সৃজনশীল অর্থনীতি : সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত

রেজাউল করিম খোকন

মতামত

সৃজনশীল অর্থনীতির উন্নয়ন একটি সময়োপযোগী ও সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সঠিক নীতি, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে

2026-08-31T04:28:11+00:00
2026-08-31T04:28:11+00:00
 
  সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬,
১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
মতামত
সৃজনশীল অর্থনীতি : সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত
রেজাউল করিম খোকন
প্রকাশ: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৮ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
সৃজনশীল অর্থনীতির উন্নয়ন একটি সময়োপযোগী ও সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সঠিক নীতি, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই খাত দেশের অর্থনীতিকে বহুমুখী করতে পারে, কর্মসংস্থান বাড়াতে পারে এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে নতুনভাবে তুলে ধরতে পারে। তবে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবতায় রূপ দিতে হলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি অপরিহার্য।

নতুন সরকারের প্রথম বাজেট ঘিরে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও সৃজনশীল পেশাজীবীদেরও ব্যাপক আগ্রহ কৌতূহল ছিল। কারণ দীর্ঘদিন ধরে সংস্কৃতি খাতের মানুষ বাজেটে বড় ধরনের নীতিগত সহায়তার প্রত্যাশা করে আসছিলেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সেই প্রত্যাশার কিছুটা প্রতিফলন দেখা গেছে। যদিও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়নি, তবু ‘সৃজনশীল অর্থনীতি’ বা ক্রিয়েটিভ ইকোনমিকে কেন্দ্র করে সরকারের নতুন পরিকল্পনা বাজেটের অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে। 

জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংস্কৃতি, কারুশিল্প, চলচ্চিত্র, ডিজিটাল কনটেন্ট, পর্যটন ও ক্রীড়াকে একই অর্থনৈতিক কাঠামোর আওতায় এনে নতুন উন্নয়ন ভাবনার কথা তুলে ধরেন। সরকারের মতে, এসব খাত শুধু সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ নয় বরং কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিরও গুরুত্বপূর্ণ উৎস হতে পারে। 

সরকার প্রথমবারের মতো সৃজনশীল অর্থনীতিকে একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সরকারের সবচেয়ে বড় পরিকল্পনাগুলোর একটি হলো ঢাকার পূর্বাচলে ১৬০ একর জমির ওপর একটি বিশ্বমানের ‘সেন্ট্রাল ক্রিয়েটিভ হাব’ নির্মাণ। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে গড়ে ওঠা এই কেন্দ্রটিতে আধুনিক স্টুডিও, প্রশিক্ষণ সুবিধা, সাংস্কৃতিক মঞ্চ, প্রদর্শনী কেন্দ্র এবং সৃজনশীল উদ্যোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকবে। দেশের তরুণদের মাদক, সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ থেকে দূরে রাখতে সৃজনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।

সাধারণভাবে সৃজনশীল অর্থনীতি বলতে চলচ্চিত্র, নাচ, গান, নাটক, প্রকাশনা, বিজ্ঞাপন, স্থাপত্য, শিল্পকলা, কারুশিল্প, নকশা, সফটওয়্যার, ভিডিও গেমস ইত্যাদিকে বোঝানো হয়। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার (আঙ্কটাড) ‘সৃজনশীল অর্থনীতি বা ক্রিয়েটিভ ইকোনমি আউটলুক-২০২৪’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৃজনশীল অর্থনীতি বলতে এমন পণ্য ও সেবা তৈরি, উৎপাদন এবং বিপণনকে বোঝায় যেখানে প্রধান উপাদান হিসেবে সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদকে ব্যবহার করা হয়। বর্তমান সরকার সৃজনশীল অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে নানাভাবে পৃষ্ঠপোষকতার পরিকল্পনা করছে। দেশীয় সংস্কৃতি বিকাশের পাশাপাশি সৃজনশীলতার মাধ্যমে উচ্চমূল্য তৈরি ও রফতানি আয় বৃদ্ধি সরকারের উদ্দেশ্য। 

সৃজনশীল অর্থনীতির সম্ভাবনাময় খাতকে অর্থনীতির মূলধারায় সম্পৃক্ত করা এবং দেশে ব্র্যান্ডিং করাও রয়েছে উদ্দেশ্যের মধ্যে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) উন্নত দেশগুলোর পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলোতেও ভালো অবদান রাখছে সৃজনশীল (ক্রিয়েটিভ) অর্থনীতি। কিন্তু বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে।

