ইট-পাথর ও কংক্রিটের শহর ঢাকা। এখানে হাজার হাজার ভবনের মাঝে কোথাও উঁকি দেয় একটুখানি সবুজ প্রকৃতি। যেকোনো দিন বিকেলে কিংবা ছুটির দিনে সেই সবুজের সান্নিধ্য পেতে ঘুরতে যেতে পারেন কয়েকটি পার্ক ও উদ্যানে।
রমনা পার্ক
ঢাকার রমনা এলাকায় অবস্থিত এই পার্ক সবার খুব পছন্দের। সবুজ পরিবেশে হাঁটাহাঁটি ও কিছুটা সময় শান্তিতে কাটানোর জন্য এটি উপযুক্ত জায়গা। এখানে খাওয়ার জন্য আছে রেস্তোরাঁ, লেকে ঘোরার জন্য রয়েছে নৌকা। এছাড়া, পার্কজুড়ে জানা-অজানা ফুলের সমারোহ আপনাকে মুগ্ধ করবে।
চন্দ্রিমা উদ্যান। ছবি : সংগৃহীত
চন্দ্রিমা উদ্যান
শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত চন্দ্রিমা উদ্যান যেন শহরের বুকে সবুজ স্বর্গ। লেক, গাছপালা ও খোলামেলা পরিবেশে ঘোরার জন্য জায়গাটি বেশ আকর্ষণীয়।
জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান
মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানে রয়েছে অসংখ্য গাছের সমারোহ। এখানে গেলে আপনি দেখতে পাবেন সবুজ প্রকৃতি, শুনতে পাবেন পাখির কলকাকলী, পা ভেজাতে পারবেন পুকুরের জলে। তাই প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এটি পছন্দের গন্তব্য।
ঢাকার ভেতরেই বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য উত্তরার এই খোলামেলা জায়গা বেশ উপযোগী। এখানে আপনি সবুজ প্রকৃতিতে হাঁটতে পারবেন, কায়াকিং করতে পারবেন স্বচ্ছ জলে, খেতে পারবেন পছন্দসই খাবার। শিশুদের খেলার জন্য এখানে আছে পর্যাপ্ত সুব্যবস্থা। তাই জায়গাটি শিশুদেরও পছন্দের।
বলধা গার্ডেন। ছবি : সংগৃহীত
বলধা গার্ডেন
পুরান ঢাকার ওয়ারীতে অবস্থিত বলধা গার্ডেন ঐতিহাসিক একটি উদ্ভিদ উদ্যান। বিভিন্ন ধরনের গাছপালার পাশাপাশি এখানকার পুরনো স্থাপত্যও দেখার সুযোগ রয়েছে। রয়েছে সুন্দর পুকুর, রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত জয় হাউস। তাই কিছুটা সময়ের জন্য প্রশান্তি লাভ করতে চাইলে যেতে পারেন এ জায়গায়।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
শাহবাগ এলাকায় অবস্থিত এই উদ্যানে একইসঙ্গে উপভোগ করতে পারবেন সবুজ প্রকৃতি ও ইতিহাসের স্মৃতি। এখানে রয়েছে ভূগর্ভস্থ একটি জাদুঘর, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের অনেক ছবি ও তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। এছাড়া, খাওয়া ও কেনাকাটার সুযোগও রয়েছে এই উদ্যানে।
বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্ক
গুলশানের এ পার্কটি খুব বেশি বড় না হলেও এখানে রয়েছে বুকওয়ার্ম নামে একটি প্রিমিয়াম বইয়ের দোকান, কফিতে চুমুক দেওয়ার জন্য নর্থ ইন্ড, শান্ত পুকুর ও সবুজের গান। এছাড়া, শিশুদের খেলাধুলা করার সুযোগও রয়েছে। সব মিলিয়ে বিকেল কাটানোর জন্য বেশ সুন্দর জায়গাটি।