অধিকৃত পশ্চিম তীরের নাবলুসের দক্ষিণে কুসরা শহরে অবরুদ্ধ তিন ফিলিস্তিনি পরিবারের পাশে দাঁড়াতে একসঙ্গে বিক্ষোভে নেমেছেন ফিলিস্তিনি, বামপন্থী ইসরায়েলি ও বিদেশি আন্দোলনকারীরা। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাস আল-আইন এলাকায় তারা খাদ্য, পানি ও জরুরি সহায়তা নিয়ে পরিবারের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।
ইসরায়েলি সেনারা এলাকাটিকে ‘অবরুদ্ধ সামরিক অঞ্চল’ ঘোষণা করে বিক্ষোভকারীদের বাধা দিলেও শেষ পর্যন্ত তারা অবরুদ্ধ বাসিন্দাদের কাছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিতে সক্ষম হন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রোববার থেকে কয়েক ডজন ইসরায়েলি দখলদার তিনটি বাড়ি ঘিরে তাঁবু স্থাপন করেছে, আশপাশের সড়ক বন্ধ করেছে এবং খাদ্য, পানি ও ওষুধ পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে। পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করারও অভিযোগ উঠেছে।
কুসরা নগর পরিষদের প্রধান আব্দুল আজিম ওয়াদি জানান, সাম্প্রতিক অভিযানে ইসরায়েলি সেনারা ১৬টি ফিলিস্তিনি বাড়ি দখল করে সেগুলো সামরিক ব্যারাক হিসেবে ব্যবহার করেছে। যদিও শুক্রবার সকালে সেনারা সেসব বাড়ি ছেড়ে যায়, রাস আল-আইনের তিন পরিবার এখনো অবরোধে রয়েছে।
আনাদোলুর বরাতে স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় চার মাস ধরেই এসব বাড়ি দখলের চেষ্টা চলছে। অবরুদ্ধ পরিবারগুলোর আশঙ্কা, তাদের এলাকা ছাড়তে বাধ্য করাই এই অবরোধের মূল লক্ষ্য, যাতে পরে সম্পত্তি দখল করা যায়।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের জমি, বাড়িঘর ও সম্পত্তির ওপর হামলা এবং দখল প্রচেষ্টা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সূত্র : আনাদোলু
সময়ের আলো/এমকে