বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। কিন্তু রান্না করতে গেলে গ্যাস তো লাগবেই, বিশেষ করে নগরবাসীরা গ্যাসের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল। এক্ষেত্রে এমন কিছু কৌশল জেনে নিন, যাতে রান্নাও হবে, আবার গ্যাস সাশ্রয়ও হবে।
গ্যাসের আঁচ মাঝারি রাখুন
অতিরিক্ত আঁচে রান্না করতে গেলে আগুন পাত্রের তল ছাড়িয়ে আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে অনেক বেশি গ্যাসের অপচয় হয়। তাই গ্যাসের আঁচ মাঝারি রাখুন। এতে গ্যাস সাশ্রয় হবে।
নিয়মিত বার্নার পরিষ্কার করুন
গ্যাসের আগুনের রং সাধারণত নীল হয়। লাল, হলুদ কিংবা কমলা রঙের আগুন দেখলে বুঝবেন গ্যাসের দহন ঠিকভাবে হচ্ছে না। বার্নার অপরিষ্কার থাকলে এমনটা হতে পারে। এজন্য বার্নার নিয়মিত পরিষ্কার করুন। হালকা গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে বার্নার ঘষতে পারেন। তাতেও সমস্যা দূর না হলে চুলার মেকানিক ডাকতে পারেন।
রান্নার পাত্র পরিচ্ছন্ন রাখুন
পাতিল-কড়াইয়ের তলায় কালি থাকলে তাপের অপচয় হয়, গ্যাসও বেশি খরচ হয়। তাই রান্নার পাত্রের তলা পরিচ্ছন্ন রাখুন। এছাড়া, চুলায় শুকনো পাত্র বসানোর চেষ্টা করুন। কেননা, পাত্রে পানি লেগে থাকলেও গ্যাসের অপচয় হয়।
ঢেকে রান্না করুন
পাত্র ঢেকে রান্না করলে অনেকটা গ্যাস বাঁচে। তাই চেষ্টা করুন পাত্র ঢেকে রান্না করতে। পাশাপাশি, রান্নায় কতটুকু পানি দেবেন, তাও আগে থেকে মেপে রাখার চেষ্টা করুন। তরকারিতে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পানি দিলে তার জন্য অতিরিক্ত গ্যাস পোড়াতে হয়।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে লাইনের গ্যাসে মাসে বিল নির্ধারিত হলেও, প্রি-পেইড সিস্টেম এবং সিলিন্ডারের গ্যাসে এই খাতে মাসিক খরচ নির্ভর করে ব্যবহারের ওপর। আপনি যত বেশি গ্যাস ব্যবহার করবেন, সিলিন্ডার ততো দ্রুত খালি হবে। সেই খরচের প্রভাব পড়বে মাসের মোট হিসেবে। প্রি-পেইড মিটারের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। যত বেশি গ্যাস পুড়বে, ততো বেশি খরচ হবে। তাই গ্যাস সাশ্রয়ে এসব কৌশল অবলম্বন করুন।
সময়ের আলো/মহু