মেহেরপুর গাংনীর ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর ত্রাস ‘বোমা হোসেনকে’ অবশেষে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে থাকা হোসেন আলী ওরফে পিচ্চি হোসেন ওরফে বোমা হোসেনকে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোরে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থেকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নাঙ্গলকোটে অভিযান চালিয়ে গাংনী থানা পুলিশের একটি দল গ্রেফতার করে ওয়ারেন্টভুক্ত এই আসামিকে। পরে শুক্রবার দিবাগত রাত ২টায় গাংনী উপজেলার পৌরসভাধীন পূর্ব মালসাদহ গ্রামে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয় আরও দুটি বোমা সদৃশ বস্তু।
পুলিশ জানায়, মেহেরপুরের গাংনীর অলি গলিতে যেখানে-সেখানে বিস্ফোরিত হতো বোমা, পড়ে থাকত রহস্যময় বোমা সদৃশ বস্তু, আর তার নেপথ্যে ছিলেন বোমা হোসেন। শুধু বোমা কাণ্ডই নয়, বোমা হোসেনের বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলাসহ সাতটি জিআর ওয়ারেন্ট রয়েছে।
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা দাবির করে না পেলে তার বাড়িতে বোমা হামলা করা হতো কিংবা বোমা রেখে আসতো বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
গাংনী থানার ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এখানেই থামছে না। এবার লক্ষ্য তার বাহিনীর সহযোগীদের খুঁজে বের করা।
বোমা হোসেন (৫০) গাংনীর পূর্ব মালসাদহ গ্রামের ওহিল উদ্দীনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোসেন প্রায় ৮ বছর আগে এলাকা ত্যাগ করে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে চলে যায়।
সময়ের আলো/আতা