ০৫.০৮.২০২৬ ১:১৪ এএম
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। ছবি : সময়ের আলো
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। বাংলাদেশের পরিবেশ আন্দোলনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিবেশ সংরক্ষণ, নদী-খাল, বনভূমি, জলাভূমি, শ্রমিকের অধিকার এবং টেকসই উন্নয়নের পক্ষে আইনি লড়াই করে আসছেন। তিনি বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বেলা) প্রধান নির্বাহী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। চব্বিশের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গণঅভ্যুত্থানের দিন, অন্তর্বর্তী সরকারের সফলতা-ব্যর্থতা, আশা-আকাক্সক্ষা, পরিবেশ, গণমাধ্যমসহ গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ে গতকাল আলাপ করেছেন সময়ের আলোর সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বার্তা সম্পাদক হাসসান আতিক


হাসসান আতিক : সালাম। আপনি ভিকারুননিসায় পড়েছেন। এখনকার কলেজের মেয়েরাও যেভাবে আন্দোলনমুখর হয়ে উঠল, তেজোদীপ্ত গলায় প্রতিবাদ করল, মিছিলে গেল, আপনাদের সময়ও কি এই মেজাজটা ছিল? কোনো ঘটনা?   

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান : আপনাকে সালাম ও শুভেচ্ছা। আপনার মাধ্যমে আপনার পাঠকদেরও শুভেচ্ছা। 

আমার স্কুলজীবনের শেষের দিকে দেশ পড়ে যায় এক স্বৈরশাসকের কবলে। আমার মনে পড়ে ক্লাস সেভেন এর ষান্মাসিক পরীক্ষার কোনো এক বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সময় হলে খবর আসে যে রাষ্ট্রপতি জিয়াকে হত্যা করা হয়েছে, তাই পরীক্ষা হবে না। আমার হাতের কলম থেমে যায়; কারণ আমি জানতাম আমার বাবা রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী ছিলেন। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দুদিন পার হয়, পরে জানতে পারি আমার বাবা বেঁচে আছেন। 

সেই হত্যাকাণ্ডের পরই মূলত দেশ এক দীর্ঘ সামরিক আর স্বৈরশাসকের কবলে পড়ে, যা আমার ছাত্রজীবনকে প্রভাবিত করেছিল। ৫ বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন সাত বছরে গড়ায়। কারণ স্বৈরশাসক ছাত্রদের কোনো আন্দোলন দেখলেই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করত। সেই সময়ের পটপরিবর্তনের প্রেক্ষিতে স্কুল পর্যায়ে আন্দোলন না হলেও পরবর্তী ছাত্রজীবনে সেই স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর সুযোগ হয়েছিল।

চব্বিশের ৫ আগস্টের দিনটি কেমন ছিল আপনার। সেদিন সকালটা কীভাবে শুরু হয়েছিল, মনে করতে পারছেন কি?  

অবশ্যই মনে পড়ে। কোনো সুখকর পরিবর্তন হবে- এমন আশায় সেদিন শুরু হয়নি। বরং আরও কত প্রাণ নেবে সেই আশঙ্কায় সকাল শুরু হয় বা বলতে পারেন রাত শেষ হয়। বেলা ১১টার দিকে আমার এক আত্মীয় বারিধারা থেকে ফোন করে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গোলাগুলি আর শিক্ষার্থীদের রক্তাক্ত হওয়ার খবর দেয়। আতঙ্কিত সেই আত্মীয় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনে থাকে। সে তার তিন শিশুসন্তান নিয়ে চরম আতঙ্কে কাঁদতে থাকে। আমি ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে কীভাবে সাহায্য করব বুঝতে পারছিলাম না। সেদিন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যারিকেড ভাঙবে ঘোষণা দেয়। সামিনা লুৎফা ফোন করে বলল আপা চলেন, আমাদের তো ছাত্রদের সামনে দাঁড়াতে হবে। আমি বাসা থেকে বের হব সে সময় হঠাৎ সেন্ট্রাল রোডের মোড়ে গোলাগুলি শুরু। চেষ্টা করলাম হাতিরপুল দিয়ে বের হওয়ার কিন্তু ততক্ষণে ব্যারিকেড ভাঙা হয়ে গেছে। আর তার কিছুক্ষণ পর এলো সেই চরম মুহূর্ত। জীবনে দ্বিতীয়বার স্বৈরশাসকের পতন দেখলাম।
 
