হামলার ভয়ে ঘাঁটি কমাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হলে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি কমানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরে

2026-08-20T01:37:27+00:00
2026-08-20T01:37:27+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬,
৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
আন্তর্জাতিক
হামলার ভয়ে ঘাঁটি কমাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩৭ এএম 
ছবি : সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হলে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি কমানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরে থাকা মার্কিন সেনা ও সামরিক ঘাঁটিগুলোর সংখ্যা কমানো হবে কি না, তা নিয়ে প্রাথমিকভাবে বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

কয়েক মাস ধরে ইরানের হামলায় এসব ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অবগত আটজন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

পেন্টাগনের মূল্যায়নের অন্যতম বিষয় হলো, পারস্য উপসাগর থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়া হবে কি না। গত কয়েক মাসে ইরানের ধারাবাহিক হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বড় সামরিক ঘাঁটিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুজন জানিয়েছেন। ঘাঁটিগুলোর এই ক্ষয়ক্ষতি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি নতুন করে পর্যালোচনার বড় সুযোগ তৈরি করেছে। যুদ্ধের আগে এসব ঘাঁটি যে অবস্থায় ছিল, সেভাবেই সেগুলো পুনর্নির্মাণ নাও করা হতে পারে বলে প্রতিরক্ষা দফতর ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে।

পেন্টাগনের নীতিবিষয়ক দফতর এই মূল্যায়নের নেতৃত্ব দিচ্ছে। তবে জয়েন্ট স্টাফ ও ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডও বিষয়টি পর্যালোচনা করছে বলে পেন্টাগনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এখনও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবস্থান নিয়ে আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনার নির্দেশ দেননি বলে ওই কর্মকর্তা জানান। 

তিনি জানিয়েছেন, এটি আপাতত ‘সতর্কতামূলক পরিকল্পনা’; যা যুদ্ধের ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটিগুলো পুনর্নির্মাণ করা হবে কি না এবং হলে কীভাবে করা হবে সে বিষয়ে প্রশাসনকে ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করতে পারে। ওই কর্মকর্তা বলেন, এসব বিষয়ে কিছু সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযান পরিচালনাকারী ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সাধারণত জর্ডান থেকে ওমান পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৫০০ মাইল এলাকাজুড়ে প্রায় ২০টি ঘাঁটি ও বিভিন্ন স্থাপনায় ৪০ হাজারের মতো সেনা মোতায়েন রাখে। চলতি বছরের শুরু থেকেই মার্কিন সামরিক বাহিনী নিজেদের সেনাদের সুরক্ষা এবং ইরানে ১৩ হাজারের বেশি হামলা চালানোর জন্য মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ও স্থায়ী সামরিক ঘাঁটিগুলোর বেশিরভাগই পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত। বাহরাইনে রয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতর। এ ছাড়া কুয়েতসহ উপসাগরীয় অন্যান্য দেশেও মার্কিন সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম ও স্থাপনা রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য মার্কিন সেনাদের ওপর নির্ভরশীল। ফলে ওই অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক উপস্থিতি কমিয়ে নিলে ইরানের হামলা মোকাবিলায় এসব দেশের নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা কমে যেতে পারে। এই ঘাটতি পূরণে নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা বাড়ানো বা অন্য শক্তিধর দেশগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

পেন্টাগনের মূল্যায়ন সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, এ বিষয়টি মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে দীর্ঘদিনের একটি বিতর্ক আরও জোরালো করতে পারে। এক পক্ষ সামরিক হস্তক্ষেপের পক্ষে; অন্য পক্ষ মনে করে, পেন্টাগনের কিছু নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিজ ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষা জোরদার করা অথবা চীনের মতো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীদের ঠেকানোর দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত।

এই আলোচনায় সেন্টকম প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাডলি কুপারও যুক্ত হয়েছেন। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পারস্য উপসাগর থেকে মার্কিন সেনাদের আরও পশ্চিমে সরিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনায় কুপার সমর্থন দিচ্ছেন। এ বিষয়ে সেন্টকমের একজন মুখপাত্র কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর আগে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড উপসাগরীয় অঞ্চলের অনেক ঘাঁটি থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছিল। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকি বিবেচনায় এসব ঘাঁটিতে স্বাভাবিকসংখ্যক সেনা রাখা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়েছিল।

মার্কিন সামরিক অবস্থান সম্পর্কে অবগত একজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও উপসাগরীয় বড় ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার কিছু পরিবর্তন বহাল থাকতে পারে। ওই ব্যক্তি বলেন, ইরান মনে করে, আমরা এখনও সেই পুরোনো জায়গাগুলোতেই আছি। কিন্তু আমরা সেখানে নেই। তবে, মার্কিন সেনাদের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে কী ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে, তা তিনি বিস্তারিত জানাননি। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি নিয়ে পেন্টাগনের এই মূল্যায়ন সামনে আসার পেছনে ইরানি হামলায় ঘাঁটি ও সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও বড় কারণ।

মার্চে কুয়েতের একটি সামরিক স্থাপনা পোর্ট শুয়াইবায় ইরানের হামলায় ছয় মার্কিন সেনা নিহত হন। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের মে মাসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সংঘাতের সময় ইরানের হামলায় ২০০টির বেশি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাদের সুরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র এক হাজারের বেশি অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টরও ব্যবহার করেছে। এতে পেন্টাগনের ‘প্যাট্রিয়ট’ ও ‘টার্মিনাল হাই অল্টিটিউড এরিয়া ডিফেন্স’ (থাড) ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে দ্য পোস্ট মার্চে জানিয়েছিল।

সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত ও কাতারে সাবেক ডেপুটি চিফ অব মিশন মাইকেল র‌্যাটনি বলেন, এই যুদ্ধ সত্যিই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর দুর্বলতা তুলে ধরেছে। তার মতে, মার্কিন সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পারস্য উপসাগর থেকে আরও পশ্চিমেÑজর্ডান, ইসরাইল অথবা সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূলে সরিয়ে নেওয়া হলে কিছুটা চাপ কমতে পারে। তবে এতে দূরত্ব বাড়বে, যা এই সমস্যার ‘নিখুঁত সমাধান নয়’ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ইরান ইতিমধ্যে জর্ডান ও ইসরাইলের মতো দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর সক্ষমতা দেখিয়েছে। গত মাসে জর্ডানে ইরানের এক হামলায় চার মার্কিন সেনা নিহত হন। পারস্য উপসাগরে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলা পুরো অঞ্চলকে সংকটে ফেলে দিয়েছে। একই সঙ্গে এতে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যেও ক্ষোভ বাড়ছে। এসব দেশ মনে করছে, যুদ্ধ শুরুর আগে ট্রাম্প প্রশাসন তাদের সঙ্গে যথেষ্ট পরামর্শ করেনি।

প্রথম ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের আরব উপদ্বীপবিষয়ক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা অ্যালিসন মাইনর জানিয়েছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অস্ত্র বিক্রি ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়সহ নিরাপত্তা সহযোগিতা বজায় রাখতে পারে।


তবে একই সঙ্গে তারা মার্কিন সেনার উপস্থিতি কমিয়ে আনার বিষয়টিও মেনে নিতে পারে। তিনি বলেন, তবে এসব বিষয় নিয়ে সামগ্রিকভাবে আলোচনা করতে হবে। শুধু সেনার সংখ্যা কত হবে, সেই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। পেন্টাগন প্রকাশ্যে জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ যুদ্ধের ব্যয় প্রায় ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন ঘাঁটিগুলো পুনর্নির্মাণে যে অর্থ প্রয়োজন হবে, সেটি হিসাবের মধ্যে ধরা হয়নি।

প্রতিরক্ষা বিভাগের কম্পট্রোলার জুলস হার্স্ট মে মাসে সিনেটকে জানিয়েছিলেন, ঘাঁটিগুলোর পুনর্নির্মাণের ব্যয় হিসাবের বাইরে রাখা হয়েছে। কারণ ক্ষয়ক্ষতির পর ঘাঁটিগুলো কীভাবে পুনর্নির্মাণ করা হবে, সে বিষয়ে প্রশাসন এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। এপ্রিল মাসে গবেষণা প্রতিষ্ঠান আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (এইআই) এক হিসাব করে জানিয়েছিল, ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো মেরামতে প্রায় ৫০০ কোটি ডলার খরচ হতে পারে।

পেন্টাগনের মূল্যায়নের সঙ্গে পরিচিত একাধিক ব্যক্তি সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবস্থানে স্থায়ী কোনো পরিবর্তন এখনও অনেক দূরের বিষয়। এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হলে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। জুনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তিতে সই করেন এবং ইঙ্গিত দেন, যুদ্ধ শেষের পথে। তবে পরে সেই চুক্তি ভেস্তে যায়। এরপর কয়েক মাস ধরে দুপক্ষের মধ্যে বিচ্ছিন্নভাবে হামলা ও পাল্টা হামলা চলছে।

সামরিক হস্তক্ষেপ কমানোর পক্ষে থাকা থিঙ্কট্যাঙ্ক ডিফেন্স প্রায়োরিটিজ সম্প্রতি এক প্রস্তাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের হামলার আওতায় থাকা কুয়েতের মতো মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান ও বাহরাইনে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন সেনাদের আরও নিরাপদ ঘাঁটিতে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে রিয়াদের কাছে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসও রয়েছে।

তবে ওয়াশিংটনের কট্টরপন্থি মহলের কেউ কেউ পেন্টাগনের পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাদের ইসরাইলে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। ইসরাইলপন্থি সংগঠন জিউইশ ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি অব আমেরিকা (জিনসা) মার্চে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইসরাইলের ওভদা এয়ারবেসে আরও মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের আহ্বান জানায়।

চলতি বছরের শীতকালে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর আগে ওয়াশিংটন ওই ঘাঁটিতে এফ-২২ র‌্যাপ্টর যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছিল। এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হয়। তবে ইসরাইলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর এই সুপারিশ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরেই মতভেদ রয়েছে। কারণ, সেখানে মার্কিন সেনা বাড়ানো হলে পাল্টা গোয়েন্দা তৎপরতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ইসরাইলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে পেন্টাগনের উদ্বেগ সম্প্রতি বেড়েছে।

এদিকে প্রতিরক্ষা নীতিবিষয়ক আন্ডারসেক্রেটারি এলব্রিজ কলবির দফতর ন্যাটোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি নিয়েও একটি প্রকাশ্য পর্যালোচনা শুরু করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন জার্মানি ও পোল্যান্ড থেকে কয়েক হাজার মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর এই পর্যালোচনা শুরু হয়। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এর কাজ শেষ হওয়ার কথা।


সময়ের আলো/প্রিন্ট/এমকে


  বিষয়:   হামলা  ভয়  ঘাঁটি  যুক্তরাষ্ট্র  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: