চট্টগ্রাম বন্দরের অকশান ইয়ার্ডে ধ্বংস করা হয়েছে ৯১ টন এনার্জি ড্রিংক ও শ্যাম্পু। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ধ্বংসের কার্যক্রম অব্যাহত ছিল। তবে বেশিরভাগ ধ্বংস করা হয়েছে কাস্টমস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
কাস্টমস সূত্র জানায়, মোট পাঁচ কনটেইনার ভর্তি ছিল বিপুল এনার্জি ড্রিংক ও শ্যাম্পু। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সময়মতো বন্দর থেকে খালাস না করায় তা নিলামে তোলা হয়। কিন্তু কনটেইনার ভর্তি এসব পণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নিলামে বিক্রির আর সুযোগ ছিল না। তাই কাস্টমসের অকশান ইয়ার্ডে এসব ধ্বংসের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ সময়ের আলোকে বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ৯১ টন এনার্জি ড্রিংক ও শ্যাম্পু ধ্বংসের কাজ শুরু হয়। বিকালের দিকে ধ্বংস কার্যক্রম প্রায় শেষ হয়। রাতের মধ্যে বাকি পণ্য ধ্বংস করা হবে।
কিভাবে ধ্বংস করা হয় এ প্রশ্নে তিনি বলেন, রোলার দিয়ে এসব পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে। বাইরে ডাম্পিং ইয়ার্ডে ধ্বংস করা হলে পরিবেশের ক্ষতির সম্ভাবনা ছিল। তাই অকশান ইয়ার্ডেই ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত হয়। কিছু প্লাস্টিকের বোতল সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।
কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, নিলামে তোলা বহু পণ্য নষ্টের কারণে শেষ পর্যন্ত নিলামে বিক্রি করা যায় না। শেষ পর্যন্ত তা ধ্বংস করা ছাড়া বিকল্প থাকে না। ধ্বংস করা বিপুল এনার্জি ড্রিংক ও শ্যাম্পুর জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনা ছিল। নির্দেশনা অনুসরন করে এ সংক্রান্ত একটি কমিটির সিদ্ধান্তে এসব ধ্বংস করা হয়। অকশন শেডে দুই লটে থাকা পাঁচটি কনটেইনারের পণ্য ধ্বংস করা হয়।
সময়ের আলো/আতা