রক্ত ধুয়ে এসেই রান্না বসাতে হয়। সেই রান্নার প্রধান পাচকদের একজন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিলেন। যাত্রা-চব্বিশের ৮ আগস্ট, যতি ছাব্বিশের ১৬ ফেব্রুয়ারি। দেড় বছরের বেশি সময় রাষ্ট্রক্ষমতার শীর্ষ পর্যায়ে ছিলেন। পুরো সময়টার মূল্যায়ন করুন। কোন পাল্লা ভারী- সফলতা নাকি ব্যর্থতার?

একটি দেড় বছরের সরকারকে আমি সফল বা ব্যর্থ এই মানদণ্ডে বিচার করব না। আকাশছোঁয়া জনপ্রত্যাশার বিপরীতে সময়, রাজনৈতিক সমর্থন (জনসমর্থন নয়) দুটোই অপর্যাপ্ত ছিল। ছিল ক্রমাগত অপপ্রচার আর তাড়া। তার বিপরীতে পরিবর্তনের একটা প্রক্রিয়া শুরু করা গিয়েছিল বলে আমি মনে করি। কিছু উদাহরণ দিই- প্রচুর অপপ্রচার প্রতিহত করে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটন নিয়ন্ত্রণ করা গেছে। তীব্র বাধার মুখেও সিলেটে পাথর তোলা বন্ধ করা গেছে। এসব অর্জন সহজ ছিল না, এখানে রাজনৈতিক আর অর্থনৈতিক বাধা ছিল। এখন যদি রাজনৈতিক সরকার সুবিধাভোগীদের স্বার্থের বিপরীতে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে এসব নিয়ন্ত্রণ চালু রাখে, তবেই সফল হওয়া যাবে। পদ্মা সেতু প্রকল্পের বন্ধ ফাইল বের করে আনা হয়েছে এবং বর্তমান সরকার তা প্রাধিকার বিবেচনায় অনুমোদনও দিয়েছে। 

তিস্তা প্রকল্পের আলোচনা অনেক দূর আগানো হয়েছে, ঢাকার ৪ নদী রক্ষায় বিশ্বব্যাংক অর্থায়নে সম্মত হয়েছে, তিস্তাপাড়ে ২০২৫ সালে সর্বনিম্ন ভাঙন হয়েছে, ভবদহ এলাকায় জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে মধ্যমেয়াদি কাজ শুরু হয়েছে, দেশের ৮ বিভাগের ৮টি নদী দক্ষিণ- দূষণমুক্ত করার প্রকল্প পাস হয়েছে, প্রাণ ফিরেছে বড়াল আর সোমেশ্বরী নদীতে, ২০২৪ সালে গাছ কাটা ৭১ ভাগ কমেছে, পলিথিন আর হর্নের বিরুদ্ধে আইনের প্রয়োগ শুরু হয়েছে- এগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ সূচনা। 

