খাগড়াছড়িতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য দেবতা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫২তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষ্যে র্যালি ও আলোচনা সভা সহ নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিনটি পালিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দিনটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ ধর্মীয় পতাকা এবং বেলুন উড়িয়ে খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি ও আলোচনার উদ্ধোধন করেন, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রাসা থোকাই মারমা।
উদ্ধোধন শেষে আনন্দ র্যালিটি খাগড়াছড়ি জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে খাগড়াছড়ি লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দিরে এসে শেষ করে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ-বাংলাদেশ, খাগড়াছড়ি শাখার সভাপতি ধনা চন্দ্র সেন এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, খাগড়াছড়ি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাসান মারুফ, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য এম এন আবছার সহ শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ-বাংলাদেশ খাগড়াছড়ি শাখার সিনিয়র সদস্য বৃন্দ।
সভায় বক্তারা বলেন, সনাতন ধর্ম একটি প্রাচীন ধর্ম। দুষ্টের দমন ও সৃষ্টের পালনের জন্য প্রায় ৫ হাজার ২৫২ বছর আগে দ্বাপরযুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে এক যুগ সন্ধিক্ষণে বসুদেবের স্ত্রী দেবকীর গর্ভে কংসের কারাগারে আবির্ভূত হন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। এবং অত্যাচারী কংসের হাত থেকে শান্তিপ্রিয় ধর্মপ্রাণ মানুষদের বাঁচাতে ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ধরাধামে আবির্ভূত হন। শুধু সনাতন ধর্ম নয়, জগতের সবার কল্যাণে তিনি কাজ করে গেছেন। পরবর্তীতে অত্যাচারী কংস'কে শ্রীকৃষ্ণ হত্যা করেন।
এছাড়াও জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে খাগড়াছড়ির সদর ও বিভিন্ন উপজেলার মন্দির থেকে ব্যানারে আনন্দ র্যালি প্রদর্শনীতে ধর্মপ্রাণ সনাতন ধর্মাবলম্বীরা অংশ নেন।
সময়ের আলো/জোই