কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-মেয়েসহ একই পরিবারের ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরো ৫ জন। রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের তেভাগা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন হবিগঞ্জ জেলার আজমেরীগঞ্জের বদিউল আলমের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন (৫০), কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার কলাপাড়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে মিলন মিয়া (৩০) ও তার শিশুকন্যা জারা মনি (৫)। গুরুতর আহতরা হলেন, উক্ত দুর্ঘটনায় মৃত মিলন মিয়ার স্ত্রী বন্যা আক্তার (২৫), কটিয়াদী উপজেলার সিএনজি চালক কাজল মিয়া (৩০), হবিগঞ্জ জেলার আজমেরীগঞ্জের বদিউল আলম (৫৫), বদিউল আলমেন নাতনি প্রিয়া আক্তার (২০) ও নাতি সাকিবুল হাসান (৮)।
আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কিশোরগঞ্জ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুরুতর আহত বদিউল আলম জানান, শুক্রবার তার মেয়ের অসুস্থ শ্বশুরকে দেখতে পরিবারের লোকজন নিয়ে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার কলাপাড়া গ্রামে আসনে। রোববার দুপুরে তাদেরকে নিয়ে তাড়াইল থেকে সিএনজি করে ব্যবসায়িক কর্মস্থল নরসিংদী জেলার মনোহরদীতে যাওয়ার পথে দ্রুত গতিতে আসা একটি কার্ভাড ভ্যান আমাদের সিএনজিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে আমার মেয়ের জামাই মিলন মিয়া মারা যান। হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার ডাক্তার আমার স্ত্রী রাবেয়া খাতুন ও নাতনি জারা মনিকে মৃত ঘোষণা করেন।
কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর কর্তব্যরত চিকিৎসক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় হাসপাতালে নিয়ে আসা রাবেয়া খাতুন ও জারা মনিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত ঘোষণা করা হয়। আহতদের মাথায় আঘাত রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের জেলা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
কটিয়াদী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক রেজাউল করিম জানান, কাভার্ডভ্যান ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ জন নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
সময়ের আলো/আতা