নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর জীবিতদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর আহত কয়েকজনকে রাজধানী কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
নিহত ও নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে হাসপাতাল ও উদ্ধারকেন্দ্রগুলোতে উদ্বিগ্ন হয়ে অপেক্ষা করছেন পরিবারের সদস্যরা।
উদ্ধারকাজে রাতে নাইট-ভিশন হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ধুনছে ও নুওয়াকোটে ঘাঁটি স্থাপন করা হয়েছে। এই দুই জেলা বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিবিসির এক প্রতিবেদক জানিয়েছেন, দুর্গত এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। সড়ক যোগাযোগ ও ইন্টারনেট ব্যবস্থাও পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
ইতোমধ্যে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে পাঁচটি ট্রাক দুর্গত এলাকায় পাঠানো হয়েছে। আরও ত্রাণ পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারতও নেপালকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে।
দুর্গত এলাকা থেকে পাওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বিভিন্ন জনপদের ওপর দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক ঘরবাড়ি এমনকি পুরো গ্রামও পানির স্রোতে ভেসে গেছে।
সময়ের আলো/কেএইচ