ইরানের ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী সপ্তাহেই তেহরানের বিরুদ্ধে ‘আগে কখনো দেখা যায়নি’—এমন ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। লন্ডনভিত্তিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে দেশটির ওপর বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। চলমান সংঘাতের মধ্যেই ওয়াশিংটন ইরানের নৌ, জ্বালানি ও আর্থিক খাতেও নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পাশাপাশি দেশটির ওপর নৌ অবরোধও জোরদার করা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর চাপ আরও বাড়াতে চীনের ছোট তেল শোধনাগার ও কয়েকটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বিবেচনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ইরানের তেল বিক্রি ও অর্থ লেনদেনে সহায়তাকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নতুন করে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হতে পারে।
এ ছাড়া ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ এবং তেহরানের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও সীমিত করার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।
তবে চীনের ব্যাংক বা বড় কোনো প্রতিষ্ঠানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে বেইজিং পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে নতুন করে অর্থনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হতে দেওয়া অথবা দেশটির ওপর ‘খুব কঠোর’ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা—এ দুটি সম্ভাব্য পথ তাঁর সামনে রয়েছে। নতুন পদক্ষেপের মাধ্যমে তেহরানের ওপর চাপ আরও বাড়ানোর ইঙ্গিতই দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সময়ের আলো/এসএকে