কাজ তখনই সফল বলা যাবে যখন এর পরিপূর্ণ সুফল জনগণ পাবে। আশা করি বর্তমান সরকার কাজগুলো ত্বরিত আর স্বচ্ছতার সঙ্গে শেষ করবে। আমি যেসব দফতরের দায়িত্বে ছিলাম, সেখানে প্রচুর কাজ করার সুযোগ আছে। আমি চেষ্টা করেছি পরিবেশ আর পানির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজ শুরু করে দিতে। আমার বিবেচনায় শুরুটা করা গেছে। তবে যেটা আগে বললাম- কাজের ধারাবাহিকতার ওপর নির্ভর করবে শেষ পরিণতি। যেহেতু সফল সমাপ্তির সময় আমাদের হাতে ছিল না, আশা করি নতুন সরকার ভালো কাজগুলোর মূল্যায়ন করবে আর তা সুসম্পন্ন করবে। সংসদকে ধন্যবাদ যে আমার দায়িত্বে থাকা মন্ত্রণালয়গুলোর ৫টি অধ্যাদেশই হুবহু আইন হিসেবে পাস করা হয়েছে। এবার কাজ করতে হবে প্রয়োগে, যার জন্য বর্তমান সরকার পাঁচ বছর সময় পেয়েছে।

পরিবেশ রক্ষায় দেশের মানুষের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনে কোনো বিশেষ উদ্যোগ নিতে পেরেছিলেন কি? 

মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনই আসলে সময়সাপেক্ষ। যদি সাধারণ মানুষের কথা বলেন, আমার ধারণা মানুষ হর্নের বিষয়ে তাদের বিরক্তি প্রকাশের সুযোগ পেয়েছে, তারা বুঝেছে কেন সেন্টমার্টিন দ্বীপ নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। কিন্তু দীর্ঘদিনের  অভ্যাস থেকে মানুষকে ফেরাতে ক্রমাগত প্রচার আর প্রয়োগের প্রয়োজন, যার জন্য পর্যাপ্ত সময় আমরা পাইনি। আর যদি বলেন বালুখেকো আর পাথরখেকোদের কথা, তারা ততদিন বদলাবে না, যতদিন মূলধারার রাজনৈতিক দর্শন আর মূল্যবোধে পরিবর্তন না আসে।

বাংলাদেশের সব মহলেই একটা আলাপ আছে, একটা শব্দ আছে- ‘সিন্ডিকেট’। এই উপাধি বহনকারীদের সঙ্গে দেখা হয়েছিল? নাকি শেখ হাসিনার আমলের মতো অদৃশ্যই থেকে গেছে?  

সিলেটে পাথর ভাঙার ক্ষেত্রে দেখেছি, জাহাজ ভাঙার ক্ষেত্রেও দেখেছি। তারা দৃশ্যমান এবং নির্লজ্জ। এই সিন্ডিকেট বেপরোয়া কারণ তাদের রাজনৈতিক আশ্রয় সুনিশ্চিত। পানি সম্পদে দেখেছি কিছু কন্ট্রাক্টরই ঘুরেফিরে কাজ পায়। এর বিরুদ্ধে কথা বলেছি, ফলস্বরূপ নতুন প্রকিউরমেন্ট বিধি এসেছে। এর সুফল পাওয়া গেছে কি না, তা আর দেখে আসার সময় হয়নি।

আপনি বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বা বেলার প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পরিবেশ রক্ষায় বেলার নেওয়া বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ যেগুলো আওয়ামী আমলে বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হয়নি, আপনি উপদেষ্টা হওয়ার পর সেসব কাজ কিছুটা সহজ করতে পেরেছিলেন কি? 

কিছু কিছু ক্ষেত্রে পারা গেছে। যেমন বিদেশি ক্ষতিকর গাছ লাগানো নিষিদ্ধ করা, হাওড়ে পর্যটন পরিচালনায় নিয়ন্ত্রণ আনা, হাওড় অধিদফতরের আইনি ক্ষমতা প্রদান করা, জাতিসংঘের ১৯৯২ সালের পানি-সংক্রান্ত কনভেনশন স্বাক্ষর করা, বেশ পরিমাণ বনভূমি তথাকথিত উন্নয়ন প্রকল্পে ফেরত আনা ইত্যাদি।

আপনি পরে অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়েরও উপদেষ্টা হয়েছেন। বাংলাদেশের মিডিয়াকে কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন? ভালো-মন্দ দুই দিক নিয়েই বলুন? 

