হিরোশিমায় বোমা হামলার ৮১ বছর আজ

সময়ের আলো ডেস্ক

বিবিধ

হিরোশিমায় বোমা হামলার ৮১ বছর আজ। ৬ আগস্ট বিশ্বজুড়ে গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয় হিরোশিমা দিবস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের

2026-08-06T10:34:50+00:00
2026-08-06T10:36:03+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৭ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিবিধ
হিরোশিমায় বোমা হামলার ৮১ বছর আজ
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৪ এএম  আপডেট: ০৬.০৮.২০২৬ ১০:৩৬ এএম
হিরোশিমায় বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত এক ভবন। ছবি : সংগৃহীত
হিরোশিমায় বোমা হামলার ৮১ বছর আজ। ৬ আগস্ট বিশ্বজুড়ে গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয় হিরোশিমা দিবস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে সংঘটিত মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ পারমাণবিক হামলার স্মৃতি বহন করে এই দিন। পারমাণবিক অস্ত্রের ধ্বংসাত্মক পরিণতি সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করা, যুদ্ধবিরোধী চেতনা জাগিয়ে তোলা এবং শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এই দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য।

১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে মার্কিন বিমান বাহিনীর ‘এনোলা গে’ নামের বি-২৯ বোমারু বিমান থেকে জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর নিক্ষেপ করা হয় ‘লিটল বয়’ নামে পারমাণবিক বোমা। মাত্র তিন দিন পর, ৯ আগস্ট, নাগাসাকি শহরের ওপর ফেলা হয় দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা ‘ফ্যাট ম্যান’। এই দুটি অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বিমানের পাইলট পল ডব্লিউ টিবেটস জুনিয়র এবং অস্ত্র বিশেষজ্ঞ উইলিয়াম স্টার্লিং পার্সনস। হামলায় হিরোশিমায় অবস্থানরত প্রায় ৪০ হাজার এবং নাগাসাকিতে প্রায় ৯ হাজার জাপানি সৈন্য নিহত হন। এছাড়া প্রাণ হারান ২০ জন মার্কিন, ডাচ ও ব্রিটিশ যুদ্ধবন্দিও।


এই দুই পারমাণবিক হামলার ফলে নেমে আসে এক অভূতপূর্ব মানবিক বিপর্যয়। ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই হিরোশিমায় প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার এবং নাগাসাকিতে প্রায় ৭৪ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে, যাদের অধিকাংশই ছিলেন নিরীহ সাধারণ নাগরিক। পরবর্তী বছরগুলোতে তেজস্ক্রিয়তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবে হিরোশিমায় প্রায় ২ লাখ ৩৭ হাজার এবং নাগাসাকিতে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার মানুষ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন বলে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া, বিপুলসংখ্যক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েন এবং খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসার তীব্র সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হন।

এই ভয়াবহ বিপর্যয় থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা জাপানে ‘হিবাকুশা’ নামে পরিচিত। পারমাণবিক বিকিরণের প্রভাবে তাদের অনেকেই আজীবন দগ্ধ শরীর, ক্যানসার, তেজস্ক্রিয়তাজনিত নানা দীর্ঘস্থায়ী রোগ এবং জিনগত জটিলতার মতো কঠিন পরিণতি বহন করেছেন।

হিরোশিমার ঘটনাটি মানবসভ্যতার জন্য এক গভীর সতর্কবার্তা। যুদ্ধ নয়, শান্তি ও মানবতাই এই দিনের মূল শিক্ষা।

সময়ের আলো/মহু
  বিষয়:   হিরোশিমা  বোমা  হামলা  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
বিবিধ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: