‘নৌযান শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি’— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নাটোরে নৌযান শুমারির তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে জেলার পাঁচটি উপজেলায় একযোগে এই কার্যক্রমের সূচনা হয়।
দেশের নৌপরিবহণ ব্যবস্থার নীতি নির্ধারণ ও পরিকল্পনা প্রণয়ন, নাবিকদের প্রশিক্ষণ প্রদান, নৌযানের নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী সহায়তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে একটি সুনির্দিষ্ট ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে এই শুমারি পরিচালনা করা হচ্ছে।
নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘নৌযানের ডাটাবেজ তৈরি ও নৌযানে ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
জেলার গুরুদাসপুর, বড়াইগ্রাম, লালপুর, নলডাঙ্গা এবং সিংড়া উপজেলার অভ্যন্তরীণ জলপথে চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত নৌযানের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রাথমিক জরিপ অনুযায়ী, এই পাঁচ উপজেলায় ইঞ্জিনচালিত ১ হাজার ৪৩টি নৌযান চলাচলের তথ্য রয়েছে।
শুমারি কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনার জন্য জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক জেলা সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া কার্যক্রমে একজন উপজেলা সমন্বয়কারী, দুজন জোনাল অফিসার এবং ১৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী মাঠে কাজ করছেন। আগামী ২৯ আগস্ট পর্যন্ত এই তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে।
পরিসংখ্যান ব্যুরো নাটোর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক নাসির উদ্দিন বাসসকে জানান, শুমারি কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নৌযান-সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে একটি অবহিতকরণ সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করা হচ্ছে।
সময়ের আলো/জোই