আমি মাত্র দেড় মাস তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলাম। আমার মনে হয়েছে এই মন্ত্রণালয়কে সব সরকারই নিয়ন্ত্রণ করেছে, কেউ এর বিকাশে কাজ করেনি। অর্থাৎ তথ্য নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারগুলো যতটা বিনিয়োগ করে, তথ্যের বিকাশে তারা তার কিয়দংশও করে না। এই যুগে এই মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে মন্ত্রণালয়টি তার প্রাসঙ্গিকতা হারাতে পারে। যেমন হারিয়েছে বিটিভি। যদি আসি মিডিয়া প্রসঙ্গে- আমার মনে হয় মিডিয়ার আত্মবিশ্লেষণ জরুরি। মিডিয়া যেন কোনো গোষ্ঠীর বা দলের কুক্ষিগত না হয়ে পড়ে। মিডিয়াকে যেন কেউ লেজুড়বৃত্তির কাজে ব্যবহার করতে না পারে, সে জন্য মনস্তাত্ত্বিক প্রবর্তন ও আইন, দুটোই প্রয়োজন। আইন প্রয়োজন সাংবাদিক আর সাংবাদিকতার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে, মানোন্নয়ে ও স্বার্থ রক্ষায়। 


ঢাকার বাইরে সাংবাদিকদের দশা বড় করুণ। মাঝেমধ্যে এমনকি বড় বড় মিডিয়া হাউসে বেতন বাকি পড়ে। নির্বিচারে ছাঁটাই করা হয় সংবাদকর্মীদের। এসব নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যেমন মানসম্মত সংবাদমাধ্যম পাওয়া যাবে না, তেমনি মানসম্মত সংবাদকর্মীও তেমন তৈরি হবে না। আর এর খেসারত দিতে হবে দেশ ও জনগণকে। সংবাদমাধ্যমগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিদ্যমান প্রেস কাউন্সিল আইন দিয়ে তা করা যাবে না। একটি শক্তিশালী কাউন্সিল গঠন করে মিডিয়ার সার্বিক বিষয়ে কাজ করতে হবে। স্বল্পসময়ে আমি কিছু খসড়া করে দিয়ে এসেছিলাম, কিন্তু তা রাজনৈতিক সমর্থন পাবে কি না তা অনিশ্চিত।

আপনি উপদেষ্টা থাকাকালীন দারুণ সব শাড়ি পরতেন। ছবি ও ভিডিওতে দেখতাম। আপনি কি জানেন দেশের অনেক মানুষই আপনার রুচির প্রশংসা করেন? 

অনেক ধন্যবাদ।

অনেক নামিদামি পুরস্কার পেয়েছেন। জীবনে সবচেয়ে বড় পুরস্কার কোনটি মনে হয়? 

জীবনে সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে মানুষের বিশ্বাস অর্জন। আমার ধারণা- আমার সঙ্গে যারা কাজ করেন, তারা আমাকে বিশ্বাস করেন। এটাই আমার শক্তি।

বাংলাদেশে এখন একটি ইস্যু খুব আলোচিত। কে হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি। আপনাকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিতে বললে নেবেন? 

আমাকে এমন প্রস্তাব কেন দেবে? আমার তো এখনও অনেক কাজ বাকি রয়ে গেছে। আমি তাই বিনয়ের সঙ্গে এমন প্রস্তাব ফিরিয়ে দেব। তবে দেশ একজন ক্ষমতায়িত, বিবেকবান অভিভাবককে রাষ্ট্রপতি হিসেবে পাক, সেই প্রত্যাশা থাকল।

অফুরান ধন্যবাদ অতি ব্যস্ততার মাঝেও সময় দেওয়ার জন্য

ধন্যবাদ সময়ের আলোকেও।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি


  বিষয়:   সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান  গণ-অভ্যুত্থান  অন্তর্বর্তী সরকার 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: