প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দুঃশাসন, জুলুম নিপীড়ন চালিয়ে গণতন্ত্র, অর্থনীতিসহ রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্র ধ্বংস করে পালিয়ে গেছে। খন্দকার মোশাররফ দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, সবাইকে নিয়ে তিনি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন করতে সক্ষম হবেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সিনিয়র সদস্য বলেছেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এদেশে শান্তির দূত হয়ে এসেছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ভয়ের রাজনীতির বিপরীতে তিনি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার রাজনীতি চালু করেন। দেশের মানুষ তা সাদরে গ্রহণ করেছেন।
খন্দকার মোশাররফ বলেন, ১৯৭৮ সালের এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বার্থে বিএনপির প্রতিষ্ঠা ছিল সময়োপযোগী এবং ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। তৎকালীন সরকার অভিশপ্ত একদলীয় 'বাকশাল' প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের বাক ও ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করেছিল। শহিদ জিয়া রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে প্রথমেই রাজনৈতিক দলের নিষেধাজ্ঞা তুলে দেন, দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।
বিএনপির এই বর্ষীয়ান নেতা বলেন, জাতীয় সমৃদ্ধির জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা অপরিহার্য। সর্বাত্মক গণঅভ্যুত্থানের পর সব দেশেই অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। আমাদেরও সে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়েছে। সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে জনগণ সুফল পেতে শুরু করেছে। তিনি সামাজিক অপরাধ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করেছেন।
ড. মোশাররফ বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে প্রতিহিংসার রাজনীতির পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন ধারার উন্নয়নের রাজনীতিতে সামিল হওয়ার জন্য তিনি জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
সময়ের আলো/আতা