কিছু দিন আগে অর্থমন্ত্রী এক গোলটেবিল বৈঠকে সৃজনশীল অর্থনীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘আমাদের সফট পাওয়ার নেই। অথচ পাশের দেশের চলচ্চিত্র, সংগীত ইত্যাদি বিশ্বের অন্য দেশে যাচ্ছে।’ সৃজনশীল অর্থনীতি কেন সরকারের অগ্রাধিকারে এলো? প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চান দেশের তরুণ জনগোষ্ঠী নানা ধরনের সৃজনশীল কাজে যুক্ত থাকুক। এখানে দুটি দিক আছে। 

প্রথমটি হলো শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি মাদক ও জঙ্গিবাদ থেকে তরুণদের দূরে রাখা। এ জন্য উত্তম উপায় হচ্ছে সাহিত্য, সংস্কৃতি, খেলাধুলাসহ সব ধরনের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে তাদের যুক্ত করা। 

দ্বিতীয়টি হলো সৃজনশীল কাজকে আবার কেউ পেশা হিসেবেও বেছে নিতে পারেন। তবে এ বিষয়ে এত দিন কোনো রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ছিল না। বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা হচ্ছে দেশে সৃজনশীল অর্থনীতি উদ্দীপ্ত হোক। এ জন্য প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হবে। আর এর মাধ্যমে বহুমাত্রিকভাবে লাভবান হবে বাংলাদেশ।

বিএনপি তার নির্বাচনি ইশতেহারে ‘সৃজনশীল অর্থনীতি’ নিয়ে কর্মপরিকল্পনা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এতে বলা হয়েছে, জিডিপিতে সৃজনশীল অর্থনীতি খাতের অবদান হবে কমপক্ষে ১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং কর্মসংস্থান হবে ৫ লাখ মানুষের। সৃজনশীল অর্থনীতি খাতের কৌশলগত নেতৃত্ব দিতে ‘বাংলাদেশ ক্রিয়েটিভ ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’ গঠন এবং আন্তর্জাতিক উৎসব ও বাজারে সৃজনশীল সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে ‘ক্রিয়েটেড ইন বাংলাদেশ’ নামে জাতীয় ব্র্যান্ড চালু করার প্রতিশ্রুতিও ছিল বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে।

জিডিপি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সৃজনশীল অর্থনীতির অবদান সম্পর্কে দেশে কোনো তথ্য নেই। এ খাতকে অর্থনীতির মূলধারায় আনতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত কার্যক্রম হাতে নেওয়া দরকার। পাশাপাশি সব উপজেলায় ৫৫০টি সৃজনশীল কেন্দ্র হোক। এগুলোতে সাংস্কৃতিক মঞ্চ, বইয়ের দোকান, সিনেপ্লেক্স, ছোট আকারের ক্যাফেটেরিয়া থাকতে পারে। চলচ্চিত্র, কারুশিল্প ও সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। আমাদের চলচ্চিত্র শিল্প একসময় ঐতিহ্যমণ্ডিত থাকলেও বর্তমানে তা রুগ্ন অবস্থায় রয়েছে এবং বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছে।

চলচ্চিত্রশিল্পকে চাঙ্গা করতে ভর্তুকি এবং সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার পদক্ষেপ নিতে হবে। হারিয়ে যেতে বসা যাত্রা ও সার্কাসের উন্নতির জন্য উদ্যোগ, সহজ শর্তে নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ এবং ষড়ঋতুভিত্তিক মেলার আয়োজন করতে হবে। 

সৃজনশীল অর্থনীতির বৈশ্বিক চিত্র আমাদের আশাবাদী করে সহজেই। বিশ্বজুড়ে সৃজনশীল অর্থনীতি থেকে বছরে আয় হয় ২ ট্রিলিয়ন অর্থাৎ ২ লাখ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। আর কর্মসংস্থান হয় ৫ কোটি মানুষের। ২০২২ সালে বিশ্বে ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের সৃজনশীল সেবা রফতানি হয়েছে, যা ৫ বছর আগের তুলনায় ২৭ শতাংশ বেশি। সেবা রফতানির মধ্যে সফটওয়্যার সেবার অবদানই ৪১ শতাংশ। 

একই বছরে রফতানি হয়েছে ৭১ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের সৃজনশীল পণ্য। জিডিপির অনুপাতে সৃজনশীল অর্থনীতির অবদান সবচেয়ে বেশি ইন্দোনেশিয়ায়- ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। এ হার ফিলিপাইনে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ৪ দশমিক ২ শতাংশ এবং ভারতের ২ দশমিক ৫ শতাংশ।

