অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে চার দিনের মধ্যেই স্বাগতিকদের হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইন টেস্টে এমন দাপুটে জয় হয়তো বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাফল্যের ধারাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
পাঁচ দিনের লড়াইয়ের প্রত্যাশা থাকলেও নাজমুল হোসেন শান্তর দল ম্যাচ শেষ করে দিয়েছে এক দিন আগেই। তাই টেস্টের শেষ দিনটি বাংলাদেশের জন্য হয়ে গেছে অলিখিত ছুটি। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক জানিয়েছেন, এমন ঐতিহাসিক জয়ের পর উদযাপনের বিকল্প দেখছেন না তিনি।
শান্ত বলেন, ‘আমার মনে হয় এ রকম জয়ের পরে অবশ্যই উদযাপন করা উচিত। এ ধরনের মুহূর্ত আমাদের জীবনে খুব কম আসে। আমার মনে হয় যে পুরা দিন উদযাপন করা উচিত, খুব ভালোভাবে উদযাপন করা উচিত। ওটাই করার চেষ্টা করব।’
ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের জয়ের মূল শক্তি ছিল দলগত পারফরম্যান্স। বল হাতে হাসান মাহমুদ ম্যাচসেরা হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে বড় অবদান রেখেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
ব্যাট হাতে দ্বিতীয় টেস্টেই সেঞ্চুরি করে আলো ছড়িয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম। অধিনায়ক শান্তর ব্যাটিংও ছিল আত্মবিশ্বাসী ও পরিণত। মিরাজের কার্যকর ব্যাটিং এবং সাদমান ইসলামের প্রথম ইনিংসের গুরুত্বপূর্ণ ২০ রানও জয়ে ভূমিকা রেখেছে।
শান্তর চোখে তাই ম্যাচসেরার পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য পুরো দলই। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে আমার ম্যাচসেরা বাংলাদেশ দল। আপনি যদি দেখেন, সবাই কোনো না কোনো জায়গায় অবদান রেখেছে।’
টাইগার অধিনায়ক বলেন, ‘তামিমের প্রথম সেঞ্চুরি- এটা অবশ্যই বিশেষ মুহূর্ত ওর জন্য, মাত্র দ্বিতীয় টেস্ট খেলছে। মিরাজ এ রকম পারফর্ম এর আগেও অনেক করেছে এবং এ কন্ডিশনে ব্যাটিং-বোলিং যেভাবে করল, এটা অসাধারণ। এমনকি সাদমানের প্রথম ইনিংসের ২০টা রানও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’
সময়ের আলো/এমকে