নিয়মিত মেরামত কাজ করার সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখে পিডিবি। এতে হাসপাতালের হাজারো রোগীকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিদ্যুৎ চলে যায়। বেলা ১১টার দিকে পুনরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী জেনারেটর চালুর কথা থাকলেও হয়নি।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) জানায়, শনিবার শিডিউল মেরামত করার দিন ধার্য ছিল চমেকের ফিডারে। এজন্য শুক্রবার দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ স্টেডিয়ামের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছিল। উন্নয়ন, জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণ কাজের জন্য ধারাবাহিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয়। চমেক ছিল এই ফিডারের আওতায়।
এদিকে, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন হাজারো রোগী। এসময় রোগীর স্যাম্পল পরীক্ষাও বন্ধ হয়ে যায়। জরুরি বিভাগে জমে যায় রোগীর ভিড়। অনেকে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করতে স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে ছুটে যান।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বলেন, ‘মেরামত কাজের জন্য চমেকে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। কিছু সময় বন্ধ থাকার পর বিদ্যুৎ বিভাগ জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পিডিবির এক কর্মকর্তা জানান, সার্কিট হাউস,চমেকসহ চট্টগ্রামে বেশ কয়েকটি স্থাপনায় পিডিবির স্পেশাল ফিডার আছে। অর্থাৎ, বিশেষ ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখার ব্যবস্থা আছে। চমেকের মতো গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা দায়িত্বহীনতা কিংবা গাফিলতির পরিচয় ছাড়া অন্য কিছু নয়।
সময়ের আলো/মহু