আঙ্কটাডের ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের নাম নেই। তবে বাংলাদেশ সরকার এখন এ অবদান জিডিপির ১ দশমিক ৫ শতাংশে নিয়ে যেতে চায়। তবে সৃজনশীল অর্থনীতির ক্ষেত্রে দেশে মেধাস্বত্ব সুরক্ষার প্রায়োগিক দুর্বলতা রয়েছে। 

পরিসংখ্যান নেই, নীতিমালা নেই এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় নেই। আছে অর্থায়ন ও বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সহজে ঋণ পান না। ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও সৃজনশীল তহবিল খুবই সীমিত। 

এ ছাড়া আছে দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি। মানসম্পন্ন স্টুডিও নেই, ল্যাব নেই। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মনিটাইজেশন কাঠামো দুর্বল। এ খাতে বাংলাদেশি ব্র্যান্ড যথেষ্ট প্রতিষ্ঠিত নয়। বিপণন, কপিরাইট বাণিজ্য ও সরবরাহ চেইন দুর্বল। আশার কথা হলো, এ খাত এগিয়ে নিতে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন করতে চায়। সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ স্টার্টআপ (নতুন উদ্যোগ) তহবিলও গঠন করা যায়। 

তবে বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। সরকার থাকবে সহযোগিতাকারীর (ফ্যাসিলিটেটর) ভূমিকায়। ১০ বছরের একটি বিনিয়োগ পরিকল্পনা হাতে নেওয়ার পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে কৌশলপত্র ও নীতিকাঠামো তৈরি করতে পারে সরকার। সৃজনশীল অর্থনীতি নিয়ে সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। সমাজে নানা ধরনের অপশক্তি আছে। এগুলোর প্রভাব দূর করতে সৃজনশীলতায় সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা জরুরি। 

সৃজনশীল অর্থনীতির প্রসারে চলচ্চিত্র, কারুশিল্প ও সাংস্কৃতিক পর্যটন- এ তিন প্রধান মাধ্যমে জোর দিতে হবে।
বিশ্ব অর্থনীতির কাঠামো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। কৃষি ও শিল্পনির্ভর অর্থনীতির পাশাপাশি এখন গুরুত্ব পাচ্ছে সৃজনশীল অর্থনীতি। যেখানে মানব মেধা, সংস্কৃতি, উদ্ভাবন ও সৃজনশীল দক্ষতাই মূল সম্পদ। 

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে সৃজনশীল অর্থনীতির উন্নয়নকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তরুণ জনগোষ্ঠীর সম্ভাবনা কাজে লাগানোর একটি কৌশলগত উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। বিশ্বব্যাপী এই খাত দ্রুত বর্ধনশীল। উন্নত ও উন্নয়নশীল বহু দেশ তাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি হিসেবে সৃজনশীল শিল্পকে গুরুত্ব দিচ্ছে। কারণ এই খাতে তুলনামূলক কম মূলধনে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং তরুণ ও শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বেশি। 

বাংলাদেশের রয়েছে সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, বিশাল তরুণ জনসংখ্যা এবং দ্রুত সম্প্রসারিত ডিজিটাল অবকাঠামো। লোকশিল্প, নকশিকাঁথা, মৃৎশিল্প, সংগীত, চলচ্চিত্র, নাটক, বই প্রকাশনা ও ডিজিটাল কনটেন্ট সব ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের স্বতন্ত্র পরিচয় রয়েছে। পাশাপাশি আইটি ও ফ্রিল্যান্সিং খাতে তরুণদের অংশগ্রহণ সৃজনশীল অর্থনীতির ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে। তবে সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এই খাত এখনও কাঠামোগত সহায়তা, নীতিগত দিকনির্দেশনা ও বাজার সংযোগের অভাবে পূর্ণ বিকাশ লাভ করতে পারেনি। 

সৃজনশীল অর্থনীতির উন্নয়ন একটি সময়োপযোগী ও সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সঠিক নীতি, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই খাত দেশের অর্থনীতিকে বহুমুখী করতে পারে, কর্মসংস্থান বাড়াতে পারে এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে নতুনভাবে তুলে ধরতে পারে। তবে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবতায় রূপ দিতে হলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি অপরিহার্য।

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার
মতামত লেখকের নিজস্ব

সময়ের আলো/এসএকে


  বিষয়:   সৃজনশীল  অর্থনীতি  সমৃদ্ধি  নতুন দিগন্ত  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: